October 29, 2026, 3:59 am
শিরোনাম :
মাতারবাড়ী হয়ে ‘সেভেন সিস্টার্সে’র সঙ্গে সংযোগ জোরদার করতে চায় জাপান, যা বলল ভারত ইলিশ ধরায় নিষেধাজ্ঞা শেষ হচ্ছে, আবার সাগরে ছুটবে মাছ ধরার নৌকা গঙ্গা পানি চুক্তি নবায়নে ভারতের ওপর চাপ বাড়াচ্ছে বাংলাদেশ: এএফপির প্রতিবেদন প্রাথমিকে শিক্ষকতায় প্রকৌশলী-চিকিৎসক–এমফিল-পিএইচডিসহ ৩০ ধরনের ডিগ্রিধারীরা সরকারি দলের পক্ষে সমর্থনের অভিযোগ, ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচনে ৯ কর্মকর্তা প্রত্যাহার সুলভ সরকারি এলপিজি কোথায় যায়, কারা পায় ব্যাংক খাত ঠিক হবে তো? ফ্রান্সসহ ইউরোপে বিক্ষোভের জন্য মুসলমানরা দায়ী! স্বাধীন বাংলাদেশের সংস্কৃতির সংকট মঞ্চে আসছে নবরসের নতুন নাটক ‘সোজন বাদিয়ার ঘাট’

সরকারকে নয়, এবার ১৮ কোটি মানুষকে সহযোগিতা করব: জামায়াত আমির

Reporter Name

রাজনীতি ডেস্ক: বর্তমান সরকারকে আর কোনো ধরনের সহযোগিতা প্রদান করা হবে না বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান। সম্প্রতি এক রাজনৈতিক বক্তব্যে তিনি স্পষ্ট ভাষায় উল্লেখ করেন যে, এখন থেকে তাদের দল রাষ্ট্রীয় প্রশাসনের পরিবর্তে সরাসরি দেশের সাধারণ মানুষের কল্যাণে কাজ করবে। সরকারের কর্মকাণ্ডের সমালোচনা করে তিনি বলেন, জনগণের প্রকৃত অধিকার রক্ষা এবং তাদের জীবনমান উন্নয়নে ১৮ কোটি মানুষের সঙ্গেই দলটির নেতাকর্মী ও সমর্থকরা নিবিড়ভাবে কাজ করে যাবেন।

ওই বক্তব্যে তিনি দেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন এবং ভবিষ্যতের রূপরেখা তুলে ধরেন। শফিকুর রহমান জোর দিয়ে বলেন যে, জুলাই অভ্যুত্থানের চেতনাকে ধারণ করে সমাজ ও রাষ্ট্রে সংস্কার আনা জরুরি। সাধারণ মানুষের আত্মত্যাগের বিনিময়ে অর্জিত এই পরিবর্তনের সুফল দেশের প্রতিটি নাগরিকের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়া এখন দলটির প্রধান রাজনৈতিক লক্ষ্য বলে তিনি মন্তব্য করেন।

এছাড়া রাষ্ট্র সংস্কারের ক্ষেত্রে গণভোটের গুরুত্ব তুলে ধরে জামায়াত আমির জানান, জনগণের সরাসরি মতামতের ভিত্তিতেই দেশের ভবিষ্যৎ দিকনির্দেশনা নির্ধারিত হওয়া উচিত। জুলাই সনদ বাস্তবায়নের মাধ্যমে দেশে একটি ন্যায়ভিত্তিক ও বৈষম্যহীন সমাজব্যবস্থা গড়ে তোলার ওপর তিনি বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করেন। জনগণের ভোটাধিকার এবং মৌলিক অধিকার প্রতিষ্ঠার লড়াইয়ে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, জামায়াত আমিরের এই ঘোষণা দেশের চলমান রাজনৈতিক সমীকরণে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে। সরকারের সঙ্গে দূরত্ব বজায় রেখে সরাসরি জনগণের মন জয় করার এই কৌশল দলটির ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক কার্যক্রমে বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে। সার্বق পরিস্থিতি পর্যালোচনায় দেখা যাচ্ছে, জামায়াতে ইসলামী এখন বৃহত্তর জনসমর্থন আদায়ের লক্ষ্যেই তাদের রাজনৈতিক কর্মসূচি সাজাচ্ছে।