October 28, 2026, 12:54 pm
শিরোনাম :
যে কারণে ২৫টি টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজের দ্বিতীয় শিফট স্থগিত করল সরকার টোকিওর মতো পরিচ্ছন্ন ঢাকা গড়তে চায় সরকার: প্রধানমন্ত্রী দেশ মাফিয়া রাষ্ট্রে পরিণত হয়েছে: নাহিদ ইসলাম ৫ বছরে এক কোটি মানুষ বিদেশে পাঠানোর লক্ষ্য: প্রবাসীকল্যাণমন্ত্রী বিমান চলাচলের নিরাপত্তায় বিনিয়োগ জাতীয় অগ্রগতির ভিত্তি: প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা আইইডিসিআর পরিচালককে মারধর চিকিৎসাসেবার ইতিহাসে কালো অধ্যায়: জামায়াত আমির স্থানীয় নির্বাচনে এককভাবে লড়বে এনসিপি: নাহিদ ইসলাম জয়-পুতুলসহ আটজনের মামলায় সিআরআইয়ের আয়কর নথি জব্দের আদেশ রমজানে নিত্যপণ্যের সরবরাহ স্বাভাবিক থাকবে: বাণিজ্যমন্ত্রী ঠাকুরগাঁও উপনির্বাচন নিয়ে উদ্বিগ্ন হওয়ার কারণ নেই: ইসি সচিব

সিইসি জ্ঞানেশের ওপর চাপ বাড়ছে

Reporter Name

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে দেশটির রাজধানী নয়াদিল্লিতে সম্প্রতি ব্যাপক বিক্ষোভ ও উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে। বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা নির্বাচন কমিশনের কার্যপদ্ধতি নিয়ে তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করে এই আন্দোলন গড়ে তোলেন। বিক্ষোভকারীরা অবিলম্বে তাঁর পদত্যাগ দাবি করে স্লোগান দেন এবং নির্বাচন ব্যবস্থার নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন।

নয়াদিল্লির রাজপথে আয়تهاিত এই প্রতিবাদ সমাবেশে অংশ নেওয়া বিক্ষুব্ধ জনতা নির্বাচন কমিশনের বর্তমান ভূমিকার কঠোর সমালোচনা করেন। তাঁদের অভিযোগ, সাম্প্রতিক সময়ে নির্বাচন কমিশন নিরপেক্ষভাবে দায়িত্ব পালন করতে ব্যর্থ হয়েছে এবং একটি বিশেষ পক্ষের অনুকূলে কাজ করছে বলে তাদের সন্দেহ রয়েছে। আন্দোলনকারীরা সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের স্বার্থে নির্বাচন কমিশনের শীর্ষ পদে রদবদল জরুরি বলে মন্তব্য করেন।

বিক্ষোভের কারণে শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয় এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে আন্দোলনকারীদের দফায় দফায় উত্তেজনা তৈরি হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে নয়াদিল্লির বিভিন্ন এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ ও নিরাপত্তা কর্মী মোতায়েন করা হয়। আন্দোলনকারীরা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, তাঁদের দাবি মেনে নেওয়া না হলে এই কর্মসূচি আরও কঠোর করা হবে।

প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগের এই দাবি ঘিরে ভারতের রাজনৈতিক অঙ্গনেও নতুন করে আলোচনার সূত্রপাত হয়েছে। বিরোধী দলগুলোর পক্ষ থেকে নির্বাচন কমিশনের স্বচ্ছতা নিয়ে এর আগেও বিভিন্ন প্রশ্ন তোলা হয়েছিল। তবে এই তীব্র বিক্ষোভের পর নির্বাচন কমিশন বা সরকারের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।