November 3, 2026, 9:51 am
শিরোনাম :
বিরোধীদলীয় নেতার সঙ্গে সিঙ্গাপুরের হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ কার্যক্রম নিষিদ্ধ আ.লীগের সংযোগ থাকতে পারে, তবে শেখ হাসিনার ফেরার পথ তৈরি হচ্ছে না: তথ্য উপদেষ্টা রাষ্ট্রপতিকে জাপান সফরের বিষয়ে অবহিত করলেন প্রধানমন্ত্রী বিরোধী দলের কণ্ঠ রোধের চেষ্টা হলে প্রতিহত করা হবে: জামায়াত আমির ৬০% স্নাতক ডিগ্রিধারী যোগ্যতা অনুযায়ী চাকরি না পেয়ে করছেন অন্য কাজ শেখ হাসিনা ও আসাদুজ্জামান খানের অর্ধেক সম্পত্তি বাজেয়াপ্তে চিঠি দেবে চিফ প্রসিকিউটর কার্যালয় অতীতে মূল্যায়নে আন্ডার-মার্কেটিং ও ওভার-মার্কেটিং হতো, এইচএসসির নম্বর প্রসঙ্গে শিক্ষামন্ত্রী মিরপুরে পরিস্থিতি স্বাভাবিক, খুলেছে মেট্রো স্টেশন সুনামগঞ্জে ৮৭ কোটি টাকার সড়ক প্রকল্পে দুর্নীতির অভিযোগ, বিএনপির সংবাদ সম্মেলন কুইক রেন্টালে লুটপাট নয়, সাশ্রয়ী বিদ্যুৎ চান প্রধানমন্ত্রী

শ্রমিক বিক্ষোভের পঞ্চম দিন: ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক অবরোধ, যান চলাচল বন্ধ

Reporter Name

জাতীয় ডেস্ক: ন্যূনতম মজুরি বৃদ্ধির দাবিতে গাজীপুরে শ্রমিকদের বিক্ষোভ ও মহাসড়ক অবরোধের ঘটনা পঞ্চম দিনে গড়াল। এই আন্দোলনের ফলে গুরুত্বপূর্ণ ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে সব ধরনের যান চলাচল সম্পূর্ণভাবে বন্ধ রয়েছে এবং জনজীবন মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। কর্মস্থলে যোগদানের পরিবর্তে শত শত শ্রমিক সকাল সাড়ে নয়টা থেকে মহাসড়কের বিভিন্ন পয়েন্টে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ প্রদর্শন করছেন। বিক্ষুব্ধ শ্রমিকদের স্লোগানে মুখরিত চারপাশ এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী ও প্রশাসনের পক্ষ থেকে নানা ধরনের প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে।

ঘটনাস্থল সূত্রে জানা যায়, গাজীপুর মহানগরীর নাওজোর এলাকার দিগন্ত গার্মেন্টসের সামনে শ্রমিকেরা প্রথমে সমবেত হন এবং পরে মূল সড়কে অবস্থান নেন। নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং নিজেদের দাবি জোরালো করতে তারা সড়কের বিভিন্ন অংশে আবর্জনা ও টায়ারে আগুন ধরিয়ে দেন। এর ফলে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয় এবং প্রতিদিনের যাতায়াতকারী সাধারণ যাত্রীরা চরম ভোগান্তির শিকার হন। পরিস্থিতি এতটাই উত্তপ্ত যে, মাঝেমধ্যে সাধারণ পথচারী, অটোরিকশা ও মোটরসাইকেলচালকদের সঙ্গেও আন্দোলনরত শ্রমিকদের মৃদু বাকবিতণ্ডা হতে দেখা যায়।

বিক্ষোভ চলাকালীন সংবাদ সংগ্রহ করতে যাওয়া গণমাধ্যমকর্মীরাও কিছু অপ্রীতিকর পরিস্থিতির মুখে পড়েন। পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে ছবি ও ভিডিও ধারণের সময় বিক্ষুব্ধ শ্রমিকেরা তাঁদের বাধা দেন এবং নানাভাবে প্রতিহত করার চেষ্টা করেন। দীর্ঘদিন ধরে বকেয়া বেতন পরিশোধ ও জীবনযাত্রার ব্যয় অনুপাতে ন্যূনতম মজুরি বাড়ানোর দাবি জানিয়ে আসলেও সুনির্দিষ্ট কোনো সমাধান না মেলায় শ্রমিকেরা আরও কঠোর আন্দোলনে নামতে বাধ্য হয়েছেন বলে জানা গেছে। কারখানা মালিকপক্ষ ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের উদাসীনতার কারণেই পরিস্থিতির অবনতি ঘটছে বলে শ্রমিকেরা অভিযোগ করেন।

পরিস্থিতি সামাল দিতে এবং মহাসড়কে যান চলাচল দ্রুত স্বাভাবিক করতে শিল্প পুলিশসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অতিরিক্ত সদস্যরা ঘটনাস্থলে মোতায়েন রয়েছেন। গাজীপুর শিল্প পুলিশের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আমজাদ হোসাইন জানান যে, সকাল থেকে চলা এই অবরোধ হটাতে পুলিশ ও অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী নিরলসভাবে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। শ্রমিকদের শান্ত করে আলোচনার মাধ্যমে কর্মপরিবেশ ফিরিয়ে আনার জন্য প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।