October 28, 2026, 12:56 pm
শিরোনাম :
যে কারণে ২৫টি টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজের দ্বিতীয় শিফট স্থগিত করল সরকার টোকিওর মতো পরিচ্ছন্ন ঢাকা গড়তে চায় সরকার: প্রধানমন্ত্রী দেশ মাফিয়া রাষ্ট্রে পরিণত হয়েছে: নাহিদ ইসলাম ৫ বছরে এক কোটি মানুষ বিদেশে পাঠানোর লক্ষ্য: প্রবাসীকল্যাণমন্ত্রী বিমান চলাচলের নিরাপত্তায় বিনিয়োগ জাতীয় অগ্রগতির ভিত্তি: প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা আইইডিসিআর পরিচালককে মারধর চিকিৎসাসেবার ইতিহাসে কালো অধ্যায়: জামায়াত আমির স্থানীয় নির্বাচনে এককভাবে লড়বে এনসিপি: নাহিদ ইসলাম জয়-পুতুলসহ আটজনের মামলায় সিআরআইয়ের আয়কর নথি জব্দের আদেশ রমজানে নিত্যপণ্যের সরবরাহ স্বাভাবিক থাকবে: বাণিজ্যমন্ত্রী ঠাকুরগাঁও উপনির্বাচন নিয়ে উদ্বিগ্ন হওয়ার কারণ নেই: ইসি সচিব

দুই হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ, সাবেক সেনাদের প্ল্যাটফর্ম; দেবাশীষ-গুলশান আরাকে গ্রেপ্তারের নেপথ্যে কী

Reporter Name

অপরাধ ডেস্ক: দেশের অভ্যন্তরে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির চক্রান্ত এবং নিষিদ্ধ রাজনৈতিক দলের সঙ্গে গোপন যোগাযোগের অভিযোগে সাবেক দুই সেনা কর্মকর্তাকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ। সম্প্রতি রাজধানী ঢাকার পল্লবী ও বনানী ডিওএইচএস এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে লেফটেন্যান্ট কর্নেল অব. বিজয় দেবাশীষ নারায়ণ পাল এবং লেফটেন্যান্ট অব. কাজী গুলশান আরাকে আটক করা হয়। দীর্ঘদিন ধরেই গোয়েন্দা সংস্থার নজরদারিতে ছিলেন এই দুই অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা। পরবর্তীতে তাঁদের আদালতে হাজির করে সাত দিনের রিমান্ড চাওয়া হলে আদালত চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

তদন্তকারী কর্মকর্তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, গ্রেপ্তার হওয়া সাবেক এই দুই সামরিক কর্মকর্তা বিভিন্ন ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে দীর্ঘদিন ধরে সরকারবিরোধী কর্মকাণ্ড পরিচালনা করে আসছিলেন। তাঁদের বিরুদ্ধে বিশেষ করে দুটি হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপের মাধ্যমে তহবিল সংগ্রহ ও উসকানিমূলক প্রচার চালানোর অভিযোগ আনা হয়েছে। পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও নির্দিষ্ট কিছু অনলাইন পেজের মাধ্যমে নানা ধরনের বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়িয়ে সমাজে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির পাঁয়তারা করা হচ্ছিল বলেও পুলিশ জানিয়েছে।

পুলিশের করা মামলার এজাহার ও রিমান্ড আবেদন সূত্রে জানা যায়, সাবেক সেনা সদস্যদের বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মের আড়ালে পলাতক শীর্ষ রাজনৈতিক নেতাদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছিলেন অভিযুক্তরা। এর মূল লক্ষ্য ছিল নির্দিষ্ট রাজনৈতিক শক্তিকে পুনর্বাসন করা এবং রাষ্ট্রবিরোধী কার্যক্রমে অর্থায়ন নিশ্চিত করা। এছাড়া দেশি ও বিদেশি নানা গুপ্তচর বৃত্তির সঙ্গে তাঁদের সংযোগ থাকার চাঞ্চল্যকর তথ্যও খতিয়ে দেখছেন তদন্ত সংশ্লিষ্টরা।

এদিকে আদালতে শুনানিকালে আসামিপক্ষের আইনজীবীরা এসব অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করে তা ভিত্তিহীন বলে দাবি করেন। তাঁদের মতে, আসামিদের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট কোনো অপরাধের বা রাষ্ট্রদ্রোহের যৌক্তিক ব্যাখা রিমান্ড আবেদনে উল্লেখ করা হয়নি। অন্যদিকে রাষ্ট্রপক্ষ জানিয়েছে, এই ঘটনার পেছনে থাকা অজ্ঞাতনামা সহযোগীদের শনাক্ত করতে এবং অবৈধ অর্থায়নের উৎস উদঘাটন করতে আসামিদের নিবিড় জিজ্ঞাসাবাদ অত্যন্ত জরুরি।