October 28, 2026, 9:13 am
শিরোনাম :
বিএনপি ও কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের পদ্ধতি একই, তারা যেন একই মুদ্রার এপিঠ-ওপিঠ: ব্যারিস্টার আরমান ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনই ইসির সক্ষমতার পরীক্ষা: ১১ দলীয় ঐক্য ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচন কাল, নিরাপত্তায় ড্রোন ও ডগ স্কোয়াড বল প্রয়োগের শক্তিই হলো ‘বলের মাত্রা’ বিদ্যুৎ বিপর্যয়ের কারণ জানতে এবার উচ্চপর্যায়ের কমিটি গাজীপুর কর অঞ্চলে চাকরি, পদ ৩৪ মুরাদনগর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর আকস্মিক পরিদর্শন, ৫ চিকিৎসকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ কম্বোডিয়া থেকে ৯ মাসে বহিষ্কার তিন হাজারের বেশি বাংলাদেশি, আলোচনায় সাইবার স্ক্যাম জনগণের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে কারো অবৈধ সাম্রাজ্য টিকানোর দায়িত্ব পুলিশের নয়: হাসনাত আবদুল্লাহ বাংলাদেশের রপ্তানি পণ্যের বহুমুখীকরণে জাপানের সহযোগিতা চান প্রধানমন্ত্রী

বঙ্গোপসাগরে স্যাটেলাইট দিয়ে নজরদারি করতে চায় সরকারি কোম্পানি, ব্যয় ৬০০ কোটি টাকা

Reporter Name

জাতীয় ডেস্ক: বঙ্গোপসাগরের বিশাল জলসীমায় নিরাপত্তা ও নজরদারি জোরদার করার উদ্দেশ্যে একটি নতুন উদ্যোগ গ্রহণ করেছে সরকারি খাতের একটি কোম্পানি। দীর্ঘ আইনি লড়াইয়ের মাধ্যমে মিয়ানমার ও ভারতের সঙ্গে সমুদ্রসীমা সংক্রান্ত দীর্ঘদিনের বিরোধ নিষ্পত্তির পর বিশাল এই জলরাশির ওপর সার্বভৌম অধিকার প্রতিষ্ঠিত হয় বাংলাদেশের। এই বিশাল সমুদ্র এলাকায় দেশের অর্থনৈতিক কার্যক্রম পরিচালনা এবং সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এখন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

মহাসাগরের জলসীমায় নানা ধরনের কার্যক্রম সুচারুভাবে পর্যবেক্ষণ করতে স্যাটেলাইট প্রযুক্তি ব্যবহারের পরিকল্পনা করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, এই উচ্চপ্রযুক্তির স্যাটেলাইট প্রকল্প বাস্তবায়নে প্রায় ছয়শো কোটি টাকা খরচ হতে পারে। আধুনিক এই ব্যবস্থার মাধ্যমে বঙ্গোপসাগরের বিস্তীর্ণ এলাকায় যেকোনো ধরনের অবৈধ তৎপরতা সহজেই শনাক্ত করা সম্ভব হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

এর আগে ২০১২ সালে আন্তর্জাতিক আদালতের রায়ে মিয়ানমারের সঙ্গে এবং ২০১৪ সালে ভারতের সঙ্গে সমুদ্রসীমা সংক্রান্ত বিরোধের নিষ্পত্তি হয়। এর ফলে বাংলাদেশ প্রায় ১ লাখ ১৮ হাজার ৮১৩ বর্গকিলোমিটার সমপরিমাণ সমুদ্র এলাকার ওপর নিরঙ্কুশ অধিকার লাভ করে। এই বিপুল পরিমাণ জলসীমায় ব্লু ইকোনমি বা নীল অর্থনীতির সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে এবং সামুদ্রিক সম্পদ রক্ষা করতে নিয়মিত নজরদারির বিকল্প নেই।

প্রস্তাবিত এই স্যাটেলাইট প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে দেশের সামুদ্রিক নিরাপত্তা ব্যবস্থার আধুনিকায়ন ঘটবে এবং রাষ্ট্রীয় নজরদারি আরও শক্তিশালী হবে। সরকারি কোম্পানির এই উদ্যোগ দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন। প্রকল্পের চূড়ান্ত অনুমোদন ও অর্থায়ন নিশ্চিত হলে খুব শীঘ্রই এর কার্যক্রম শুরু হতে পারে।