October 28, 2026, 12:38 pm
শিরোনাম :
টোকিওর মতো পরিচ্ছন্ন ঢাকা গড়তে চায় সরকার: প্রধানমন্ত্রী দেশ মাফিয়া রাষ্ট্রে পরিণত হয়েছে: নাহিদ ইসলাম ৫ বছরে এক কোটি মানুষ বিদেশে পাঠানোর লক্ষ্য: প্রবাসীকল্যাণমন্ত্রী বিমান চলাচলের নিরাপত্তায় বিনিয়োগ জাতীয় অগ্রগতির ভিত্তি: প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা আইইডিসিআর পরিচালককে মারধর চিকিৎসাসেবার ইতিহাসে কালো অধ্যায়: জামায়াত আমির স্থানীয় নির্বাচনে এককভাবে লড়বে এনসিপি: নাহিদ ইসলাম জয়-পুতুলসহ আটজনের মামলায় সিআরআইয়ের আয়কর নথি জব্দের আদেশ রমজানে নিত্যপণ্যের সরবরাহ স্বাভাবিক থাকবে: বাণিজ্যমন্ত্রী ঠাকুরগাঁও উপনির্বাচন নিয়ে উদ্বিগ্ন হওয়ার কারণ নেই: ইসি সচিব ‘সিন্ডিকেট’ ভাঙায় পাঠ্যবই মুদ্রণে বাঁচল ১৪ কোটি টাকা

ট্রাইব্যুনাল আইন হয়েছিল যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের জন্য, সেখানে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আ.লীগ আমলের ঘটনা নিয়ে আসা হয়েছে: মনসুরুল হক চৌধুরী

Reporter Name

আইন-আদালত ডেস্ক: আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের মূল উদ্দেশ্য ছিল একাত্তরের যুদ্ধাপরাধীদের বিচার নিশ্চিত করা। কিন্তু সম্প্রতি এই ট্রাইব্যুনালে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ আমলের বিভিন্ন ঘটনা ও অপরাধের বিচারকার্য নিয়ে আসার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। এ নিয়ে আইনি অঙ্গনে নানা আলোচনা ও বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে, যা দেশের বিচার ব্যবস্থার ওপর নতুন এক প্রভাব ফেলছে।

বিষয়টি নিয়ে সম্প্রতি নিজের মতামত প্রকাশ করেছেন সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মনসুরুল হক চৌধুরী। তিনি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেছেন যে, এই ট্রাইব্যুনালটি মূলত যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের জন্য গঠিত হয়েছিল এবং এর বাইরে অন্য কোনো অপরাধের বিচার এখানে পরিচালিত হওয়ার কথা নয়। তার এই মন্তব্য দেশের আইন ও বিচার সংশ্লিষ্ট মহলে ব্যাপক মনোযোগ আকর্ষণ করেছে।

জ্যেষ্ঠ এই আইনজীবী আরও বলেন যে, যুদ্ধাপরাধের গণ্ডি পেরিয়ে ট্রাইব্যুনালের আওতা ভিন্ন দিকে প্রসারিত করার ক্ষেত্রে আইনি ভিত্তি ও এখতিয়ার নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যায়। অতীতে এই আদালতের মাধ্যমে শুধুমাত্র আন্তর্জাতিক অপরাধের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদেরই বিচার করা হয়েছে বলে তিনি স্মরণ করিয়ে দেন। বর্তমান প্রেক্ষাপটে ট্রাইব্যুনালের কার্যপরিধি নিয়ে এই ধরনের প্রশ্ন বিচারপ্রার্থীদের মধ্যেও নতুন ভাবনার উদ্রেক করেছে।

উল্লেখ্য, দেশের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিগত সরকারের আমলের বিভিন্ন মানবাধিকার লঙ্ঘন ও অপরাধের বিচার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তবে এই উদ্যোগের আইনি বৈধতা এবং মূল কাঠামোর সঙ্গে এর সংগতি কতটুকু, তা নিয়ে আইন বিশেষজ্ঞদের মধ্যে নানামুখী মতপার্থক্য ও বিতর্ক চলমান রয়েছে।