October 27, 2026, 10:06 pm
শিরোনাম :
ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র: দুই দেশের নির্বাচনের পরিণতি হবে বিশ্বব্যাপী হরমুজ প্রণালির ওপর ইরানের নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখতেই হবে: সর্বোচ্চ নেতা জীবনানন্দের স্মরণে ভার্চ্যুয়াল পাঠচক্র ইসরায়েলের নির্বাচনে হারছে নেতানিয়াহুর জোট ইসরায়েলে ভোটের ফলাফলে সম্ভাব্য ৪ পরিস্থিতি কী ভাওয়াইয়া থেকে ইসলামি গান, আব্বাসউদ্দীন আজও অম্লান ওলামা অ্যালায়েন্সের ভারপ্রাপ্ত সদস্যসচিব ইনজিমামুল, সাংগঠনিক সম্পাদক মাহমুদ ২০৩০ সালের মধ্যে ১০ হাজার মেগাওয়াট নবায়নযোগ্য জ্বালানির লক্ষ্য সরকারের: বিদ্যুৎমন্ত্রী ঢাকা টেস্ট যেন নিজেদের প্রমাণের পরীক্ষা স্টার্কের ৬ বলে ৪ উইকেট, কেপটাউনে দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তন অস্ট্রেলিয়ার

তিন মাসে পোশাক রপ্তানিতে আয় ১০৫৮ কোটি ডলার

Reporter Name

অর্থনীতি ডেস্ক: চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকে অর্থাৎ জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর মাস পর্যন্ত সময়ে দেশের প্রধান বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনকারী খাত তৈরি পোশাক রপ্তানিতে দারুণ সাফল্য এসেছে। এই তিন মাসে আন্তর্জাতিক বাজারগুলোতে পোশাক বিক্রি করে বাংলাদেশ মোট ১ হাজার ৫৭ কোটি ৮৬ লাখ মার্কিন ডলার আয় করেছে। রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর প্রকাশিত সর্বশেষ পরিসংখ্যানে এই ইতিবাচক চিত্র উঠে এসেছে এবং আগের অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় সামগ্রিক রপ্তানিতে ৬ দশমিক ১০ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জিত হয়েছে। আগের বছর অর্থাৎ এর আগের একই সময়ে পোশাক রপ্তানি থেকে ৯৯৭ কোটি চার লাখ ডলার আয় হয়েছিল।

খাতওয়ারি বিশ্লেষণে দেখা যায়, আলোচ্য সময়ে নিটওয়্যার বা নিট পোশাকের চাহিদা ছিল বেশ চাঙ্গা এবং এই খাত থেকে সর্বোচ্চ ৫৯৬ কোটি ৩৮ লাখ ডলার আয় হয়েছে। আগের বছরের তুলনায় এই উপখাতে প্রবৃদ্ধির হার দাঁড়িয়েছে ৬ দশমিক ৮৮ শতাংশ, যা গত বছর ছিল ৫৫৮ কোটি ডলার। অন্যদিকে, ওভেন পোশাক রপ্তানি থেকেও ভালো আয় এসেছে এবং এই খাতে ৪৬১ কোটি ৪৮ লাখ ডলার অর্জিত হয়েছে। ওভেন পোশাকের ক্ষেত্রে ৫ দশমিক ১১ শতাংশ প্রবৃদ্ধি রেকর্ড করা হয়েছে, যা গত অর্থবছরের একই সময়ে ৪৩৯ কোটি চার লাখ ডলারের কাছাকাছি ছিল।

বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানির ঐতিহ্যগত বড় বাজার ইউরোপীয় ইউনিয়নে এই তিন মাসে মোট ৪৯০ কোটি ৪০ লাখ ডলারের পণ্য রপ্তানি হয়েছে যা মোট রপ্তানির প্রায় ৪৬ শতাংশের বেশি। তবে ইউরোপের সব দেশের বাজার সমানভাবে বাড়েনি বরং মিশ্র প্রবণতা লক্ষ্য করা গেছে যেখানে স্পেনে ১৩ দশমিক ৭৩ শতাংশ এবং নেদারল্যান্ডসে ৯ দশমিক ০২ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হলেও জার্মানিতে সামান্য এবং ফ্রান্সে প্রায় ৫ শতাংশ রপ্তানি কমেছে। এর বিপরীতে, একক দেশ হিসেবে বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম বাজার যুক্তরাষ্ট্রে পোশাক রপ্তানি ১০ দশমিক ৪০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ২২২ কোটি ৯ লাখ ডলারে উন্নীত হয়েছে।

ঐতিহ্যবাহী বাজারগুলোর পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডার মতো দেশের বাইরে অপ্রচলিত নতুন গন্তব্যগুলোতেও পোশাক রপ্তানি আশানরূপ বৃদ্ধি পেয়েছে। এই অপ্রচলিত বাজারগুলো থেকে মোট ১৮১ কোটি ১৯ লাখ ডলার আয় হয়েছে যা আগের বছরের তুলনায় প্রায় সাড়ে ৯ শতাংশ বেশি। বিশেষ করে তুরস্কে রপ্তানি দ্বিগুণ হয়ে যাওয়ার পাশাপাশি ব্রাজিল ও সংযুক্ত আরব আমিরাতেও উল্লেখযোগ্য প্রবৃদ্ধি দেখা গেছে। বাজার বিশ্লেষকদের মতে, সামগ্রিক প্রবৃদ্ধি ইতিবাচক হলেও ইউরোপের কিছু দেশে মন্দাভাব কাটিয়ে উঠতে এবং নতুন বাজারের সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে কৌশলগত পদক্ষেপ অব্যাহত রাখা জরুরি।