October 28, 2026, 9:40 am
শিরোনাম :
গাজা-লেবানন-সিরিয়ায় দখল বজায় রাখা, ইরানকে দুর্বল করা: নেতানিয়াহুর ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা বিএনপি ও কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের পদ্ধতি একই, তারা যেন একই মুদ্রার এপিঠ-ওপিঠ: ব্যারিস্টার আরমান ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনই ইসির সক্ষমতার পরীক্ষা: ১১ দলীয় ঐক্য ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচন কাল, নিরাপত্তায় ড্রোন ও ডগ স্কোয়াড বল প্রয়োগের শক্তিই হলো ‘বলের মাত্রা’ বিদ্যুৎ বিপর্যয়ের কারণ জানতে এবার উচ্চপর্যায়ের কমিটি গাজীপুর কর অঞ্চলে চাকরি, পদ ৩৪ মুরাদনগর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর আকস্মিক পরিদর্শন, ৫ চিকিৎসকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ কম্বোডিয়া থেকে ৯ মাসে বহিষ্কার তিন হাজারের বেশি বাংলাদেশি, আলোচনায় সাইবার স্ক্যাম জনগণের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে কারো অবৈধ সাম্রাজ্য টিকানোর দায়িত্ব পুলিশের নয়: হাসনাত আবদুল্লাহ

৩ মাস ধরে ইন্টারনেট নেই ৮৩ বিদ্যালয়ে

Reporter Name

জাতীয় ডেস্ক: নওগাঁর সাপাহার উপজেলার ৮৩টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ইন্টারনেট সংযোগ থাকলেও তা দীর্ঘদিন ধরে সম্পূর্ণ অচল হয়ে পড়ে আছে। ফলে উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষকদের ডিজিটাল হাজিরা প্রদান, দাপ্তরিক যোগাযোগ এবং অন্যান্য অনলাইনভিত্তিক কার্যক্রমে মারাত্মক স্থবিরতা দেখা দিয়েছে। মূলত সার্ভারে ত্রুটি দেখা দেওয়ার কারণে এই অচলাবস্থার সৃষ্টি হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। দীর্ঘদিন ধরে এই গুরুত্বপূর্ণ সেবাটি বন্ধ থাকায় শিক্ষক ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোকে প্রযুক্তির আওতায় আনার উদ্যোগ ব্যাহত হওয়ায় মাঠপর্যায়ে অসন্তোষ তৈরি হয়েছে।

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি অধিদপ্তর এবং প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের যৌথ উদ্যোগে বাস্তবায়িত ‘ডিজিটাল সংযোগ স্থাপন (ইডিসি)’ প্রকল্পের আওতায় এসব প্রতিষ্ঠানে উচ্চগতির ইন্টারনেট সেবা চালুর কথা ছিল। এই লক্ষ্য বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে গত বছর উভয় দপ্তরের মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছিল। প্রকল্পটির মূল উদ্দেশ্য ছিল দেশের প্রতিটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এন্ড ইউজার কানেকটিভিটির মাধ্যমে নিরবচ্ছিন্ন ইন্টারনেট সংযোগ নিশ্চিত করা। কিন্তু সংযোগ স্থাপনের পর পরই বড় ধরনের কারিগরি ত্রুটি দেখা দেওয়ায় শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা এই ডিজিটাল সেবার সুফল থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।

শিক্ষকদের অভিযোগ, ইন্টারনেট সেবা চালুর প্রাথমিক পর্যায়ে দাপ্তরিক কাজের গতি অনেকখানি বেড়ে গিয়েছিল এবং সবকিছু অনলাইনে করা সহজ হয়েছিল। কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতির কারণে তাদের বাধ্য হয়ে বিকল্প উপায়ে বা নিজেদের উদ্যোগে ব্যক্তিগত সংযোগ ব্যবহার করে দাপ্তরিক কাজ পরিচালনা করতে হচ্ছে। সাপাহার মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আমিরুল ইসলাম জানান, ইন্টারনেট না থাকায় কাজের স্বাভাবিক গতি নষ্ট হচ্ছে। একই ধরনের হতাশার কথা প্রকাশ করে দমদমা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জাকারিয়া আলম বলেন, বর্তমান এই অচলাবস্থার কারণে তারা চরম প্রশাসনিক জটিলতার মধ্যে পড়েছেন।

এ বিষয়ে সাপাহার উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ওয়াহেদুল্লাহ প্রামাণিক জানিয়েছেন যে বিভিন্ন বিদ্যালয় থেকে এই ইন্টারনেট সমস্যার কথা তারা বারবার জানতে পেরেছেন। বিষয়টি ইতিমধ্যে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ ও সংশ্লিষ্টদের অবহিত করা হয়েছে এবং তারা আগামী কয়েকদিনের মধ্যে সমস্যা সমাধানের জোরালো আশ্বাস দিয়েছেন। অন্যদিকে, এই প্রকল্পের সঙ্গে যুক্ত প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান ড্রিক্স আইসিটি লিমিটেডের প্রকৌশলী শওকত হোসেন সুইট দাবি করেছেন যে সার্ভারে কিছু জটিলতা তৈরি হয়েছে যা নিরসনের কাজ চলছে, তবে দীর্ঘ তিন মাস ধরে সংযোগ বন্ধ থাকার বিষয়টি সঠিক নয়। দ্রুত সার্ভার ঠিক করে নিরবচ্ছিন্ন ইন্টারনেট সেবা ফিরিয়ে আনার জোর দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় শিক্ষকরা।