October 28, 2026, 10:15 am
শিরোনাম :
স্ট্রেচারে করে মাঠ ছাড়লেন হৃদয় এশিয়া কাপ আর্চারিতে বাংলাদেশের মেয়েদের সোনা জয় গাজা-লেবানন-সিরিয়ায় দখল বজায় রাখা, ইরানকে দুর্বল করা: নেতানিয়াহুর ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা বিএনপি ও কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের পদ্ধতি একই, তারা যেন একই মুদ্রার এপিঠ-ওপিঠ: ব্যারিস্টার আরমান ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনই ইসির সক্ষমতার পরীক্ষা: ১১ দলীয় ঐক্য ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচন কাল, নিরাপত্তায় ড্রোন ও ডগ স্কোয়াড বল প্রয়োগের শক্তিই হলো ‘বলের মাত্রা’ বিদ্যুৎ বিপর্যয়ের কারণ জানতে এবার উচ্চপর্যায়ের কমিটি গাজীপুর কর অঞ্চলে চাকরি, পদ ৩৪ মুরাদনগর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর আকস্মিক পরিদর্শন, ৫ চিকিৎসকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ

ছোটবেলায় ফিট থাকা শিশুরা বড় হয়ে বিষণ্নতায় কম ভোগে, নতুন গবেষণা

Reporter Name

স্বাস্থ্য ডেস্ক: শৈশবে নিয়মিত খেলাধুলা এবং শারীরিক কসরত করার অভ্যাস মানুষের মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর দীর্ঘমেয়াদী ইতিবাচক প্রভাব ফেলে। সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নতুন গবেষণায় এই তথ্য উঠে এসেছে। গবেষকরা জানিয়েছেন, যেসব শিশু ছোটবেলা থেকেই দৌড়ঝাঁপ ও বিভিন্ন খেলাধুলার সঙ্গে যুক্ত থাকে, তাদের বড় বয়সে পৌঁছে মানসিক অবসাদ বা বিষণ্নতায় ভোগার ঝুঁকি অনেকটাই কমে যায়।

ওই গবেষণায় শৈশবের জীবনযাত্রার সঙ্গে প্রাপ্তবয়স্ক অবস্থার মানসিক সুস্থতার সম্পর্ক নিয়ে দীর্ঘমেয়াদী পর্যবেক্ষণ চালানো হয়। এতে দেখা গেছে, যারা ছোটবেলায় শারীরিক দিক থেকে বেশ সক্রিয় ছিল, তারা বয়স বাড়ার সাথে সাথে মধ্যবয়স পর্যন্ত নিজেদের মানসিক স্বাস্থ্য বেশ ভালো রাখতে সক্ষম হয়। অন্যদিকে, শৈশবে অলস জীবন কাটানো শিশুদের ক্ষেত্রে পরবর্তী সময়ে মানসিক সমস্যায় পড়ার প্রবণতা তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা গেছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, শৈশবের এই শারীরিক কর্মকাণ্ড মস্তিষ্কের গঠনে এবং হরমোনের ভারসাম্য রক্ষায় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। নিয়মিত খেলাধুলা করার ফলে শিশুদের শরীরে আনন্দদায়ক হরমোনের নিঃসরণ ঘটে, যা তাদের মানসিক চাপ ও উদ্বেগ দূর করতে সাহায্য করে। এই ইতিবাচক প্রভাব শুধু শিশুকালেই সীমাবদ্ধ থাকে না, বরং তা পূর্ণবয়স্ক জীবনেও সুরক্ষিত রাখে।

বর্তমান ডিজিটাল যুগে শিশুরা যখন স্ক্রিন বা গ্যাজেটের প্রতি বেশি আসক্ত হয়ে পড়ছে, তখন এই গবেষণাটি এক নতুন সতর্কবার্তা ও দিকনির্দেশনা দিচ্ছে। গবেষকরা বলছেন, অভিভাবকদের উচিত শিশুদের ইনডোর গেমের পাশাপাশি আউটডোর খেলাধুলা ও শারীরিক কার্যক্রমে উৎসাহিত করা। এর মাধ্যমে একদিকে যেমন শারীরিক স্থূলতা রোধ করা সম্ভব, অন্যদিকে নিশ্চিত করা যায় একটি সুস্থ ও সুন্দর মানসিক ভবিষ্যৎ।