October 27, 2026, 8:28 pm
শিরোনাম :
২০৩০ সালের মধ্যে ১০ হাজার মেগাওয়াট নবায়নযোগ্য জ্বালানির লক্ষ্য সরকারের: বিদ্যুৎমন্ত্রী ঢাকা টেস্ট যেন নিজেদের প্রমাণের পরীক্ষা স্টার্কের ৬ বলে ৪ উইকেট, কেপটাউনে দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তন অস্ট্রেলিয়ার ফ্রান্সের পথে পথে বাংলাদেশের ‘পথের বন্ধু’ বাণিজ্য মেলার মাঠে সচিবালয় স্থানান্তরের প্রতিবাদ, যন্ত্রাংশ ও দুটি গাড়ি নিয়ে গেলেন শেকৃবির শিক্ষার্থীরা জুলাই গণ–অভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘরে চালু হলো বিনা মূল্যে হুইলচেয়ার সেবা হামলা বন্ধে হুথিদের ১০০ কোটি ডলার দেওয়ার প্রস্তাব সৌদির জিপিএ–৫ পাওয়া ১৩৫ শিক্ষার্থী ও চা–দোকানি মা-বাবাকে সংবর্ধনা যে লাউ সেই কদু আরব অধ্যুষিত এলাকায় ভোটার উপস্থিতি বেশি, উদ্বিগ্ন নেতানিয়াহু

আত্মসাৎ করা অর্থ বিনিয়োগের অভিযোগ, সম্পদ বাজেয়াপ্ত নিয়ে আপিল দ্রুত নিষ্পত্তি চায় ইউএই

Reporter Name

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে বিভিন্ন মাধ্যমে আত্মসাৎ করে নিয়ে যাওয়া অর্থ বাংলাদেশের কয়েকটি বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানে বিনিয়োগ করা হয়েছে বলে জোরালো অভিযোগ উঠেছে। এই অবৈধ লেনদেন এবং অর্থ পাচারের বিষয়টি উদঘাটনের পর সংশ্লিষ্ট শেয়ার ও সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার প্রক্রিয়া শুরু হয়। পরবর্তীতে এই আইনি পদক্ষেপের বিরুদ্ধে করা আপিলগুলো দ্রুত শুনানি সম্পন্ন করে নিষ্পত্তি করার জন্য বাংলাদেশের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে বিশেষভাবে সহযোগিতা কামনা করেছে মধ্যপ্রাচ্যের এই দেশটি।

উভয় দেশের কূটনৈতিক ও আইনি মহলের সূত্রে জানা গেছে, আর্থিক অপরাধ দমন এবং অবৈধভাবে অর্জিত সম্পদ পুনরুদ্ধারের প্রক্রিয়ায় পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধির অংশ হিসেবে এই তাগিদ দেওয়া হয়েছে। গত কয়েক বছর ধরে বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির মাধ্যমে দেশ থেকে অর্থ পাচার হওয়ার যে অভিযোগ রয়েছে, তার সঙ্গে জড়িত সম্পদ জব্দের পর আইনি জটিলতার কারণে চূড়ান্ত ফয়সালা ঝুলে থাকে। এই পরিস্থিতি এড়াতে এবং অপরাধের শিকার সম্পদ দ্রুত সংশ্লিষ্ট রাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণে নিতে আপিল মামলার দ্রুত নিষ্পত্তি এখন অন্যতম প্রধান অগ্রাধিকার হিসেবে দেখা হচ্ছে।

সংশ্লিষ্ট বিশ্লেષকদের মতে, পাচার হওয়া অর্থ ও সম্পদ পুনরুদ্ধারের ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। সংযুক্ত আরব আমিরাতের এই উদ্যোগের ফলে দুই দেশের আর্থিক গোয়েন্দা সংস্থা এবং আইন প্রয়োগকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যকার পারস্পরিক যৌথ কার্যক্রম আরও গতিশীল হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এর মাধ্যমে ভবিষ্যতে এ ধরনের আর্থিক অপরাধ রোধ করা এবং বিদেশে লুকানো অবৈধ সম্পদ দেশে ফিরিয়ে আনার পথ সুগম হবে।

আইনি প্রক্রিয়া দ্রুত শেষ হলে বাজেয়াপ্ত করা শেয়ার ও সম্পত্তির বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া সহজ হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। খুব শীঘ্রই উভয় পক্ষের উচ্চপর্যায়ের আলোচনার মাধ্যমে এই আপিল মামলার জট খুলে একটি গ্রহণযোগ্য সমাধান বের হয়ে আসবে বলে আশা প্রকাশ করা হচ্ছে। এর মধ্য দিয়ে দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের ক্ষেত্রে অপরাধ দমন ও অর্থ পুনরুদ্ধার সংক্রান্ত সহযোগিতা এক নতুন মাত্রায় উন্নীত হবে।