October 28, 2026, 9:17 pm
শিরোনাম :
ইংলিসের ব্যাটে লিড পেল অস্ট্রেলিয়া বীমা কোম্পানির সিএফও হতে লাগবে ৭ যোগ্যতা পুলিশের বিরুদ্ধে সাংবাদিকের মোবাইল কেড়ে নেওয়ার অভিযোগ নেতানিয়াহুকে সরাতে আরব দলগুলোর সঙ্গে ঐক্যের ডাক গোলানের গণভোটের রায় না মানলে তারেক রহমানেরও ক্ষমতায় থাকার অধিকার নেই চার জুটির চার রকম প্রেম, তিন নতুন মুখের অভিষেক নভেম্বরে ইন্ডিয়া জোটের সমাবেশ, সমর্থন জানাল ককরোচ পার্টি ১২৬৯ ভবনের মালিককে রাজউকের চূড়ান্ত নোটিশ, নির্দেশনা না মানলে ব্যবস্থা দাঁড়িয়ে গেলেন পঞ্চাশোর্ধ্ব নারী, অথচ বসে থাকলেন তরুণ ও মধ্যবয়সী পুরুষেরা আগৈলঝাড়ায় সন্ত্রাসবিরোধী মামলায় নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের সভাপতি গ্রেপ্তার

‘গুপ্ত-সুপ্ত’ বাংলাদেশের রাজনীতিতে কী প্রভাব ফেলছে?

Reporter Name

রাজনীতি ডেস্ক: বাংলাদেশের বর্তমান রাজনৈতিক অঙ্গনে ‘গুপ্ত-সুপ্ত’ রাজনীতি এবং অনুপ্রবেশের বিষয়টি নতুন করে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। দেশের প্রধান রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে কে কোন মতাদর্শের পক্ষে কাজ করছেন এবং কার প্রকৃত রাজনৈতিক পরিচয় কী—তা নিয়ে নানা ধরনের প্রশ্ন উঠছে। বিশেষ করে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর এই বিতর্ক আরও তীব্র আকার ধারণ করেছে, যা মাঠের রাজনীতিতে এক ধরনের অস্বস্তি তৈরি করছে।

বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতাদের বক্তব্যে এখন প্রায়শই প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে সুপ্ত ও গোপন কর্মকাণ্ডের অভিযোগ শোনা যাচ্ছে। কার রাজনৈতিক আনুগত্য কোথায় এবং পর্দার আড়ালে কারা কলকাঠি নাড়ছেন, তা নিয়ে চলছে তীব্র বাকবিতণ্ডা। দলগুলোর মধ্যে পারস্পরিক আস্থার সংকটের কারণে এই ধরনের অভিযোগের মাত্রা দিন দিন আরও বৃদ্ধি পাচ্ছে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

এসব বিতর্কের মূল কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলে অনুপ্রবেশকারী এবং প্রক্সি রাজনীতি নিয়ে নানা জল্পনা-কল্পনা। এক দল অন্য দলের নেতাকর্মীদের নিজেদের শিবিরে ভিড়িয়ে সুবিধা নেওয়ার চেষ্টা করছে কি না, তা নিয়ে প্রকাশ্যে পাল্টাপাল্টি অভিযোগ করছেন নেতারা। এর ফলে সাধারণ কর্মী ও সমর্থকদের মধ্যেও বিভ্রান্তি তৈরি হচ্ছে এবং দলের আদর্শিক অবস্থান নিয়ে নানা প্রশ্ন দেখা দিচ্ছে।

রাজনীতিতে এই ধরনের গোপন তৎপরতা ও প্রক্সি প্রথার চর্চা দীর্ঘমেয়াদে সুস্থ গণতান্ত্রিক পরিবেশের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ তৈরি করতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করছেন সংশ্লিষ্টরা। তারা মনে করছেন, এই ধরণের অবিশ্বাস ও সন্দেহ দূর করতে দলগুলোকে আরও স্বচ্ছতা বজায় রাখতে হবে। অন্যথায় রাজনৈতিক অঙ্গনে দীর্ঘস্থায়ী অস্থিরতা বিরাজ করার ঝুঁকি থেকেই যাবে।