October 28, 2026, 10:15 am
শিরোনাম :
স্ট্রেচারে করে মাঠ ছাড়লেন হৃদয় এশিয়া কাপ আর্চারিতে বাংলাদেশের মেয়েদের সোনা জয় গাজা-লেবানন-সিরিয়ায় দখল বজায় রাখা, ইরানকে দুর্বল করা: নেতানিয়াহুর ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা বিএনপি ও কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের পদ্ধতি একই, তারা যেন একই মুদ্রার এপিঠ-ওপিঠ: ব্যারিস্টার আরমান ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনই ইসির সক্ষমতার পরীক্ষা: ১১ দলীয় ঐক্য ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচন কাল, নিরাপত্তায় ড্রোন ও ডগ স্কোয়াড বল প্রয়োগের শক্তিই হলো ‘বলের মাত্রা’ বিদ্যুৎ বিপর্যয়ের কারণ জানতে এবার উচ্চপর্যায়ের কমিটি গাজীপুর কর অঞ্চলে চাকরি, পদ ৩৪ মুরাদনগর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর আকস্মিক পরিদর্শন, ৫ চিকিৎসকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ

সিইসি জ্ঞানেশের ওপর চাপ বাড়ছে

Reporter Name

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে দেশটির রাজধানী নয়াদিল্লিতে সম্প্রতি ব্যাপক বিক্ষোভ ও উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে। বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা নির্বাচন কমিশনের কার্যপদ্ধতি নিয়ে তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করে এই আন্দোলন গড়ে তোলেন। বিক্ষোভকারীরা অবিলম্বে তাঁর পদত্যাগ দাবি করে স্লোগান দেন এবং নির্বাচন ব্যবস্থার নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন।

নয়াদিল্লির রাজপথে আয়تهاিত এই প্রতিবাদ সমাবেশে অংশ নেওয়া বিক্ষুব্ধ জনতা নির্বাচন কমিশনের বর্তমান ভূমিকার কঠোর সমালোচনা করেন। তাঁদের অভিযোগ, সাম্প্রতিক সময়ে নির্বাচন কমিশন নিরপেক্ষভাবে দায়িত্ব পালন করতে ব্যর্থ হয়েছে এবং একটি বিশেষ পক্ষের অনুকূলে কাজ করছে বলে তাদের সন্দেহ রয়েছে। আন্দোলনকারীরা সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের স্বার্থে নির্বাচন কমিশনের শীর্ষ পদে রদবদল জরুরি বলে মন্তব্য করেন।

বিক্ষোভের কারণে শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয় এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে আন্দোলনকারীদের দফায় দফায় উত্তেজনা তৈরি হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে নয়াদিল্লির বিভিন্ন এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ ও নিরাপত্তা কর্মী মোতায়েন করা হয়। আন্দোলনকারীরা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, তাঁদের দাবি মেনে নেওয়া না হলে এই কর্মসূচি আরও কঠোর করা হবে।

প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগের এই দাবি ঘিরে ভারতের রাজনৈতিক অঙ্গনেও নতুন করে আলোচনার সূত্রপাত হয়েছে। বিরোধী দলগুলোর পক্ষ থেকে নির্বাচন কমিশনের স্বচ্ছতা নিয়ে এর আগেও বিভিন্ন প্রশ্ন তোলা হয়েছিল। তবে এই তীব্র বিক্ষোভের পর নির্বাচন কমিশন বা সরকারের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।