October 28, 2026, 2:06 pm
শিরোনাম :
সরকারি চাকরিজীবীদের নতুন পে-স্কেল দিতে বাড়তি টাকা কোথা থেকে আনছে সরকার? নার্সিসিস্টিক অ্যাবিউজের কারণে মস্তিষ্কের যে ধরনের ক্ষতি হয় ‘আওয়ামী স্টাইলে দেশ চালাতে চাইলে পরিণতিও তাদের মতোই হবে’ দক্ষ জনশক্তি গড়তে কর্মমুখী শিক্ষায় গুরুত্ব দিতে বললেন রাষ্ট্রপতি ভোজ্যতেলের দাম বৃদ্ধির আপাতত পরিকল্পনা নেই, জানালেন বাণিজ্যমন্ত্রী যে কারণে ২৫টি টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজের দ্বিতীয় শিফট স্থগিত করল সরকার টোকিওর মতো পরিচ্ছন্ন ঢাকা গড়তে চায় সরকার: প্রধানমন্ত্রী দেশ মাফিয়া রাষ্ট্রে পরিণত হয়েছে: নাহিদ ইসলাম ৫ বছরে এক কোটি মানুষ বিদেশে পাঠানোর লক্ষ্য: প্রবাসীকল্যাণমন্ত্রী বিমান চলাচলের নিরাপত্তায় বিনিয়োগ জাতীয় অগ্রগতির ভিত্তি: প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা

সাজেক সড়কের অবরোধ প্রত্যাহার, স্বাভাবিক হচ্ছে যান চলাচল

Reporter Name

জাতীয় ডেস্ক: রাঙামাটির জনপ্রিয় পর্যটনকেন্দ্র সাজেকে স্থানীয় দুটি সংগঠনের ডাকা সড়ক অবরোধ কর্মসূচি অবশেষে প্রত্যাহার করা হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে দীর্ঘ আলোচনা ও ফলপ্রসূ বৈঠকের পর সাজেক কার্বারী অ্যাসোসিয়েশন এবং সাজেক গণঅধিকার রক্ষা কমিটি এই সিদ্ধান্ত নেয়। পূর্বঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী সাজেক সড়কে অনির্দিষ্টকালের জন্য এই অবরোধ শুরু হলেও মাত্র একদিন পরই তা তুলে নেওয়া হয়। এর ফলে পাহাড়ি এই জনপদে যোগাযোগ ব্যবস্থা স্বাভাবিক হওয়ার পাশাপাশি পর্যটন খাতের অচলাবস্থা কাটতে শুরু করেছে।

এর আগে গত ১০ অক্টোবর দুপুরে সাজেক কার্বারী অ্যাসোসিয়েশন ও সাজেক গণঅধিকার রক্ষা কমিটির পক্ষ থেকে এক যৌথ বিবৃতিতে অনির্দিষ্টকালের অবরোধের ডাক দেওয়া হয়েছিল। মূলত পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির বা জেএসএস সন্তু গ্রুপেরে সদস্যদের সশস্ত্র উপস্থিতি ও তৎপরতাকে কেন্দ্র করে স্থানীয়দের মধ্যে ক্রমবর্ধমান অস্থিরতা ও নিরাপত্তা হীনতার অভিযোগ তুলে এই কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়। এরও আগে গত ৮ অক্টোবর উজোবাজার এলাকায় আয়োজিত এক প্রতিবাদ সমাবেশ থেকে প্রশাসনের কাছে নির্দিষ্ট কিছু দাবি জানিয়ে ৪৮ ঘণ্টার সময় বেঁধে দিয়েছিল স্থানীয়রা। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সেই দাবিগুলো পুরোপুরি বাস্তবায়িত না হওয়ায় ক্ষুব্ধ হয়ে তারা কঠোর এই আন্দোলনের পথ বেছে নেন।

হঠাৎ এই অবরোধ কর্মসূচির কারণে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে সাজেক ভ্রমণে যাওয়া প্রায় বারোশ চারজন পর্যটক চরম দুর্ভোগ ও অনিশ্চয়তার মুখে পড়েন। যাতায়াত বন্ধ থাকায় তারা নির্ধারিত সময়ে রিসোর্ট বা হোটেল ছেড়ে গন্তব্যে ফিরতে পারেননি। তবে পর্যটকদের সার্বিক নিরাপত্তা ও সুরক্ষা নিশ্চিত করতে দ্রুত এগিয়ে আসে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। বাঘাইহাট সেনা জোনের দায়িত্বশীল কর্মকর্তাদের তত্ত্বাবধানে আটকে পড়া সকল পর্যটককে অত্যন্ত নিরাপদে ও সুশৃঙ্খলভাবে খাগড়াছড়িতে ফিরিয়ে নেওয়া হয়।

বাঘাইহাট সেনা জোনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে পর্যটকদের নিরাপত্তায় সেনাবাহিনী সবসময় সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে এবং ভবিষ্যতেও পর্যটকদের সহায়তায় এই ধরনের উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে। এদিকে সাজেক থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তোফাজ্জল হোসেন গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন যে অবরোধ চলাকালীন সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে ছিল। তিনি আরও জানান যে বর্তমানে সাজেক সড়কে যান চলাচল সম্পূর্ণ স্বাভাবিক রয়েছে এবং দেশের যেকোনো প্রান্ত থেকে পর্যটকরা এখন নিরাপদে সাজেক ভ্রমণ করতে পারবেন।