October 28, 2026, 11:56 am
শিরোনাম :
বিমান চলাচলের নিরাপত্তায় বিনিয়োগ জাতীয় অগ্রগতির ভিত্তি: প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা আইইডিসিআর পরিচালককে মারধর চিকিৎসাসেবার ইতিহাসে কালো অধ্যায়: জামায়াত আমির স্থানীয় নির্বাচনে এককভাবে লড়বে এনসিপি: নাহিদ ইসলাম জয়-পুতুলসহ আটজনের মামলায় সিআরআইয়ের আয়কর নথি জব্দের আদেশ রমজানে নিত্যপণ্যের সরবরাহ স্বাভাবিক থাকবে: বাণিজ্যমন্ত্রী ঠাকুরগাঁও উপনির্বাচন নিয়ে উদ্বিগ্ন হওয়ার কারণ নেই: ইসি সচিব ‘সিন্ডিকেট’ ভাঙায় পাঠ্যবই মুদ্রণে বাঁচল ১৪ কোটি টাকা স্ট্রেচারে করে মাঠ ছাড়লেন হৃদয় এশিয়া কাপ আর্চারিতে বাংলাদেশের মেয়েদের সোনা জয় গাজা-লেবানন-সিরিয়ায় দখল বজায় রাখা, ইরানকে দুর্বল করা: নেতানিয়াহুর ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা

‘ভবিষ্যতে একজন প্রকৌশলী হয়ে বাবার কষ্ট কমাতে চাই’

Reporter Name

রাজধানীর শিল্পকলা একাডেমি চত্বর সম্প্রতি এক বৃষ্টিভেজা সকালে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের প্রাণবন্ত পদচারণে মুখর হয়ে উঠেছিল। সকালের স্নিগ্ধ আবহাওয়ায় তরুণ প্রজন্ম ও তাদের অভিভাবকরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে এই আয়োজনে অংশ নেন। ছুটির দিনে এমন ব্যতিক্রমী আয়োজনের ফলে পুরো চত্বর এলাকায় এক উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়। অংশগ্রহণকারী কচিকাঁচা ও তরুণ শিক্ষার্থীদের উচ্ছ্বাস উপস্থিত সবার নজর কাড়ে।

সকাল দশটায় জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মধ্য দিয়ে এই বিশেষ আয়োজনের মূল আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়। এরপর শিক্ষার্থীরা প্রথম আলো এক্সপেরিয়েন্স জোনের বিভিন্ন আকর্ষণীয় ও শিক্ষণীয় কার্যক্রমে স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশ নেয়। বিভিন্ন স্টলে নানা বয়সী শিক্ষার্থীদের ভিড় লক্ষ্য করা যায় এবং তারা আয়োজনের প্রতিটি মুহূর্ত দারুণভাবে উপভোগ করে। তরুণ প্রজন্মের এই মিলনমেলা কেবল আনন্দ-ফুর্তি নয়, বরং তাদের মেধা ও মনন বিকাশেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত অনেক শিক্ষার্থী তাদের ভবিষ্যৎ স্বপ্ন ও লক্ষ্যের কথা অকপটে প্রকাশ করে। অনেকেই নিজেদের জীবনের বড় লক্ষ্য হিসেবে প্রকৌশলী হওয়ার ইচ্ছার কথা জানায় এবং পরিবারের কষ্ট লাঘবের প্রত্যয় ব্যক্ত করে। এই ধরনের আয়োজনের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা পড়াশোনার পাশাপাশি আনন্দঘন পরিবেশে নিজেদের প্রতিভা বিকাশের সুযোগ পাচ্ছে বলে অভিভাবকরা সন্তোষ প্রকাশ করেন।

সার্বিক ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে আয়োজকরা অনুষ্ঠানটিকে সফল করে তোলেন, যা উপস্থিত সবার মাঝেই এক অন্যরকম উদ্দীপনা তৈরি করেছিল। পরিশেষে, এই ধরনের ইতিবাচক উদ্যোগ দেশের তরুণ সমাজকে আরও বেশি অনুপ্রাণিত করবে বলে আয়োজক ও সুধীজনরা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।