October 28, 2026, 7:59 pm
শিরোনাম :
নভেম্বরে ইন্ডিয়া জোটের সমাবেশ, সমর্থন জানাল ককরোচ পার্টি ১২৬৯ ভবনের মালিককে রাজউকের চূড়ান্ত নোটিশ, নির্দেশনা না মানলে ব্যবস্থা দাঁড়িয়ে গেলেন পঞ্চাশোর্ধ্ব নারী, অথচ বসে থাকলেন তরুণ ও মধ্যবয়সী পুরুষেরা আগৈলঝাড়ায় সন্ত্রাসবিরোধী মামলায় নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের সভাপতি গ্রেপ্তার তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা ছাড়া গত্যন্তর নেই : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জিনস প্যান্ট ও অন্তর্বাসে পাচারের চেষ্টা, শাহজালালে মিলল ২৪ কোটি টাকার সোনা আরব দলগুলোর চমক, তৈরি হতে পারে নেতানিয়াহুর বিদায়ের পথ ওজন কমানোর ওষুধে কমছে কসমেটিক সার্জারির চাহিদা পলাশবাড়ীতে এডিপির পৌনে ৩ কোটি টাকার প্রকল্পে অনিয়ম তদন্তে কমিটি ভোটের আগের রাতে বিএনপি-জামায়াতের পাল্টাপাল্টি অভিযোগ, টাকা বিতরণের দাবি

সত্য প্রকাশে সাংবাদিকদের সাহসী ও আপসহীন থাকতে হবে: রিজভী

Reporter Name

রাজনীতি ডেস্ক: সাংবাদিকদের সত্য প্রকাশে সবসময় সাহসী ও আপসহীন মনোভাব বজায় রাখার আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী। তিনি উল্লেখ করেন যে, দেশে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার এবং বিভিন্ন স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে বরেণ্য সাংবাদিক গিয়াস কামাল চৌধুরীর মতো নির্ভীক গণমাধ্যমকর্মীদের অবদান অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ ছিল। সম্প্রতি রাজধানী ঢাকার জাতীয় প্রেস ক্লাবে আয়োজিত এক স্মরণসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই মন্তব্য করেন। প্রথিতযশা সাংবাদিক গিয়াস কামাল চৌধুরীর স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে ওই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল।

স্মরণসভায় বিগত দিনের স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনের স্মৃতিচারণ করে বিএনপির এই জ্যেষ্ঠ নেতা বলেন, এরশাদের পতনের আন্দোলনের সময় গিয়াস কামাল চৌধুরীর পরিবেশিত সংবাদ নেতাকর্মীদের মনে নতুন আশার সঞ্চার করেছিল। সেই কঠিন সময়ে মানুষ বিবিসি ও ভয়েস অব আমেরিকার পরিবেশিত খবরের ওপর ভরসা রাখত, যার মাধ্যমে সংবাদকর্মী গিয়াস কামাল চৌধুরী গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছিলেন। বিভিন্ন ধরনের অদৃশ্য চাপ ও প্রতিকূলতা সত্ত্বেও তিনি দেশের স্বার্থে নিজের পেশাগত দায়িত্ব সততার সঙ্গে পালন করে গেছেন। এ ধরনের সাহসী সাংবাদিকদের আপসহীন ভূমিকার কারণেই অতীতে ফ্যাসিবাদ ও স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে অর্জিত হয়েছে কাঙ্ক্ষিত সফলতা।

গণমাধ্যমের স্বাধীনতার প্রতি দলের অবস্থান স্পষ্ট করে রুহুল কবির রিজভী জানান, বিএনপি সবসময় সংবাদপত্রের স্বাধীনতায় বিশ্বাস করে এবং এর সুরক্ষায় বদ্ধপরিকর। তবে একই সঙ্গে তিনি দেশ ও দশের ভাবমূর্তি রক্ষায় গণমাধ্যমগুলোকে আরও বেশি দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের তাগিদ দেন। প্রয়াত সাংবাদিক গিয়াস কামাল চৌধুরী সর্বদা দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের পক্ষে অত্যন্ত জোরালো অবস্থান নিয়েছিলেন বলে তিনি মন্তব্য করেন। দেশের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া ও জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার লড়াইয়ে তাঁর এই অনন্য অবদান জাতি সবসময় শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করবে।

অনুষ্ঠানের অন্যান্য পর্যায়ে বক্তারা জাতীয়তাবাদী শক্তির উত্থান এবং স্বাধীন সাংবাদিকতার বিকাশে গিয়াস কামাল চৌধুরীর বিভিন্ন অবদানের কথা তুলে ধরেন। বাংলাদেশ জাতীয় সাংবাদিক সমিতির চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. আব্দুল লতিফ মাসুমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ওই স্মরণসভায় আরও বক্তব্য রাখেন বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ। এদের মধ্যে দৈনিক যুগান্তরের সম্পাদক কবি আব্দুল হাই শিকদার এবং ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের শীর্ষস্থানীয় নেতৃবৃন্দও উপস্থিত ছিলেন। বক্তারা দেশের বর্তমান প্রেক্ষাপটে বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতার প্রয়োজনীয়তা এবং গণমাধ্যমের স্বাধীনতা রক্ষায় ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।