October 27, 2026, 9:20 pm
শিরোনাম :
ইসরায়েলের নির্বাচনে হারছে নেতানিয়াহুর জোট ইসরায়েলে ভোটের ফলাফলে সম্ভাব্য ৪ পরিস্থিতি কী ভাওয়াইয়া থেকে ইসলামি গান, আব্বাসউদ্দীন আজও অম্লান ওলামা অ্যালায়েন্সের ভারপ্রাপ্ত সদস্যসচিব ইনজিমামুল, সাংগঠনিক সম্পাদক মাহমুদ ২০৩০ সালের মধ্যে ১০ হাজার মেগাওয়াট নবায়নযোগ্য জ্বালানির লক্ষ্য সরকারের: বিদ্যুৎমন্ত্রী ঢাকা টেস্ট যেন নিজেদের প্রমাণের পরীক্ষা স্টার্কের ৬ বলে ৪ উইকেট, কেপটাউনে দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তন অস্ট্রেলিয়ার ফ্রান্সের পথে পথে বাংলাদেশের ‘পথের বন্ধু’ বাণিজ্য মেলার মাঠে সচিবালয় স্থানান্তরের প্রতিবাদ, যন্ত্রাংশ ও দুটি গাড়ি নিয়ে গেলেন শেকৃবির শিক্ষার্থীরা জুলাই গণ–অভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘরে চালু হলো বিনা মূল্যে হুইলচেয়ার সেবা

মেসির এই চার রেকর্ড অমর হয়ে থাকবে

Reporter Name

খেলা ডেস্ক: দুই দশকের বেশি সময় ধরে দেশের জার্সিতে জাদুকরী পারফরম্যান্স উপহার দেওয়ার পর আন্তর্জাতিক ফুটবলকে বিদায় জানাতে প্রস্তুত হ্যালো আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়ক লিওনেল মেসি। দীর্ঘ বর্ণাঢ্য ক্যারিয়ারে তিনি কেবল দলকে ট্রফিই উপহার দেননি, বরং এমন কিছু অনন্য মাইলফলক স্পর্শ করেছেন যা আগামী দিনেও সহজে ভাঙা সম্ভব হবে না। সাম্প্রতিক সময়ে তার এই গৌরবোজ্জ্বল অধ্যায়ের শেষ প্রান্তে এসে ফুটবলবিশ্ব স্মরণ করছে তার সেই ঐতিহাসিক কীর্তিগুলোকে, যা তাকে বিশ্ব ক্রীড়াঙ্গনের অন্যতম সেরা কিংবদন্তি হিসেবে অমর করে রেখেছে।

আর্জেন্টিনার জার্সিতে গোলের পাহাড় গড়েছেন এই মহাতারকা ফরোয়ার্ড। দুই শতাধিক ম্যাচে মাঠে নেমে তিনি জড়ো করেছেন ১২৫টি গোল, যা দেশটির ফুটবল ইতিহাসে সর্বোচ্চ। একসময়ের রেকর্ডধারী গ্যাব্রিয়েল বাতিস্তুতার গোলসংখ্যাকে তিনি কেবল ছাড়িয়েই যাননি, বরং তার দ্বিগুণ অর্জনে পৌঁছে গেছেন। একই সঙ্গে দেশের হয়ে সর্বোচ্চ ম্যাচ খেলার গৌরবও তারই দখলে রয়েছে। দীর্ঘ দুই দশক ধরে জাতীয় দলের নিয়মিত মুখ হিসেবে তিনি মোট ২০৭টি ম্যাচ খেলেছেন, যা পরবর্তীতে আসা যেকোনো খেলোয়াড়ের জন্যই এক বিশাল চ্যালেঞ্জ হয়ে থাকবে।

বিশ্বকাপের মঞ্চেও মেসির রেকর্ডগুলো অত্যন্ত উজ্জ্বল এবং সমৃদ্ধ। ২০০৬ সাল থেকে শুরু করে দীর্ঘ ফুটবল যাত্রায় তিনি মোট ছয়টি বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ করে রেকর্ড ৩৪টি ম্যাচ খেলেছেন, যা টুর্নামেন্টের ইতিহাসে সর্বোচ্চ। এছাড়া বিশ্বকাপের মূল পর্বে ২১টি গোল করার পাশাপাশি তিনি এককভাবে সর্বোচ্চ ২৩টি ম্যাচ জয়ের অনন্য কীর্তি গড়েছেন। ফুটবলের এই সর্ববৃহৎ আসরে একমাত্র খেলোয়াড় হিসেবে তিনি দুই দফায় গোল্ডেন বল অর্থাৎ সেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কার জেতার গৌরব অর্জন করেছেন।

দক্ষিণ আমেরিকার বিশ্বকাপ বাছাইপর্বেও নিজের শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণ করেছেন আর্জেন্টিনার এই প্রাণভোমরা। কনমেবল বাছাইপর্বে ৭২টি ম্যাচ খেলে তিনি ৩৬টি গোল করে সর্বোচ্চ গোলদাতার আসনটি নিজের দখলে রেখেছেন। এছাড়া বাছাইপর্বে সর্বাধিক ম্যাচ খেলার রেকর্ডেও তিনি ইকুয়েডরের ইভান হুরতাদোর সঙ্গে যৌথভাবে শীর্ষে অবস্থান করছেন। সব মিলিয়ে এসব অমূল্য রেকর্ড মেসিকে কেবল আর্জেন্টিনার ফুটবল ইতিহাসেরই নয়, বরং বিশ্ব ফুটবলের অমর এক অধ্যায়ে পরিণত করেছে।