October 28, 2026, 7:07 am
শিরোনাম :
কম্বোডিয়া থেকে ৯ মাসে বহিষ্কার তিন হাজারের বেশি বাংলাদেশি, আলোচনায় সাইবার স্ক্যাম জনগণের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে কারো অবৈধ সাম্রাজ্য টিকানোর দায়িত্ব পুলিশের নয়: হাসনাত আবদুল্লাহ বাংলাদেশের রপ্তানি পণ্যের বহুমুখীকরণে জাপানের সহযোগিতা চান প্রধানমন্ত্রী দেশের প্রথম ই-পারিবারিক আপিল আদালত চালু হচ্ছে কাল সমুদ্রে মাছের অভয়াশ্রম তৈরি করা হচ্ছে: মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী আইজিপির দায়িত্ব থেকে অতি দ্রুত সরে যাওয়া উচিত: নাহিদ ইসলাম ভারি বৃষ্টিতে বিপর্যস্ত অন্ধ্রপ্রদেশের জনজীবন, প্রায় ২ লাখ মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ে বাংলাদেশে বিনিয়োগ সম্প্রসারণে ইউনিক্লোকে প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান দর্শকের চেয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যই যেন বেশি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে গভর্নরের বৈঠক, ঢাকায় কার্যালয় খোলার আলোচনা

শিক্ষক নিয়োগে কেন ‘শিক্ষা সার্ভিস কমিশন’ গঠন করা দরকার

Reporter Name

একটি জাতির সার্বিক উন্নয়ন ও অগ্রগতি অনেকাংশে নির্ভর করে মানসম্মত শিক্ষা ব্যবস্থার ওপর। আর এই মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করার পেছনে মূল কারিগর হলেন শিক্ষকরা, যারা শিক্ষার্থীদের দক্ষ মানবশক্তিতে রূপান্তর করে দেশ গঠনে অনন্য ভূমিকা পালন করেন। অথচ দীর্ঘকাল ধরে শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়ায় নানা জটিলতা ও দীর্ঘসূত্রতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে, যা কাঙ্ক্ষিত শিক্ষার মান অর্জনে বড় ধরনের বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাই শিক্ষা খাতের এই দীর্ঘদিনের স্থবিরতা ও সংকট কাটাতে একটি স্বাধীন ও নিরপেক্ষ ‘শিক্ষা সার্ভিস কমিশন’ গঠনের দাবি জোরালো হয়ে উঠেছে।

বর্তমানে দেশের বিভিন্ন স্তরে শিক্ষক নিয়োগের দায়িত্বে থাকা প্রতিষ্ঠানগুলোর কাজের পরিধি এবং স্বচ্ছতা নিয়ে বিভিন্ন সময়ে নানা প্রশ্ন উঠেছে। শিক্ষক tuyển প্রক্রিয়ায় দীর্ঘসূত্রতার কারণে অনেক সময় শূন্য পদগুলো সময়মতো পূরণ করা সম্ভব হয় না, যার সরাসরি নেতিবাচক প্রভাব পড়ে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার ওপর। তাছাড়া, যোগ্য ও মেধাবী প্রার্থীরা সঠিক সময়ে পেশায় প্রবেশের সুযোগ থেকে বঞ্চিত হন। এই প্রেক্ষাপটে, বিসিএস পরীক্ষার আদλε একটি বিশেষায়িত কমিশন গঠন করা হলে শিক্ষকতা পেশায় মেধার সঠিক মূল্যায়ন নিশ্চিত করা সম্ভব হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

শিক্ষা সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা দীর্ঘদিন ধরে বলে আসছেন যে, অন্যান্য পেশার মতো শিক্ষকতার মতো গুরুত্বপূর্ণ পেশার জন্যও আলাদা একটি সাংবিধানিক বা স্বতন্ত্র কমিশন থাকা আবশ্যক। এই ধরনের কমিশন গঠিত হলে নিয়োগ প্রক্রিয়ায় রাজনৈতিক কিংবা অন্য কোনো ধরনের প্রভাব বিস্তারের সুযোগ থাকবে না। ফলে স্বচ্ছ ও প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার মাধ্যমে কেবল প্রকৃত মেধাবীরাই শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ পাওয়ার সুযোগ পাবেন, যা সামগ্রিক শিক্ষা ব্যবস্থার মান বহুলাংশে বাড়িয়ে দেবে।

একটি যুগোপযোগী ও কার্যকর শিক্ষা সার্ভিস কমিশন প্রতিষ্ঠিত হলে তা কেবল নিয়োগ প্রক্রিয়াই গতিশীল করবে না, বরং শিক্ষকদের পেশাগত মর্যাদা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতেও সাহায্য করবে। দেশ ও জাতির ভবিষ্যতের স্বার্থে সংশ্লিষ্ট নীতিনির্ধারকরা বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করবেন এবং দ্রুত প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন এমনটাই প্রত্যাশা দেশের সচেতন মহলের।