October 28, 2026, 2:02 pm
শিরোনাম :
সরকারি চাকরিজীবীদের নতুন পে-স্কেল দিতে বাড়তি টাকা কোথা থেকে আনছে সরকার? নার্সিসিস্টিক অ্যাবিউজের কারণে মস্তিষ্কের যে ধরনের ক্ষতি হয় ‘আওয়ামী স্টাইলে দেশ চালাতে চাইলে পরিণতিও তাদের মতোই হবে’ দক্ষ জনশক্তি গড়তে কর্মমুখী শিক্ষায় গুরুত্ব দিতে বললেন রাষ্ট্রপতি ভোজ্যতেলের দাম বৃদ্ধির আপাতত পরিকল্পনা নেই, জানালেন বাণিজ্যমন্ত্রী যে কারণে ২৫টি টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজের দ্বিতীয় শিফট স্থগিত করল সরকার টোকিওর মতো পরিচ্ছন্ন ঢাকা গড়তে চায় সরকার: প্রধানমন্ত্রী দেশ মাফিয়া রাষ্ট্রে পরিণত হয়েছে: নাহিদ ইসলাম ৫ বছরে এক কোটি মানুষ বিদেশে পাঠানোর লক্ষ্য: প্রবাসীকল্যাণমন্ত্রী বিমান চলাচলের নিরাপত্তায় বিনিয়োগ জাতীয় অগ্রগতির ভিত্তি: প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা

ককপিটে সহকারী পাইলটের হামলা, ১২ মিনিটের লড়াইয়ে বাঁচল ১৭৪ প্রাণ

Reporter Name

ফ্লাইদুবাইয়ের একটি বাণিজ্যিক উড়োজাহাজ আকাশে থাকা অবস্থায় চরম ঝুঁকিপূর্ণ পরিস্থিতির মুখে পড়ে। বিমানটির ককপিটের ভেতরেই সহকারী পাইলটের হঠাৎ আগ্রাসী ও অস্বাভাবিক আচরণ এক ভীতিকর পরিবেশ সৃষ্টি করে। বিমান পরিচালনার দায়িত্বে থাকা মূল ক্যাপ্টেন এই আকস্মিক আক্রমণের শিকার হয়ে গুরুতর আহত হন। ফলে মুহূর্তেই শত শত যাত্রীর জীবন গভীর সংকটের মধ্যে পড়ে যায় এবং বড় ধরনের একটি বিমান দুর্ঘটনার আশঙ্কা তৈরি হয়।

সহকারী পাইলটের এই আকস্মিক হানার মুখে জীবন বাঁচাতে ও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে ক্যাপ্টেন অত্যন্ত সাহসিকতার সঙ্গে লড়াই চালিয়ে যান। প্রায় বারো মিনিট ধরে চলা এই ধস্তাধস্তিতে ককপিটে চরম বিশৃঙ্খলা দেখা দেয়। তবে আহত হওয়া সত্ত্বেও ক্যাপ্টেন শেষ পর্যন্ত বিমানের নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখতে আপ্রাণ চেষ্টা করেন। পাইলটদের এই মারাত্মক দ্বন্দ্বের কারণে পুরো বিমানটিতে তীব্র আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং যাত্রীদের মধ্যে ত্রাস সৃষ্টি হয়।

ককপিটের এই বিপজ্জনক পরিস্থিতিতে জীবন বাঁচাতে এগিয়ে আসেন সাধারণ যাত্রীরা। বিমানটির ভেতরে থাকা যাত্রীদের সম্মিলিত প্রতিরোধ এবং বিশেষ করে এক কলমিস্ত্রির অসীম সাহসিকতা পরিস্থিতি বদলে দেয়। ওই কলমিস্ত্রি নিজের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ককপিটে প্রবেশ করেন এবং হামলাকারী সহকারী পাইলটকে দমন করতে সাহায্য করেন। যাত্রীদের এই সময়োপযোগী ও সাহসী হস্তক্ষেপে শেষ পর্যন্ত বড় ধরনের বিপর্যয় এড়ানো সম্ভব হয়।

পরবর্তীতে সকল বাধা অতিক্রম করে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত ও আতঙ্কজনক পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যাওয়া উড়োজাহাজটি নিরাপদে অবতরণ করতে সক্ষম হয়। এই রোমহর্ষক ঘটনায় বিমানের ১৭৪ জন যাত্রী এবং ক্রু সদস্য প্রাণে বেঁচে যান। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এই ঘটনার পর বিমান নিরাপত্তার বিষয়টি নিয়ে গভীরভাবে পর্যালোচনা শুরু করেছে এবং এ ধরনের আকস্মিক ঝুঁকি রোধে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণের কথা ভাবছে।