October 28, 2026, 10:10 am
শিরোনাম :
স্ট্রেচারে করে মাঠ ছাড়লেন হৃদয় এশিয়া কাপ আর্চারিতে বাংলাদেশের মেয়েদের সোনা জয় গাজা-লেবানন-সিরিয়ায় দখল বজায় রাখা, ইরানকে দুর্বল করা: নেতানিয়াহুর ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা বিএনপি ও কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের পদ্ধতি একই, তারা যেন একই মুদ্রার এপিঠ-ওপিঠ: ব্যারিস্টার আরমান ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনই ইসির সক্ষমতার পরীক্ষা: ১১ দলীয় ঐক্য ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচন কাল, নিরাপত্তায় ড্রোন ও ডগ স্কোয়াড বল প্রয়োগের শক্তিই হলো ‘বলের মাত্রা’ বিদ্যুৎ বিপর্যয়ের কারণ জানতে এবার উচ্চপর্যায়ের কমিটি গাজীপুর কর অঞ্চলে চাকরি, পদ ৩৪ মুরাদনগর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর আকস্মিক পরিদর্শন, ৫ চিকিৎসকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ

গিটার জাদুকর আইয়ুব বাচ্চুর চলে যাওয়ার দিন

Reporter Name

বিনোদন ডেস্ক: বাংলা ব্যান্ড সংগীতের অন্যতম উজ্জ্বল নক্ষত্র এবং জনপ্রিয় গিটার বাদক আইয়ুব বাচ্চুর ষষ্ঠ প্রয়াণদিবস পালিত হচ্ছে। কোটি ভক্তের হৃদয়জুড়ে থাকা এই প্রবাদপ্রতিম রকশিল্পী ২০১৮ সালের ১৮ অক্টোবর না ফেরার দেশে পাড়ি জমান। শারীরিক অনুপস্থিতি সত্ত্বেও তার অসাধারণ সংগীত সৃষ্টি এবং অমলিন সুরের মাধ্যমে তিনি আজও লাখো শ্রোতার অন্তরে অমর হয়ে বেঁচে আছেন।

এই বিশেষ দিনটিতে বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সংগঠন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এবং ভক্ত-অনুরাগীদের পক্ষ থেকে এই মহান শিল্পীকে গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করা হচ্ছে। নানা ধরনের আনুষ্ঠানিকতা ও আয়োজনের মধ্য দিয়ে তার বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করা হচ্ছে। তার প্রয়াণদিবসে দেশের সংগীত অঙ্গনে এক শোকাবহ পরিবেশের সৃষ্টি হয়েছে, যেখানে সবাই তাকে পরম শ্রদ্ধায় স্মরণ করছেন।

১৯৬২ সালের ১৬ আগস্ট চট্টগ্রামে জন্ম নেওয়া এই শিল্পী আশির দশকের শুরুতে সোলস ব্যান্ডের হাত ধরে পেশাদার সংগীত জগতে পা রাখেন। পরবর্তীতে নব্বইয়ের দশকে তিনি বাংলা রক সংগীতে এক অভূতপূর্ব বিপ্লব ঘটিয়ে অনন্য ইতিহাস সৃষ্টি করেন। নিজের সংগীতের স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দিতে তিনি ১৯৯৫ সালে গঠন করেন জনপ্রিয় ব্যান্ড এলআরবি, যা বাংলা ব্যান্ড মিউজিকের ধারাকেই বদলে দিয়েছিল।

তার জাদুকরী গিটার বাদন এবং স্বতন্ত্র কণ্ঠস্বর বাংলা গানকে বিশ্বমঞ্চের কাছাকাছি নিয়ে যাওয়ার পথ তৈরি করেছিল। চলো বদলে যাই, রূপালী গিটার, কষ্ট পেতে ভালোবাসি, ফেরারি মন ও এখন অনেক রাত এর মতো অসংখ্য কালজয়ী গান তিনি উপহার দিয়েছেন। বিশেষ করে রূপালী গিটার গানটি এবং তার প্রিয় যন্ত্রটি নিয়ে পরিবেশনা আজও সংগীতপ্রেমীদের মনে গভীর দাগ কেটে আছে, যা তাকে চিরস্মরণীয় করে রাখবে।

চলচ্চিত্রে প্লেব্যাক করার ক্ষেত্রেও তিনি অসামান্য অবদান রেখে গেছেন যার স্বীকৃতিস্বরূপ জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার অর্জন করেছিলেন। তিনি কেবল একজন সাধারণ গায়ক বা গিটারিস্ট ছিলেন না, বরং বাংলা রক সংগীতের অবিসংবাদিত অভিভাবক হিসেবে পরিচিত ছিলেন। তার সুরের দ্যুতি এবং সৃজনশীলতা যুগের পর যুগ ধরে বাংলাদেশের ব্যান্ড সংগীতপ্রেমীদের অনুপ্রাণিত করে যাবে।