October 28, 2026, 7:25 am
শিরোনাম :
মুরাদনগর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর আকস্মিক পরিদর্শন, ৫ চিকিৎসকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ কম্বোডিয়া থেকে ৯ মাসে বহিষ্কার তিন হাজারের বেশি বাংলাদেশি, আলোচনায় সাইবার স্ক্যাম জনগণের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে কারো অবৈধ সাম্রাজ্য টিকানোর দায়িত্ব পুলিশের নয়: হাসনাত আবদুল্লাহ বাংলাদেশের রপ্তানি পণ্যের বহুমুখীকরণে জাপানের সহযোগিতা চান প্রধানমন্ত্রী দেশের প্রথম ই-পারিবারিক আপিল আদালত চালু হচ্ছে কাল সমুদ্রে মাছের অভয়াশ্রম তৈরি করা হচ্ছে: মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী আইজিপির দায়িত্ব থেকে অতি দ্রুত সরে যাওয়া উচিত: নাহিদ ইসলাম ভারি বৃষ্টিতে বিপর্যস্ত অন্ধ্রপ্রদেশের জনজীবন, প্রায় ২ লাখ মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ে বাংলাদেশে বিনিয়োগ সম্প্রসারণে ইউনিক্লোকে প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান দর্শকের চেয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যই যেন বেশি

দুই হাত নেই, তবু থেমে থাকেননি দুঃখু মিয়া, গড়েছেন একটি স্কুল

Reporter Name

শিক্ষা ডেস্ক: শারীরিক প্রতিবন্ধকতাকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে শিক্ষার আলো ছড়িয়ে যাচ্ছেন কুড়িগ্রামের এক অদম্য মানুষ দুঃখু মিয়া। জন্মগতভাবে তার দুটি হাত না থাকলেও কখনোই জীবনের কাছে হার মানেননি তিনি। নিজের দৃঢ় মনোবল এবং কঠোর পরিশ্রমের জোরে তিনি সমস্ত প্রতিকূলতা পেরিয়ে উচ্চশিক্ষা অর্জনের মতো প্রশংসনীয় কৃতিত্ব দেখিয়েছেন।

জন্মের পর থেকেই প্রতিটি পদক্ষেপে তাকে নানা সামাজিক ও শারীরিক লড়াইয়ের মুখোমুখি হতে হয়েছে। দৈনন্দিন জীবনের সাধারণ কাজ থেকে শুরু করে পড়াশোনা—সবকিছুই তাকে করতে হয়েছে দুই পা ব্যবহার করে। এই কঠিন পথচলায় তিনি পা দিয়েই লেখালেখি শিখেছেন এবং একে একে শিক্ষাজীবনের বিভিন্ন ধাপ সফলভাবে অতিক্রম করে উচ্চশিক্ষা সম্পন্ন করেছেন।

শিক্ষাজীবন শেষ করে অন্যান্য সাধারণ যুবকদের মতো তিনিও একটি সম্মানজনক চাকরির জন্য বহু জায়গায় চেষ্টা করেছিলেন। কিন্তু নানা প্রতিবন্ধকতা ও সুযোগের অভাবে শেষ পর্যন্ত তার ভাগ্যে কোনো সরকারি বা বেসরকারি চাকরি জোটেনি। তবে বেকার বসে না থেকে তিনি সমাজ বদলানোর এক অনন্য ব্রত গ্রহণ করেন এবং নিজেই কিছু করার সিদ্ধান্ত নেন।

চাকরির পেছনে না ছুটে তিনি নিজের এলাকায় এলাকার গরিব ও অবহেলিত শিশুদের জন্য একটি বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেন। বর্তমানে তার গড়া এই স্কুলটি ওই অঞ্চলের কোমলমতি শিশুদের শিক্ষাদানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে এবং তিনি নিজেই শিক্ষকতা করে তাদের ভবিষ্যৎ গড়ছেন। তার এই নিঃস্বার্থ উদ্যোগ ও অসামান্য আত্মত্যাগ আজ স্থানীয় এলাকাবাসীর কাছে এক অনুপ্রেরণার প্রতীক হয়ে উঠেছে।