October 28, 2026, 12:02 pm
শিরোনাম :
৫ বছরে এক কোটি মানুষ বিদেশে পাঠানোর লক্ষ্য: প্রবাসীকল্যাণমন্ত্রী বিমান চলাচলের নিরাপত্তায় বিনিয়োগ জাতীয় অগ্রগতির ভিত্তি: প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা আইইডিসিআর পরিচালককে মারধর চিকিৎসাসেবার ইতিহাসে কালো অধ্যায়: জামায়াত আমির স্থানীয় নির্বাচনে এককভাবে লড়বে এনসিপি: নাহিদ ইসলাম জয়-পুতুলসহ আটজনের মামলায় সিআরআইয়ের আয়কর নথি জব্দের আদেশ রমজানে নিত্যপণ্যের সরবরাহ স্বাভাবিক থাকবে: বাণিজ্যমন্ত্রী ঠাকুরগাঁও উপনির্বাচন নিয়ে উদ্বিগ্ন হওয়ার কারণ নেই: ইসি সচিব ‘সিন্ডিকেট’ ভাঙায় পাঠ্যবই মুদ্রণে বাঁচল ১৪ কোটি টাকা স্ট্রেচারে করে মাঠ ছাড়লেন হৃদয় এশিয়া কাপ আর্চারিতে বাংলাদেশের মেয়েদের সোনা জয়

শিশুর ডিএনএ টেস্টের দাবি, বাংলাদেশে চাইলেই কি এই টেস্ট করা যায়?

Reporter Name

জাতীয় ডেস্ক: সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সম্প্রতি ভাইরাল হওয়া একটি শিশুকে ঘিরে শুরু হয়েছে ব্যাপক আলোচনা ও কৌতূহল। বাদামী চুল এবং ফর্সা শারীরিক গঠনের এই শিশুটিকে প্রথম দেখায় অনেকেই বিদেশি বলে মনে করছেন। সম্প্রতি এক দম্পতি শিশুটিকে নিজেদের সন্তান বলে দাবি করার পর থেকেই বিষয়টি নিয়ে নেটদুনিয়ায় তোলপাড় শুরু হয়েছে। তবে এই দাবি সম্পূর্ণ নাকচ করে দিয়ে শিশুটির বর্তমান পরিবার জানিয়েছে, এই অভিযোগ ভিত্তিহীন।

শিশুটি কার প্রকৃত সন্তান— তা নিয়ে যখন বিতর্ক দানা বাঁধছে, তখন জনমনে একটি বড় প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। সেটি হলো, সাধারণ কেউ চাইলেই কি বাংলাদেশে যেকোনো শিশুর ডিএনএ টেস্ট করাতে পারেন? দেশের প্রচলিত আইন এবং চিকিৎসা ব্যবস্থার নিয়ম অনুযায়ী, চাইলেই হুট করে কারও ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ বা পরীক্ষা করা সম্ভব নয়। এ ধরনের পরীক্ষার ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট কিছু আইনি প্রক্রিয়া ও গোপনীয়তার নীতিমালা কঠোরভাবে অনুসরণ করতে হয়।

বিশেষজ্ঞদের মতে, আদালতের সুনির্দিষ্ট নির্দেশ কিংবা পুলিশ প্রশাসনের তদন্তের অংশ ছাড়া কেবল ব্যক্তিগত সন্দেহের বশে কেউ ডিএনএ ল্যাবরেটরিতে গিয়ে পরীক্ষা করাতে পারেন না। শিশু অধিকার ও পারিবারিক গোপনীয়তার বিষয়টি এখানে অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হয়। ফলে কোনো দম্পতি চাইলেও চটজলদি কোনো শিশুর ওপর ডিএনএ টেস্টের আইনি বৈধতা পাওয়া সহজ বিষয় নয়।

বর্তমানে আলোচিত এই ঘটনার জেরে শিশুটির পরিচয় নিয়ে রহস্য আরও ঘনীভূত হয়েছে। সাধারণ মানুষ ও নেটিজেনদের একাংশ প্রকৃত সত্য উদঘাটনের জন্য এই পরীক্ষার দাবি তুললেও আইনি জটিলতার কারণে তা এত সহজে সম্পন্ন হওয়া সম্ভব নয়। শেষ পর্যন্ত এই পারিবারিক ও সামাজিক বিতর্কের অবসান কীভাবে হবে, সেদিকেই এখন নজর সবার।