October 28, 2026, 9:40 am
শিরোনাম :
গাজা-লেবানন-সিরিয়ায় দখল বজায় রাখা, ইরানকে দুর্বল করা: নেতানিয়াহুর ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা বিএনপি ও কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের পদ্ধতি একই, তারা যেন একই মুদ্রার এপিঠ-ওপিঠ: ব্যারিস্টার আরমান ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনই ইসির সক্ষমতার পরীক্ষা: ১১ দলীয় ঐক্য ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচন কাল, নিরাপত্তায় ড্রোন ও ডগ স্কোয়াড বল প্রয়োগের শক্তিই হলো ‘বলের মাত্রা’ বিদ্যুৎ বিপর্যয়ের কারণ জানতে এবার উচ্চপর্যায়ের কমিটি গাজীপুর কর অঞ্চলে চাকরি, পদ ৩৪ মুরাদনগর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর আকস্মিক পরিদর্শন, ৫ চিকিৎসকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ কম্বোডিয়া থেকে ৯ মাসে বহিষ্কার তিন হাজারের বেশি বাংলাদেশি, আলোচনায় সাইবার স্ক্যাম জনগণের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে কারো অবৈধ সাম্রাজ্য টিকানোর দায়িত্ব পুলিশের নয়: হাসনাত আবদুল্লাহ

মেসির এই চার রেকর্ড অমর হয়ে থাকবে

Reporter Name

খেলা ডেস্ক: দুই দশকের বেশি সময় ধরে দেশের জার্সিতে জাদুকরী পারফরম্যান্স উপহার দেওয়ার পর আন্তর্জাতিক ফুটবলকে বিদায় জানাতে প্রস্তুত হ্যালো আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়ক লিওনেল মেসি। দীর্ঘ বর্ণাঢ্য ক্যারিয়ারে তিনি কেবল দলকে ট্রফিই উপহার দেননি, বরং এমন কিছু অনন্য মাইলফলক স্পর্শ করেছেন যা আগামী দিনেও সহজে ভাঙা সম্ভব হবে না। সাম্প্রতিক সময়ে তার এই গৌরবোজ্জ্বল অধ্যায়ের শেষ প্রান্তে এসে ফুটবলবিশ্ব স্মরণ করছে তার সেই ঐতিহাসিক কীর্তিগুলোকে, যা তাকে বিশ্ব ক্রীড়াঙ্গনের অন্যতম সেরা কিংবদন্তি হিসেবে অমর করে রেখেছে।

আর্জেন্টিনার জার্সিতে গোলের পাহাড় গড়েছেন এই মহাতারকা ফরোয়ার্ড। দুই শতাধিক ম্যাচে মাঠে নেমে তিনি জড়ো করেছেন ১২৫টি গোল, যা দেশটির ফুটবল ইতিহাসে সর্বোচ্চ। একসময়ের রেকর্ডধারী গ্যাব্রিয়েল বাতিস্তুতার গোলসংখ্যাকে তিনি কেবল ছাড়িয়েই যাননি, বরং তার দ্বিগুণ অর্জনে পৌঁছে গেছেন। একই সঙ্গে দেশের হয়ে সর্বোচ্চ ম্যাচ খেলার গৌরবও তারই দখলে রয়েছে। দীর্ঘ দুই দশক ধরে জাতীয় দলের নিয়মিত মুখ হিসেবে তিনি মোট ২০৭টি ম্যাচ খেলেছেন, যা পরবর্তীতে আসা যেকোনো খেলোয়াড়ের জন্যই এক বিশাল চ্যালেঞ্জ হয়ে থাকবে।

বিশ্বকাপের মঞ্চেও মেসির রেকর্ডগুলো অত্যন্ত উজ্জ্বল এবং সমৃদ্ধ। ২০০৬ সাল থেকে শুরু করে দীর্ঘ ফুটবল যাত্রায় তিনি মোট ছয়টি বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ করে রেকর্ড ৩৪টি ম্যাচ খেলেছেন, যা টুর্নামেন্টের ইতিহাসে সর্বোচ্চ। এছাড়া বিশ্বকাপের মূল পর্বে ২১টি গোল করার পাশাপাশি তিনি এককভাবে সর্বোচ্চ ২৩টি ম্যাচ জয়ের অনন্য কীর্তি গড়েছেন। ফুটবলের এই সর্ববৃহৎ আসরে একমাত্র খেলোয়াড় হিসেবে তিনি দুই দফায় গোল্ডেন বল অর্থাৎ সেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কার জেতার গৌরব অর্জন করেছেন।

দক্ষিণ আমেরিকার বিশ্বকাপ বাছাইপর্বেও নিজের শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণ করেছেন আর্জেন্টিনার এই প্রাণভোমরা। কনমেবল বাছাইপর্বে ৭২টি ম্যাচ খেলে তিনি ৩৬টি গোল করে সর্বোচ্চ গোলদাতার আসনটি নিজের দখলে রেখেছেন। এছাড়া বাছাইপর্বে সর্বাধিক ম্যাচ খেলার রেকর্ডেও তিনি ইকুয়েডরের ইভান হুরতাদোর সঙ্গে যৌথভাবে শীর্ষে অবস্থান করছেন। সব মিলিয়ে এসব অমূল্য রেকর্ড মেসিকে কেবল আর্জেন্টিনার ফুটবল ইতিহাসেরই নয়, বরং বিশ্ব ফুটবলের অমর এক অধ্যায়ে পরিণত করেছে।