October 29, 2026, 4:14 am
শিরোনাম :
যুক্তরাষ্ট্র সফর শেষে দেশে ফিরলেন হুইপ জি কে গউছ মাতারবাড়ী হয়ে ‘সেভেন সিস্টার্সে’র সঙ্গে সংযোগ জোরদার করতে চায় জাপান, যা বলল ভারত ইলিশ ধরায় নিষেধাজ্ঞা শেষ হচ্ছে, আবার সাগরে ছুটবে মাছ ধরার নৌকা গঙ্গা পানি চুক্তি নবায়নে ভারতের ওপর চাপ বাড়াচ্ছে বাংলাদেশ: এএফপির প্রতিবেদন প্রাথমিকে শিক্ষকতায় প্রকৌশলী-চিকিৎসক–এমফিল-পিএইচডিসহ ৩০ ধরনের ডিগ্রিধারীরা সরকারি দলের পক্ষে সমর্থনের অভিযোগ, ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচনে ৯ কর্মকর্তা প্রত্যাহার সুলভ সরকারি এলপিজি কোথায় যায়, কারা পায় ব্যাংক খাত ঠিক হবে তো? ফ্রান্সসহ ইউরোপে বিক্ষোভের জন্য মুসলমানরা দায়ী! স্বাধীন বাংলাদেশের সংস্কৃতির সংকট

সকালেই পড়ুন আলোচিত ৫ খবর

Reporter Name

রাজনীতি ডেস্ক: মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রীর পদ থেকে সরে দাঁড়ানোর আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিতে একটি সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেছিলেন ইশরাক হোসেন। সেখানে তিনি নিজের পদত্যাগের সিদ্ধান্তের কথা জানানোর পাশাপাশি সম্প্রতি ঘটে যাওয়া একটি আলোচিত অস্ত্রকাণ্ডের পক্ষে সাফাই গেয়ে বক্তব্য রাখেন। তার এই মন্তব্য উপস্থিত গণমাধ্যমকর্মী ও রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

এর আগে বিভিন্ন কারণে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে থাকা এই রাজনীতিবিদের অস্ত্র নিয়ে করা মন্তব্য নানা মহলে সমালোচনার সৃষ্টি করে। সংবাদ সম্মেলনে তিনি দাবি করেন, বিশেষ পরিস্থিতিতে ওই অস্ত্র প্রদর্শনের বিষয়টি ভুল ছিল না এবং তিনি এর পেছনের যুক্তিগুলো সংবাদমাধ্যমের সামনে তুলে ধরেন। রাজনৈতিক অঙ্গনে যখন অস্ত্র প্রদর্শন ও সহিংসতার বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেওয়ার কথা বলা হচ্ছে, ঠিক সেই মুহূর্তে একজন দায়িত্বশীল ব্যক্তির এমন মন্তব্য বেশ তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

অনুষ্ঠিত ওই সংবাদ সম্মেলনে ইশরাক হোসেন তার পদত্যাগের কারণ ও ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক কর্মপন্থা সম্পর্কেও সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন। তিনি জানান, ব্যক্তিগত ও রাজনৈতিক কিছু মতপার্থক্যের কারণে তিনি আর প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্বে থাকতে চান না এবং সেই কারণেই এই পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তবে পদত্যাগের মতো একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা দেওয়ার পাশাপাশি অস্ত্রকাণ্ডের পক্ষে তার এই অবস্থান গ্রহণকে অনেকেই ভিন্নভাবে দেখছেন।

তার এই বক্তব্যের পর রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যেও মিশ্র প্রতিক্রিয়া লক্ষ্য করা গেছে। বিরোধী পক্ষসহ বিভিন্ন মহল থেকে তার এই মন্তব্যের তীব্র সমালোচনা করা হলেও, তার অনুসারীরা বিষয়টি ভিন্নভাবে ব্যাখ্যা করার চেষ্টা করছেন। সবমিলিয়ে, মন্ত্রিত্ব ছাড়ার ঘোষণা এবং তার জেরে আলোচিত অস্ত্র নিয়ে করা মন্তব্য দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে বর্তমানে একটি বড় আলোচনার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।