October 28, 2026, 10:00 am
শিরোনাম :
এশিয়া কাপ আর্চারিতে বাংলাদেশের মেয়েদের সোনা জয় গাজা-লেবানন-সিরিয়ায় দখল বজায় রাখা, ইরানকে দুর্বল করা: নেতানিয়াহুর ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা বিএনপি ও কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের পদ্ধতি একই, তারা যেন একই মুদ্রার এপিঠ-ওপিঠ: ব্যারিস্টার আরমান ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনই ইসির সক্ষমতার পরীক্ষা: ১১ দলীয় ঐক্য ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচন কাল, নিরাপত্তায় ড্রোন ও ডগ স্কোয়াড বল প্রয়োগের শক্তিই হলো ‘বলের মাত্রা’ বিদ্যুৎ বিপর্যয়ের কারণ জানতে এবার উচ্চপর্যায়ের কমিটি গাজীপুর কর অঞ্চলে চাকরি, পদ ৩৪ মুরাদনগর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর আকস্মিক পরিদর্শন, ৫ চিকিৎসকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ কম্বোডিয়া থেকে ৯ মাসে বহিষ্কার তিন হাজারের বেশি বাংলাদেশি, আলোচনায় সাইবার স্ক্যাম

মিয়ানমারের ১০ হাজার নাগরিককে ফেরত পাঠাল মালয়েশিয়া

Reporter Name

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশ মালয়েশিয়া থেকে মিয়ানমারের প্রায় ১০ হাজার নাগরিককে তাদের নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে। সম্প্রতি অভিবাসনসংক্রান্ত বিভিন্ন কড়াকড়ি এবং নিয়মিত অভিযانের অংশ হিসেবে এই পদক্ষেপ গ্রহণ করে কুয়ালালামপুর কর্তৃপক্ষ। বৈধ কাগজপত্র না থাকা এবং মেয়াদোত্তীর্ণ ভিসায় দেশটিতে অবস্থান করার অভিযোগে এসব বিদেশি নাগরিককে নিজ দেশে পুশব্যাক করা হয়।

জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক সংস্থা ইউএনএইচসিআর-এর তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে মালয়েশিয়ার মাটিতে প্রায় ১ লাখ ৯৩ হাজার মিয়ানমারি নাগরিক শরণার্থী হিসেবে বসবাস করছেন। এই বিশাল জনগোষ্ঠীর একটি বড় অংশই নিপীড়িত রোহিঙ্গা মুসলিম সম্প্রদায়ভুক্ত, যারা দশকের পর দশক ধরে নিজ দেশ ছেড়ে মালয়েশিয়ায় আশ্রয় নিয়ে আসছেন। তবে মালয়েশিয়া সরকার দীর্ঘদিন ধরেই অবৈধ অভিবাসী সমস্যা সমাধানে কঠোর অবস্থান বজায় রেখে চলেছে।

এর আগে মালয়েশিয়ার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং অভিবাসন বিভাগ বারবার জানিয়েছিল যে, কোনো ধরনের বৈধ কাগজপত্র ছাড়া কাউকেই দেশটিতে থাকতে দেওয়া হবে না। এই নীতির বাস্তবায়ন হিসেবেই সম্প্রতি দফায় দফায় মিয়ানমারের নাগরিকদের তাদের স্বদেশে ফেরত পাঠানোর এই বড় পদক্ষেপটি নেওয়া হয়। আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংগঠনগুলোর তরফ থেকে এ বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করা হলেও মালয়েশিয়া সরকার তাদের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা ও আইনের শাসন বজায় রাখার যুক্তিতে অনড় রয়েছে।

বিশ্লেষকদের মতে, মিয়ানমারে চলমান রাজনৈতিক সংঘাত ও গৃহযুদ্ধের কারণে সে দেশের নাগরিকদের জন্য এই প্রত্যাবর্তন অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে। অন্যদিকে, মালয়েশিয়া সরকারের দাবি—দেশের জনমিতি ও নিরাপত্তার স্বার্থে অবৈধ অভিবাসন নিয়ন্ত্রণ করা অত্যন্ত জরুরি। ভবিষ্যতে এই সংকট নিরসনে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় এবং জাতিসংঘের পক্ষ থেকে নতুন কোনো কূটনৈতিক উদ্যোগ নেওয়া হয় কি না, সেটাই এখন দেখার বিষয়।