October 28, 2026, 7:05 pm
শিরোনাম :
আগৈলঝাড়ায় সন্ত্রাসবিরোধী মামলায় নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের সভাপতি গ্রেপ্তার তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা ছাড়া গত্যন্তর নেই : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জিনস প্যান্ট ও অন্তর্বাসে পাচারের চেষ্টা, শাহজালালে মিলল ২৪ কোটি টাকার সোনা আরব দলগুলোর চমক, তৈরি হতে পারে নেতানিয়াহুর বিদায়ের পথ ওজন কমানোর ওষুধে কমছে কসমেটিক সার্জারির চাহিদা পলাশবাড়ীতে এডিপির পৌনে ৩ কোটি টাকার প্রকল্পে অনিয়ম তদন্তে কমিটি ভোটের আগের রাতে বিএনপি-জামায়াতের পাল্টাপাল্টি অভিযোগ, টাকা বিতরণের দাবি উচ্চশিক্ষায় স্যাটেলাইট টিভি চালুর পরিকল্পনা ইউজিসির ওএমএসে পুষ্টিসমৃদ্ধ আটা বিতরণের পরিকল্পনা সরকারের গার্মেন্টস শিল্পে এক সপ্তাহের মধ্যে মজুরি বোর্ড: শ্রমমন্ত্রী

স্ত্রীসহ সাবেক অতিরিক্ত আইজিপি মনিরুলের বিরুদ্ধে দুদকের মামলা

Reporter Name

অপরাধ ডেস্ক: দুর্নীতি দমন কমিশন বা দুদক অবৈধ উপায়ে বিপুল পরিমাণ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে পুলিশের সাবেক অতিরিক্ত মহাপরিদর্শক মনিরুল ইসলাম ও তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিকভাবে দুটি মামলা দায়ের করেছে। সম্প্রতি রাজধানীর সেগুনবাগিচায় দুদকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এই তথ্য জানানো হয়। কমিশনের উপপরিচালক মোজাম্মেল হক সাংবাদিকদের সামনে মামলার বিস্তারিত বিবরণ তুলে ধরেন এবং দুর্নীতির নানা চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ করেন।

দুদকের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, মামলার প্রধান আসামি সাবেক এসবি প্রধান মনিরুল ইসলাম এবং তার স্ত্রী সাবেক অতিরিক্ত সচিব সায়লা পারভিনসহ মোট চারজনকে এই মামলায় আসামি করা হয়েছে। আসামিদের বিরুদ্ধে যৌথভাবে প্রায় ৩৮ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের সুনির্দিষ্ট অভিযোগ আনা হয়েছে। এই মামলায় তাদের সঙ্গে মনিরুলের শ্যালক এবং তার স্ত্রীকেও আসামি করা হয়েছে বলে সংবাদ সম্মেলনে নিশ্চিত করা হয়।

তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, কুয়েতের দুটি বিদেশি এনজিওর অনুদানের অর্থ আত্মসাতের একটি গুরুতর অভিযোগের বিষয়েও অনুসন্ধান চালিয়ে যাচ্ছে দুদক। এছাড়া গত ছাত্র-জনতার ঐতিহাসিক অভ্যুত্থানের আগে পুলিশের বিশেষ শাখা বা এসবি কার্যালয় থেকে প্রায় ২৫ কোটি টাকা আত্মসাতের চাঞ্চল্যকর অভিযোগ উঠেছে এই সাবেক কর্মকর্তার বিরুদ্ধে। এসব পৃথক অভিযোগের বিষয়ে বর্তমানে দুদকের অনুসন্ধান ও তদন্ত কার্যক্রম অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে চলমান রয়েছে।

উল্লেখ্য, গত রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর থেকেই সাবেক এই পুলিশ কর্মকর্তা আত্মগোপনে রয়েছেন এবং বর্তমানে তিনি পলাতক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছেন। তার ক্ষমতার অপব্যবহার এবং দুর্নীতির সাম্রাজ্য গড়ে তোলার বিষয়ে বিভিন্ন মাধ্যমে নানা তথ্য প্রকাশিত হওয়ার পর দুদক এই কঠোর আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। মামলার তদন্ত শেষ হলে আসামিদের বিরুদ্ধে আরও নতুন তথ্য বেরিয়ে আসতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।