October 28, 2026, 9:01 pm
শিরোনাম :
বীমা কোম্পানির সিএফও হতে লাগবে ৭ যোগ্যতা পুলিশের বিরুদ্ধে সাংবাদিকের মোবাইল কেড়ে নেওয়ার অভিযোগ নেতানিয়াহুকে সরাতে আরব দলগুলোর সঙ্গে ঐক্যের ডাক গোলানের গণভোটের রায় না মানলে তারেক রহমানেরও ক্ষমতায় থাকার অধিকার নেই চার জুটির চার রকম প্রেম, তিন নতুন মুখের অভিষেক নভেম্বরে ইন্ডিয়া জোটের সমাবেশ, সমর্থন জানাল ককরোচ পার্টি ১২৬৯ ভবনের মালিককে রাজউকের চূড়ান্ত নোটিশ, নির্দেশনা না মানলে ব্যবস্থা দাঁড়িয়ে গেলেন পঞ্চাশোর্ধ্ব নারী, অথচ বসে থাকলেন তরুণ ও মধ্যবয়সী পুরুষেরা আগৈলঝাড়ায় সন্ত্রাসবিরোধী মামলায় নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের সভাপতি গ্রেপ্তার তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা ছাড়া গত্যন্তর নেই : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

স্নাতক অন্য বিষয়ে, তবু মাধ্যমিকে ইংরেজি-গণিত পড়ান ২০ হাজারের বেশি শিক্ষক

Reporter Name

শিক্ষা ডেস্ক: দেশের মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে শিক্ষক সংকট ও যোগ্যতার বিষয় নিয়ে নতুন তথ্য সামনে এসেছে। বিভিন্ন বিদ্যালয়ের বিশাল সংখ্যক শিক্ষক অন্য বিষয়ে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করলেও বর্তমানে তারা শ্রেণিকক্ষে ইংরেজি ও গণিতের মতো গুরুত্বপূর্ণ ও মৌলিক বিষয়ে পাঠদান করছেন। বাংলাদেশ শিক্ষাতথ্য ও পরিসংখ্যান ব্যুরোর অর্থাৎ ব্যানবেইসের প্রকাশিত এক সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে এই চাঞ্চল্যকর চিত্র উঠে এসেছে।

ব্যানবেইসের ওই গবেষণামূলক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে যে, দেশের মাধ্যমিক বিদ্যালয়গুলোতে বর্তমানে মোট ৬৪ হাজার ২৫৩ জন শিক্ষক নিয়মিত ইংরেজি বিষয়ে পাঠদান করে আসছেন। তবে এদের মধ্যে প্রায় ২০ হাজারের বেশি শিক্ষকের মূল পঠন-পাঠন বা অ্যাকাডেমিক ব্যাকগ্রাউন্ড সম্পূর্ণ ভিন্ন বিষয়ে। অর্থাৎ নিজেদের মূল পঠিত বিষয় ইংরেজি না হওয়া সত্ত্বেও তারা বাধ্য হয়ে বা বিদ্যালয়ের প্রয়োজনে এই ভাষা বিষয়টি শিক্ষার্থীদের পড়াচ্ছেন।

শিক্ষাবিদ ও বিশেষজ্ঞরা এই পরিস্থিতির কারণে মাধ্যমিক স্তরে শিক্ষার মান নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তাদের মতে, ইংরেজি এবং গণিতের মতো জটিল ও মৌলিক বিষয়গুলোতে দক্ষ ও বিষয়ভিত্তিক বিশেষজ্ঞ শিক্ষকের বিকল্প নেই। অন্য বিষয়ের শিক্ষকদের দিয়ে এসব বিষয় পড়ালে শিক্ষার্থীদের ভিত শক্ত হয় না এবং তারা কাঙ্ক্ষিত শিখনফল থেকে বঞ্চিত হতে পারে।

এমন পরিস্থিতিতে শিক্ষা ব্যবস্থার মানোন্নয়নের জন্য সংশ্লিষ্ট মহলে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার তাগিদ দেওয়া হয়েছে। শিক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রে বিষয়ভিত্তিক যোগ্যতাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়ার পাশাপাশি বর্তমান শিক্ষকদের জন্য বিশেষ প্রশিক্ষণ কর্মসূচির ব্যবস্থা করার ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে। ভবিষ্যতে শিক্ষার মান ধরে রাখতে এই সংকট নিরসনে নীতি নির্ধারকদের দ্রুত দৃষ্টি দেওয়া জরুরি বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।