October 27, 2026, 8:34 pm
শিরোনাম :
ওলামা অ্যালায়েন্সের ভারপ্রাপ্ত সদস্যসচিব ইনজিমামুল, সাংগঠনিক সম্পাদক মাহমুদ ২০৩০ সালের মধ্যে ১০ হাজার মেগাওয়াট নবায়নযোগ্য জ্বালানির লক্ষ্য সরকারের: বিদ্যুৎমন্ত্রী ঢাকা টেস্ট যেন নিজেদের প্রমাণের পরীক্ষা স্টার্কের ৬ বলে ৪ উইকেট, কেপটাউনে দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তন অস্ট্রেলিয়ার ফ্রান্সের পথে পথে বাংলাদেশের ‘পথের বন্ধু’ বাণিজ্য মেলার মাঠে সচিবালয় স্থানান্তরের প্রতিবাদ, যন্ত্রাংশ ও দুটি গাড়ি নিয়ে গেলেন শেকৃবির শিক্ষার্থীরা জুলাই গণ–অভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘরে চালু হলো বিনা মূল্যে হুইলচেয়ার সেবা হামলা বন্ধে হুথিদের ১০০ কোটি ডলার দেওয়ার প্রস্তাব সৌদির জিপিএ–৫ পাওয়া ১৩৫ শিক্ষার্থী ও চা–দোকানি মা-বাবাকে সংবর্ধনা যে লাউ সেই কদু

খাইবার পাখতুনখাওয়া জরুরি অবস্থা এড়ানোর সুযোগ খুব কম: পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

Reporter Name

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখাওয়া প্রদেশে চলমান নিরাপত্তা সংকটের জরে জরুরি অবস্থা জারি করার আশঙ্কা দিন দিন তীব্র হচ্ছে। সম্প্রতি সংবাদমাধ্যমের প্রতিনিধিদের সঙ্গে এক অনানুষ্ঠানিক আলাপচারিতায় দেশের বর্তমান আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে কথা বলেন দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহসিন নকভি। সে সময় তাকে প্রশ্ন করা হয়েছিল যে প্রদেশটিতে জরুরি অবস্থা ঘোষণা এড়ানো সম্ভব কি না, যার জবাবে তিনি অত্যন্ত সতর্ক অবস্থান ব্যক্ত করেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহসিন নকভি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন যে, খাইবার পাখতুনখাওয়া প্রদেশে জরুরি অবস্থা এড়িয়ে যাওয়ার মতো অনুকূল পরিবেশ বা সুযোগ বর্তমানে খুবই কম রয়েছে। সেখানকার সার্বিক পরিস্থিতি এতটাই জটিল আকার ধারণ করেছে যে প্রশাসনকে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার কথা ভাবতে হচ্ছে। তবে ঠিক কোন কোন সুনির্দিষ্ট কারণে এই চরম সিদ্ধান্ত নিতে হতে পারে, সে বিষয়ে তিনি তাৎক্ষণিকভাবে বিস্তারিত কোনো ব্যাখ্যা দেননি।

বিশ্লেষকদের মতে, পাকিস্তানের ওই সীমান্ত প্রদেশে সন্ত্রাসী কার্যক্রম এবং অন্যান্য অস্থিরতা দীর্ঘদিন ধরে সরকারের জন্য বড় মাথাব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। ফলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে প্রাদেশিক বা কেন্দ্রীয় সরকারের পক্ষ থেকে জরুরি পদক্ষেপ নেওয়ার গুঞ্জন বেশ কিছুদিন ধরেই শোনা যাচ্ছিল। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সাম্প্রতিক এই মন্তব্য সেই জল্পনাকে আরও অনেক বেশি বাড়িয়ে দিয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

আগামী দিনে দেশটির সরকারের পক্ষ থেকে এই বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো বড় ঘোষণা আসতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। খাইবার পাখতুনখাওয়ার জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং প্রাদেশিক প্রশাসনের যৌথ উদ্যোগে কী ধরনের কৌশল গ্রহণ করা হয়, এখন সেটাই দেখার বিষয়। সার্বিক পরিস্থিতি গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করছে সংশ্লিষ্ট মহলগুলো।