October 28, 2026, 1:01 pm
শিরোনাম :
যে কারণে ২৫টি টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজের দ্বিতীয় শিফট স্থগিত করল সরকার টোকিওর মতো পরিচ্ছন্ন ঢাকা গড়তে চায় সরকার: প্রধানমন্ত্রী দেশ মাফিয়া রাষ্ট্রে পরিণত হয়েছে: নাহিদ ইসলাম ৫ বছরে এক কোটি মানুষ বিদেশে পাঠানোর লক্ষ্য: প্রবাসীকল্যাণমন্ত্রী বিমান চলাচলের নিরাপত্তায় বিনিয়োগ জাতীয় অগ্রগতির ভিত্তি: প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা আইইডিসিআর পরিচালককে মারধর চিকিৎসাসেবার ইতিহাসে কালো অধ্যায়: জামায়াত আমির স্থানীয় নির্বাচনে এককভাবে লড়বে এনসিপি: নাহিদ ইসলাম জয়-পুতুলসহ আটজনের মামলায় সিআরআইয়ের আয়কর নথি জব্দের আদেশ রমজানে নিত্যপণ্যের সরবরাহ স্বাভাবিক থাকবে: বাণিজ্যমন্ত্রী ঠাকুরগাঁও উপনির্বাচন নিয়ে উদ্বিগ্ন হওয়ার কারণ নেই: ইসি সচিব

বিরামপুরে বড় ভাইয়ের লাঠির আঘাতে প্রাণ গেল ছোট ভাইয়ের

Reporter Name

দিনাজপুরের বিরামপুর উপজেলায় তুচ্ছ পারিবারিক বিষয় নিয়ে দ্বন্দ্বের জেরে বড় ভাইয়ের লাঠির আঘাতে মুকুল হোসেন (৩৮) নামের এক অটোরিকশাচালক নিহত হয়েছেন। সম্প্রতি পৌর এলাকার কৃষ্টচাঁদপুর গ্রামে এই মর্মান্তিক হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। নিহত মুকুল হোসেন স্থানীয় মৃত মনির হোসেনের ছেলে এবং পেশায় একজন সাধারণ অটোরিকশাচালক ছিলেন। এই ঘটনার পর এলাকায় শোকের পাশাপাশি তীব্র চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ঘটনার দিন রাতে পারিবারিক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে বড় ভাই এ টি এম শামসুজ্জামানের সঙ্গে ছোট ভাই মুকুল হোসেনের তীব্র বাকবিতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে এই পারিবারিক বিরোধ হাতাহাতি ও সংঘর্ষে রূপ নেয়। উত্তপ্ত পরিস্থিতির মধ্যে বড় ভাই শামসুজ্জামান লাঠি দিয়ে ছোট ভাই মুকুলের মাথায় ও শরীরে আঘাত করেন, যার ফলে মুকুল গুরুতর আহত হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন।

পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা দ্রুত তাঁকে উদ্ধার করে প্রথমে বিরামপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসকরা তাঁর অবস্থার অবনতি দেখলে উন্নত চিকিৎসার জন্য দিনাজপুর এম আব্দুর রহিম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করার পরামর্শ দেন। তবে অ্যাম্বুলেন্স বা অন্য কোনো যানবাহনে করে হাসপাতালে নেওয়ার পূর্বেই ছোট ভাই মুকুল হোসেন মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন।

অভিযুক্ত বড় ভাই এ টি এম শামসুজ্জামান স্থানীয় একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হিসেবে কর্মরত রয়েছেন বলে জানা গেছে। এই ঘটনার পরপরই তিনি পরিবারের অন্য কিছু সদস্যকে সঙ্গে নিয়ে আকস্মিকভাবে বাড়ি ছেড়ে পালিয়ে যান। বর্তমানে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তাকে গ্রেফতারে বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি শুরু করেছে এবং পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে।

এই ঘটনায় নিহত মুকুলের স্ত্রী মাহমুদা বেগম বাদী হয়ে বিরামপুর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। বিরামপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুর রাজ্জাক গণমাধ্যমকে জানান, পারিবারিক বিরোধের সূত্র ধরেই এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে বলে পুলিশ প্রাথমিক তদন্তে নিশ্চিত হয়েছে। নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য দিনাজপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে এবং আইনি প্রক্রিয়া অব্যাহত রয়েছে।