November 4, 2026, 9:47 pm
শিরোনাম :
লামিনে নামের পেছনের পেছনের অজানা গল্প জানালেন বাবা নতুন বাস্তবতার উপযোগী হয়ে ওঠার অঙ্গীকার কিআ মিটিং ১১৫: অংশ নেবে যেভাবে ইউরোপে সাইবার হামলার নতুন লক্ষ্য ফ্রান্সের ‘ব্লাড ব্যাংক’ নির্বাচনের পর ট্রাম্পের মুখোমুখি ডেমোক্র্যাটরা, বিভক্ত সরকারের পথে ওয়াশিংটন প্রথম আলোর ২৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে ফুলেল শুভেচ্ছা চট্টগ্রাম বিমানবন্দরের খুঁটিনাটি যাচাই করল আইকাও দল নতজানু পররাষ্ট্রনীতি আমাদের পিছিয়ে দিয়েছে: জহরত আদিব চৌধুরী শুধু দুই-তৃতীয়াংশ সমর্থন থাকলেই সংবিধানের মৌলিক কাঠামো পরিবর্তন করা যায় না সচিবালয় স্থানান্তরের সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে আগারগাঁওয়ে আবারও সড়ক অবরোধ শেকৃবি শিক্ষার্থীদের

মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা পর্যালোচনা করবে সংসদীয় ককাস

Reporter Name

জাতীয় ডেস্ক: দেশে সংঘটিত বিভিন্ন মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনাগুলো পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে পর্যালোচনা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সম্প্রতি গঠিত বিশেষ সংসদীয় ককাস। এই ককাসের মূল লক্ষ্য হলো নাগরিক অধিকার রক্ষা এবং আইনগত সহায়তা নিশ্চিত করার মাধ্যমে সমাজে সুশাসন প্রতিষ্ঠা করা। ককাসের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগগুলো গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখা হবে।

রাজধানীর জাতীয় সংসদ ভবনের নির্ধারিত ক্যাবিনেট কক্ষে এই সংসদীয় ককাসের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রথম বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সংসদ সদস্যদের নিয়ে গঠিত এই ফোরামটি কীভাবে তাদের কার্যক্রম পরিচালনা করবে এবং কোন কোন বিষয়ে অগ্রাধিকার দেবে, তা নিয়ে বৈঠকে দীর্ঘ আলোচনা হয়। বৈঠকে উপস্থিত সদস্যরা দেশের বর্তমান মানবাধিকার পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন এবং কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের ওপর জোর দেন।

বৈঠক শেষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে ককাসের চেয়ারপারসন ফাহিমা নাসরিন সাংবাদিকদের বিস্তারিত তথ্য জানিয়ে ককাসের ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা তুলে ধরেন। তিনি উল্লেখ করেন যে, সাধারণ মানুষের মৌলিক অধিকার হরণের যেকোনো ঘটনার বিরুদ্ধে সোচ্চার হবে এই ফোরাম। পাশাপাশি, ভুক্তভোগীদের ন্যায়বিচার প্রাপ্তির পথ সুগম করতে সংশ্লিষ্ট মহলের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করবে ককাস।

সংশ্লিষ্টরা আশা প্রকাশ করছেন যে, এই সংসদীয় ককাসের সক্রিয় ভূমিকার মাধ্যমে মানবাধিকার সুরক্ষার ক্ষেত্রে একটি ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে। ভবিষ্যতে এই প্ল্যাটফর্মের পরিধি আরও বাড়ানো হবে এবং দেশব্যাপী মানবাধিকার পরিস্থিতি মনিটরিং করার জন্য বিশেষ মনিটরিং সেল গঠন করা হতে পারে। ককাসের এই উদ্যোগ সাধারণ মানুষের মধ্যে আশার সঞ্চার করেছে।