October 28, 2026, 10:01 am
শিরোনাম :
স্ট্রেচারে করে মাঠ ছাড়লেন হৃদয় এশিয়া কাপ আর্চারিতে বাংলাদেশের মেয়েদের সোনা জয় গাজা-লেবানন-সিরিয়ায় দখল বজায় রাখা, ইরানকে দুর্বল করা: নেতানিয়াহুর ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা বিএনপি ও কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের পদ্ধতি একই, তারা যেন একই মুদ্রার এপিঠ-ওপিঠ: ব্যারিস্টার আরমান ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনই ইসির সক্ষমতার পরীক্ষা: ১১ দলীয় ঐক্য ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচন কাল, নিরাপত্তায় ড্রোন ও ডগ স্কোয়াড বল প্রয়োগের শক্তিই হলো ‘বলের মাত্রা’ বিদ্যুৎ বিপর্যয়ের কারণ জানতে এবার উচ্চপর্যায়ের কমিটি গাজীপুর কর অঞ্চলে চাকরি, পদ ৩৪ মুরাদনগর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর আকস্মিক পরিদর্শন, ৫ চিকিৎসকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ

সুন্দরবন রক্ষায় সমন্বিত চেষ্টা দরকার

Reporter Name

জাতীয় ডেস্ক: সুন্দরবনের ভঙ্গুর প্রতিবেশ রক্ষা এবং উপকূলীয় অঞ্চলের তীব্র পানির সংকট মোকাবেলায় সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের যৌথ প্রচেষ্টার ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হয়েছে। সম্প্রতি প্রথম আলোর উদ্যোগে আয়োজিত এক বিশেষ আলোচনা সভায় দেশের দক্ষিণ পশ্চিমাঞ্চলের এই প্রাকৃতিক সম্পদ রক্ষায় জোরালো আহ্বান জানান বিশেষজ্ঞরা। তারা বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের বহুমুখী প্রভাবে সুন্দরবন আজ মারাত্মক হুমকির মুখে পড়েছে, যা সমগ্র উপকূলীয় অঞ্চলের জীববৈচিত্র্যকে বিপন্ন করে তুলছে।

আলোচনা সভায় বক্তারা উল্লেখ করেন যে, সুন্দরবনের চারপাশের নদীগুলোতে লবণাক্ততা আশঙ্কাজনকভাবে বেড়ে যাওয়ায় মিষ্টি পানির তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। এর ফলে একদিকে যেমন বনের উদ্ভিদ ও বন্যপ্রাণী ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে, অন্যদিকে স্থানীয় জনপদগুলোর মানুষের দৈনন্দিন জীবন ও জীবিকাও চরম সংকটের মধ্যে পড়েছে। মিষ্টি পানির এই অভাব দূর করতে দীর্ঘমেয়াদী ও বিজ্ঞানসম্মত পরিকল্পনা গ্রহণের জন্য নীতিনির্ধারকদের প্রতি অনুরোধ জানানো হয়।

বিশেষজ্ঞরা আরও মত প্রকাশ করেন যে, কেবল সরকারি উদ্যোগে এই বিশাল সমস্যার সমাধান সম্ভব নয়, এর জন্য স্থানীয় জনগোষ্ঠী ও বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থাসহ সবাইকে একযোগে কাজ করতে হবে। সুন্দরবনের নদীনালাগুলোর স্বাভাবিক প্রবাহ ফিরিয়ে আনা এবং বনসংলগ্ন এলাকার মানুষের জন্য নিরাপদ পানির উৎস নিশ্চিত করার ওপর তারা গুরুত্বারোপ করেন। পাশাপাশি, বন ধ্বংসকারী অবৈধ কার্যক্রম কঠোরভাবে দমনের মাধ্যমে প্রাকৃতিক ভারসাম্য বজায় রাখার তাগিদ দেওয়া হয়।

অনুষ্ঠানের শেষ পর্যায়ে বক্তারা আশা প্রকাশ করেন যে, সময়োপযোগী পদক্ষেপ গ্রহণ এবং সঠিক তদারকির মাধ্যমে সুন্দরবনের হারানো সৌন্দর্য ও জীববৈচিত্র্য পুনরুদ্ধার করা সম্ভব। উপকূলের লাখো মানুষের জীবনযাত্রার মানোন্নয়ন এবং সুন্দরবনের দীর্ঘস্থায়ী সুরক্ষায় এই ধরনের সংলাপ ও সচেতনতামূলক কার্যক্রম অব্যাহত রাখার ওপরও গুরুত্বারোপ করা হয়।