October 28, 2026, 8:19 pm
শিরোনাম :
গণভোটের রায় না মানলে তারেক রহমানেরও ক্ষমতায় থাকার অধিকার নেই চার জুটির চার রকম প্রেম, তিন নতুন মুখের অভিষেক নভেম্বরে ইন্ডিয়া জোটের সমাবেশ, সমর্থন জানাল ককরোচ পার্টি ১২৬৯ ভবনের মালিককে রাজউকের চূড়ান্ত নোটিশ, নির্দেশনা না মানলে ব্যবস্থা দাঁড়িয়ে গেলেন পঞ্চাশোর্ধ্ব নারী, অথচ বসে থাকলেন তরুণ ও মধ্যবয়সী পুরুষেরা আগৈলঝাড়ায় সন্ত্রাসবিরোধী মামলায় নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের সভাপতি গ্রেপ্তার তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা ছাড়া গত্যন্তর নেই : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জিনস প্যান্ট ও অন্তর্বাসে পাচারের চেষ্টা, শাহজালালে মিলল ২৪ কোটি টাকার সোনা আরব দলগুলোর চমক, তৈরি হতে পারে নেতানিয়াহুর বিদায়ের পথ ওজন কমানোর ওষুধে কমছে কসমেটিক সার্জারির চাহিদা

টানা ৮ দিন পর বেনাপোল স্থলবন্দরে আমদানি-রপ্তানি শুরু

Reporter Name

অর্থনীতি ডেস্ক: শারদীয় দুর্গাপূজা ও সাপ্তাহিক ছুটির দীর্ঘ বিরতি কাটিয়ে দেশের সবচেয়ে বড় স্থলবন্দর বেনাপোল দিয়ে ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে পণ্য পরিবহন পুনরায় চালু হয়েছে। একটানা আট দিন বাণিজ্য কার্যক্রম বন্ধ থাকার ফলে দুই দেশের সীমান্তবর্তী এলাকায় শত শত পণ্যবাহী ট্রাক আটকে পড়েছিল, যা বন্দর সচল হওয়ার পর থেকেই ধীরে ধীরে কমতে শুরু করেছে। বন্দর পুনরায় চালু হওয়ায় আমদানি-রপ্তানিকারক এবং সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টদের পাশাপাশি কাস্টমস কর্মকর্তা ও শ্রমিকদের মাঝেও কর্মব্যস্ততা ফিরে এসেছে।

বেনাপোল স্থলবন্দরের উপপরিচালক রুহুল আমিন গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন যে, পূজার ছুটি শেষে বন্দর খোলার পর থেকে সামগ্রিক কার্যক্রমে গতি এসেছে এবং আজ থেকে পুরোপুরি স্বাভাবিকভাবে কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। আটকে থাকা পণ্যগুলো দ্রুত খালাস করার জন্য বন্দর ব্যবহারকারী ও সংশ্লিষ্ট সব বিভাগকে বিশেষ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। ফলে ব্যবসায়ীরা এখন নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তাদের পণ্য বুঝে পাওয়ার আশা প্রকাশ করছেন।

বন্দর সূত্রে প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী, এই রুট দিয়ে প্রতিদিন সাধারণত গড়ে প্রায় পাঁচ শ ট্রাক পণ্য আমদানি এবং দুই শ ট্রাক পণ্য রপ্তানি হয়ে থাকে। এছাড়া রেলপথেও নিয়মিত বিভিন্ন ধরনের পণ্য আমদানি করা হয় এবং বন্দর এলাকা থেকে প্রতিদিন প্রায় পাঁচ থেকে ছয় শ ট্রাক পণ্য খালাস করা হয়। আমদানিকৃত এই সমস্ত পণ্য থেকে প্রতিদিন প্রায় ১০ কোটি টাকার রাজস্ব আদায় হয়ে থাকে, যা দেশের সামগ্রিক অর্থনীতিতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে।

এই বন্দর দিয়ে আমদানি করা পণ্যের তালিকায় রয়েছে শিল্পকারখানার কাঁচামাল, বিভিন্ন ধরনের গার্মেন্টস ও তৈরি পোশাক, মাছ, শিশুখাদ্য এবং নানা রকমের রাসায়নিক দ্রব্যাদি। অন্যদিকে বাংলাদেশ থেকে প্রধানত পাট ও পাটজাত পণ্য, তৈরি পোশাক, রাসায়নিক দ্রব্য, টিস্যু, মেলামাইন এবং মাছ ভারতে রপ্তানি করা হয়। তবে ভারত সরকারের বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী গত দেড় বছর ধরে সড়কপথে পাটপণ্য ও পোশাক রপ্তানি বন্ধ রয়েছে এবং বাংলাদেশ সরকারের শর্তের কারণে সুতা আমদানিও স্থগিত রয়েছে।