October 28, 2026, 11:59 am
শিরোনাম :
বিমান চলাচলের নিরাপত্তায় বিনিয়োগ জাতীয় অগ্রগতির ভিত্তি: প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা আইইডিসিআর পরিচালককে মারধর চিকিৎসাসেবার ইতিহাসে কালো অধ্যায়: জামায়াত আমির স্থানীয় নির্বাচনে এককভাবে লড়বে এনসিপি: নাহিদ ইসলাম জয়-পুতুলসহ আটজনের মামলায় সিআরআইয়ের আয়কর নথি জব্দের আদেশ রমজানে নিত্যপণ্যের সরবরাহ স্বাভাবিক থাকবে: বাণিজ্যমন্ত্রী ঠাকুরগাঁও উপনির্বাচন নিয়ে উদ্বিগ্ন হওয়ার কারণ নেই: ইসি সচিব ‘সিন্ডিকেট’ ভাঙায় পাঠ্যবই মুদ্রণে বাঁচল ১৪ কোটি টাকা স্ট্রেচারে করে মাঠ ছাড়লেন হৃদয় এশিয়া কাপ আর্চারিতে বাংলাদেশের মেয়েদের সোনা জয় গাজা-লেবানন-সিরিয়ায় দখল বজায় রাখা, ইরানকে দুর্বল করা: নেতানিয়াহুর ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা

বাংলাদেশ-ইইউ মুক্ত বাণিজ্যচুক্তি দ্রুত সম্পন্ন করতে জার্মান রাষ্ট্রদূতের অঙ্গীকার

Reporter Name

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: বাংলাদেশ ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের মধ্যে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি বা এফটিএ দ্রুত সম্পন্ন করার বিষয়ে দৃঢ় প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত জার্মানির রাষ্ট্রদূত রুডিগার লোটজ। সম্প্রতি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবিরের সঙ্গে এক সৌজন্য সাক্ষাতে মিলিত হয়ে তিনি দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করার ওপর বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করেন। এ সময় জার্মান রাষ্ট্রদূত নবনিযুক্ত পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীকে উষ্ণ অভিনন্দন জানান এবং সামনের দিনগুলোতে পারস্পরিক অংশীদারত্ব নতুন উচ্চতায় পৌঁছাবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

বৈঠকের আলোচনায় বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণের পাশাপাশি দুই দেশের মধ্যকার বিমান যোগাযোগ ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী করার বিষয়টি অগ্রাধিকার পায়। রাষ্ট্রদূত লোটজ উল্লেখ করেন যে, বর্তমান নির্বাচন-পরবর্তী রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা এবং অনুকূল ব্যবসায়িক পরিবেশের কারণে বাংলাদেশের প্রতি জার্মান বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ দিন দিন বাড়ছে। তাই অর্থনৈতিক সম্পর্ককে দীর্ঘমেয়াদি রূপ দিতে বাণিজ্য চুক্তি দ্রুত চূড়ান্ত করার বিকল্প নেই বলে তিনি মনে করেন।

প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির বাংলাদেশের সামগ্রিক আর্থসামাজিক অগ্রগতিতে দীর্ঘ সময় ধরে জার্মানির অব্যাহত সহায়তা ও অবদানের কথা কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করেন। তিনি শুধু বাণিজ্য খাতেই নয়, বরং শিক্ষা বিস্তার, যুবসমাজের দক্ষতা বৃদ্ধি, নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার এবং জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় জার্মান সরকারের আরও জোরালো ভূমিকা প্রত্যাশা করেন। এছাড়া সাংস্কৃতিক বিনিময় এবং অভিবাসন ব্যবস্থাপনার মতো গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রগুলোতেও সহযোগিতা বাড়ানোর আগ্রহ প্রকাশ করেন তিনি।

আলোচনার শেষ পর্যায়ে উভয় দেশের প্রতিনিধিরা আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক নানা ভূরাজনৈতিক বিষয় নিয়ে মতবিনিময় করেন। বৈশ্বিক বিভিন্ন ফোরামে পারস্পরিক সহযোগিতা বজায় রাখার অঙ্গীকারের পাশাপাশি তারা আশা প্রকাশ করেন যে, নিয়মিত উচ্চপর্যায়ের যোগাযোগের মাধ্যমে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের এই গতিশীলতা ভবিষ্যতে আরও জোরদার হবে।