October 28, 2026, 10:16 am
শিরোনাম :
‘সিন্ডিকেট’ ভাঙায় পাঠ্যবই মুদ্রণে বাঁচল ১৪ কোটি টাকা স্ট্রেচারে করে মাঠ ছাড়লেন হৃদয় এশিয়া কাপ আর্চারিতে বাংলাদেশের মেয়েদের সোনা জয় গাজা-লেবানন-সিরিয়ায় দখল বজায় রাখা, ইরানকে দুর্বল করা: নেতানিয়াহুর ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা বিএনপি ও কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের পদ্ধতি একই, তারা যেন একই মুদ্রার এপিঠ-ওপিঠ: ব্যারিস্টার আরমান ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনই ইসির সক্ষমতার পরীক্ষা: ১১ দলীয় ঐক্য ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচন কাল, নিরাপত্তায় ড্রোন ও ডগ স্কোয়াড বল প্রয়োগের শক্তিই হলো ‘বলের মাত্রা’ বিদ্যুৎ বিপর্যয়ের কারণ জানতে এবার উচ্চপর্যায়ের কমিটি গাজীপুর কর অঞ্চলে চাকরি, পদ ৩৪

২০ কোটি টাকা খরচে ১ ব্রোঞ্জ পেল বাংলাদেশ

Reporter Name

জাপানের আইচি-নাগোয়া এশিয়ান গেমসে ২২টি ডিসিপ্লিনে ১৮৭ জন ক্রীড়াবিদসহ একটি বিশাল বহর পাঠিয়েছিল বাংলাদেশ। তবে প্রতিযোগিতার পর্দা নামার পর দেশের ঝুলিতে জমা হয়েছে মাত্র একটি ব্রোঞ্জ পদক। গেমস শুরুর আগে ক্রিকেট, কাবাডি, শুটিং ও আর্চারির মতো ডিসিপ্লিনগুলোকে পদকের প্রধান সম্ভাবনা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত এই খাতগুলোর কোনোটি থেকেই কাঙ্ক্ষিত সাফল্য আসেনি, যা দেশের ক্রীড়া অঙ্গনকে চরম হতাশ করেছে।

প্রায় ২০ কোটি টাকার বিশাল ব্যয়ে এই গেমসে বাংলাদেশের একমাত্র প্রাপ্তি এসেছে উশু থেকে। উশুর নারী ৫২ কেজি ক্যাটাগরিতে সেমিফাইনালে পৌঁছে ব্রোঞ্জ পদক নিশ্চিত করেন জিন্নাত আক্তার। যদিও প্রতিপক্ষের ওয়াকওভার ও ভাগ্যের ছোঁয়াতেই মূলত তার এই পদক অর্জন সম্ভব হয়। তবুও দীর্ঘ কয়েক দশক পর এশিয়ান গেমসে ব্যক্তিগত ইভেন্টে এটিই বাংলাদেশের প্রথম কোনো পদক। যেখানে প্রতিবেশী দেশগুলো বাক্সে একের পর এক পদক জমা করেছে, সেখানে বাংলাদেশের এই প্রাপ্তি অত্যন্ত নগণ্য।

ক্রিকেট ও কাবাডির মতো জনপ্রিয় খেলায় ভালো করার উজ্জ্বল সম্ভাবনা থাকলেও শেষ রক্ষা হয়নি। আগের আসরে ক্রিকেটে দুটি ব্রোঞ্জ পদক এলেও এবার পুরুষ ও নারী উভয় দলই খালি হাতে ফিরেছে। অন্যদিকে, কাবাডি দল শুরুটা দারুণ করলেও শেষ পর্যন্ত জাপানের কাছে হেরে পদকের লড়াই থেকে ছিটকে পড়ে। দলের কোচদের মতে, পর্যাপ্ত প্রস্তুতির অভাব এবং আন্তর্জাতিক মানের রক্ষণভাগের দুর্বলতাই এই ব্যর্থতার প্রধান কারণ।

আর্চারি ও শুটিংয়ের মতো ইভেন্টগুলোতেও ছিল চরম হতাশা। আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে ইতিবাচক ধারাবাহিকতা থাকলেও জাপানের মঞ্চে আর্চাররা নিজেদের মেলে ধরতে ব্যর্থ হন। কোচদের মতে, দেশের অত্যন্ত সীমিত সংখ্যক ক্রীড়াবিদ নিয়ে আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় শক্তিশালী দেশগুলোর সঙ্গে লড়াই করা কঠিন হয়ে পড়ছে। মাঠের পারফরম্যান্সের চেয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছবি বা সেলফি তোলার প্রবণতা বেশি থাকায় সামগ্রিক অর্জন প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছে, যা দেশের ক্রীড়া ব্যবস্থার কাঠামোগত দুর্বলতাকেই স্পষ্ট করে তোলে।