October 27, 2026, 10:02 pm
শিরোনাম :
ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র: দুই দেশের নির্বাচনের পরিণতি হবে বিশ্বব্যাপী হরমুজ প্রণালির ওপর ইরানের নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখতেই হবে: সর্বোচ্চ নেতা জীবনানন্দের স্মরণে ভার্চ্যুয়াল পাঠচক্র ইসরায়েলের নির্বাচনে হারছে নেতানিয়াহুর জোট ইসরায়েলে ভোটের ফলাফলে সম্ভাব্য ৪ পরিস্থিতি কী ভাওয়াইয়া থেকে ইসলামি গান, আব্বাসউদ্দীন আজও অম্লান ওলামা অ্যালায়েন্সের ভারপ্রাপ্ত সদস্যসচিব ইনজিমামুল, সাংগঠনিক সম্পাদক মাহমুদ ২০৩০ সালের মধ্যে ১০ হাজার মেগাওয়াট নবায়নযোগ্য জ্বালানির লক্ষ্য সরকারের: বিদ্যুৎমন্ত্রী ঢাকা টেস্ট যেন নিজেদের প্রমাণের পরীক্ষা স্টার্কের ৬ বলে ৪ উইকেট, কেপটাউনে দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তন অস্ট্রেলিয়ার

জ্বালানি সংকটের টেকসই সমাধান: বিশেষজ্ঞদের ভাবনা | পর্ব–০২

Reporter Name

অর্থনীতি ডেস্ক: দেশের সাম্প্রতিক জ্বালানি সংকটের দীর্ঘমেয়াদী ও টেকসই সমাধানের উপায় নিয়ে সম্প্রতি একটি বিশেষ আলোচনার আয়োজন করা হয়েছিল। প্রথম আলো ডটকমের এই বিশেষ আয়োজনে দেশের সার্বিক অর্থনীতিতে জ্বালানির প্রভাব এবং আমদানির বাড়তি চাপ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। বর্তমান পরিস্থিতিতে জ্বালানি খাতের অস্থিরতা কীভাবে কাটানো সম্ভব এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানির ভবিষ্যৎ কোন পথে এগোচ্ছে, তা নিয়ে খোলামেলা কথা বলেন আমন্ত্রিত বিশেষজ্ঞরা। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব ও সঞ্চালনার দায়িত্বে ছিলেন সংশ্লিষ্ট গণমাধ্যমের বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।

অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নলেজ হাব ইনস্টিটিউটের সভাপতি ড. খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম। এছাড়া প্রধান জ্বালানি বিশ্লেষক হিসেবে আলোচনায় অংশ নেন ইনস্টিটিউট ফর এনার্জি ইকোনমিকস অ্যান্ড ফাইন্যান্সিয়াল অ্যানালাইসিসের (আইইইএফএ) বিশেষজ্ঞ শফিকুল আলম। পুরো অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন প্রথম আলোর হেড অব অনলাইন শওকত হোসেন। আমন্ত্রিত অতিথিরা তাদের বক্তব্যে জ্বালানি খাতের নানা দুর্বলতা এবং তা থেকে উত্তরণের সম্ভাব্য পথগুলো অত্যন্ত সুনিপুণভাবে তুলে ধরেন।

আলোচনায় জ্বালানি আমদানির ক্ষেত্রে সরকারের ওপর তৈরি হওয়া অর্থনৈতিক চাপের বিষয়টি বিশেষভাবে গুরুত্ব পায়। বিশেষজ্ঞরা জানান, বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ সুরক্ষায় আমদানির ওপর নির্ভরতা কমিয়ে দেশীয় উৎস থেকে জ্বালানি সংগ্রহের বিকল্প নেই। একইসঙ্গে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে সঠিক পরিকল্পনা এবং সুশাসনের অভাব দূর করার ওপর তারা জোর দেন। আমদানিনির্ভরতা থেকে বেরিয়ে আসার জন্য দীর্ঘমেয়াদি কৌশল গ্রহণের তাগিদও দেন আলোচকরা।

ভবিষ্যতের জ্বালানি চাহিদা মেটাতে নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বাড়ানোর কোনো বিকল্প নেই বলে মত প্রকাশ করেন বিশেষজ্ঞরা। সৌরশক্তি ও বায়ুবিদ্যুতের মতো পরিবেশবান্ধব উৎসগুলোতে পর্যাপ্ত বিনিয়োগ এবং নীতিসহায়তা বাড়ানোর তাগিদ দেওয়া হয়। এই খাতের টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সকলের সম্মিলিত উদ্যোগ এবং সুনির্দিষ্ট রোডম্যাপ তৈরির আহ্বান জানান তারা।