October 28, 2026, 11:48 am
শিরোনাম :
বিমান চলাচলের নিরাপত্তায় বিনিয়োগ জাতীয় অগ্রগতির ভিত্তি: প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা আইইডিসিআর পরিচালককে মারধর চিকিৎসাসেবার ইতিহাসে কালো অধ্যায়: জামায়াত আমির স্থানীয় নির্বাচনে এককভাবে লড়বে এনসিপি: নাহিদ ইসলাম জয়-পুতুলসহ আটজনের মামলায় সিআরআইয়ের আয়কর নথি জব্দের আদেশ রমজানে নিত্যপণ্যের সরবরাহ স্বাভাবিক থাকবে: বাণিজ্যমন্ত্রী ঠাকুরগাঁও উপনির্বাচন নিয়ে উদ্বিগ্ন হওয়ার কারণ নেই: ইসি সচিব ‘সিন্ডিকেট’ ভাঙায় পাঠ্যবই মুদ্রণে বাঁচল ১৪ কোটি টাকা স্ট্রেচারে করে মাঠ ছাড়লেন হৃদয় এশিয়া কাপ আর্চারিতে বাংলাদেশের মেয়েদের সোনা জয় গাজা-লেবানন-সিরিয়ায় দখল বজায় রাখা, ইরানকে দুর্বল করা: নেতানিয়াহুর ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা

কিশোরগঞ্জে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে জামায়াতের মতবিনিময়

Reporter Name

জাতীয় ডেস্ক: আসন্ন শারদীয় দুর্গোৎসব অত্যন্ত শান্তিপূর্ণ পরিবেশে উদ্‌যাপন এবং দীর্ঘদিনের ধর্মীয় সম্প্রীতি অটুট রাখার লক্ষ্যে কিশোরগঞ্জে হিন্দু সম্প্রদায়ের নেতাদের সঙ্গে একটি বিশেষ মতবিনিময় সভা করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। সম্প্রতি জেলা শহরের নগুয়া এলাকায় অবস্থিত জেলা জামায়াত কার্যালয়ে এই গুরুত্বপূর্ণ সভাটি আয়োজিত হয়। স্থানীয় সনাতন ধর্মাবলম্বী বিভিন্ন প্রতিনিধি ও জামায়াতের শীর্ষস্থানীয় নেতৃবৃন্দের উপস্থিতিতে সভাটি সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে সম্পন্ন হয়েছে।

জেলা জামায়াতের আমির অধ্যাপক রমজান আলীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই সভায় সংগঠনের পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন জেলা জামায়াতের নায়েবে আমির অধ্যক্ষ মাওলানা আজিজুল হক, সেক্রেটারি মাওলানা নাজমুল ইসলাম এবং জেলা হিন্দু বিভাগের সেক্রেটারি কৃষ্ণ চন্দ্র বসাক। এছাড়া সনাতন ধর্মাবলম্বী সম্প্রদায়ের পক্ষে সিদ্ধেশ্বরী কালীবাড়ি মন্দিরের সভাপতি রতন কুমার দাস, হিন্দু যুব মহাজোটের সাধারণ সম্পাদক কাজল দাস, গৌর নিতাই আখড়ার সাধারণ সম্পাদক সুনীল মুদকসহ বিভিন্ন মন্দিরের নেতৃবৃন্দ ও বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ অংশগ্রহণ করেন।

সভার মূল আলোচনার বিষয়বস্তু ছিল আসন্ন দুর্গাপূজা ঘিরে এলাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং সব ধরনের সামাজিক সৌহার্দ্য বজায় রাখা। বক্তারা পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ ও ভ্রাতৃত্বের বন্ধন সুদৃঢ় করার ওপর বিশেষ জোর দেন এবং এলাকার সব মানুষের মধ্যে সুসম্পর্ক ও পারস্পরিক সহযোগিতা অব্যাহত রাখার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন। কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা ছাড়াই যাতে উৎসবমুখর পরিবেশে মানুষ নিজ নিজ ধর্ম পালন করতে পারে, সে বিষয়ে সবাই একমত পোষণ করেন।

উপস্থিত নেতারা তাদের বক্তব্যে উল্লেখ করেন যে, বাংলাদেশে বসবাসরত সব নাগরিকের সমান অধিকার রয়েছে এবং ধর্মীয় পরিচয় নির্বিশেষে সবার শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান নিশ্চিত করা সমাজের প্রতিটি দায়িত্বশীল নাগরিকের কর্তব্য। আয়োজকদের পক্ষ থেকে পূজামণ্ডপগুলোর নিরাপত্তা ও সার্বিক সহযোগিতায় পাশে থাকার প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়। পরিশেষে, একটি আনন্দঘন ও উৎসবমুখর পরিবেশে এবারের দুর্গাপূজা সম্পন্ন হবে এমনটাই আশা প্রকাশ করেন সভার সকল অংশগ্রহণকারী।