October 28, 2026, 10:01 am
শিরোনাম :
স্ট্রেচারে করে মাঠ ছাড়লেন হৃদয় এশিয়া কাপ আর্চারিতে বাংলাদেশের মেয়েদের সোনা জয় গাজা-লেবানন-সিরিয়ায় দখল বজায় রাখা, ইরানকে দুর্বল করা: নেতানিয়াহুর ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা বিএনপি ও কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের পদ্ধতি একই, তারা যেন একই মুদ্রার এপিঠ-ওপিঠ: ব্যারিস্টার আরমান ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনই ইসির সক্ষমতার পরীক্ষা: ১১ দলীয় ঐক্য ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচন কাল, নিরাপত্তায় ড্রোন ও ডগ স্কোয়াড বল প্রয়োগের শক্তিই হলো ‘বলের মাত্রা’ বিদ্যুৎ বিপর্যয়ের কারণ জানতে এবার উচ্চপর্যায়ের কমিটি গাজীপুর কর অঞ্চলে চাকরি, পদ ৩৪ মুরাদনগর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর আকস্মিক পরিদর্শন, ৫ চিকিৎসকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ

বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিতে কাজ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী

Reporter Name

অর্থনীতি ডেস্ক: বাংলাদেশের উদীয়মান শিল্পখাতে বৈদেশিক বিনিয়োগ আকর্ষণের ধারা অব্যাহত রয়েছে। এর অংশ হিসেবে দেশের মাটিতে জনপ্রিয় অটোমোবাইল ব্র্যান্ড টয়োটার গাড়ি তৈরির কারখানা স্থাপনের আনুষ্ঠানিক আগ্রহ প্রকাশ করা হয়েছে। সম্প্রতি বাংলাদেশে নিযুক্ত বিভিন্ন প্রতিনিধিদলের সঙ্গে অনুষ্ঠিত বৈঠকে এই গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাবটি উত্থাপন করা হয়, যা দেশের মোটরশিল্পের প্রসারে এক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করতে পারে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশের শিল্পায়ন ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন। তিনি স্পষ্ট ভাষায় জানান যে, বর্তমান সরকার দেশে একটি প্রকৃত বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ গড়ে তুলতে বদ্ধপরিকর। দেশি কিংবা বিদেশি—যেকোনো বৈধ বিনিয়োগকারীর জন্য প্রয়োজনীয় নীতিগত সহায়তা এবং সব ধরনের সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করার বিষয়ে সরকারের পক্ষ থেকে সর্বাত্মক সহযোগিতা দেওয়া হবে বলে তিনি আশ্বস্ত করেন।

প্রধানমন্ত্রীর এমন ইতিবাচক মনোভাব ও সহযোগিতার আশ্বাসে সন্তোষ প্রকাশ করেছে বিদেশি প্রতিনিধিদলটি। তারা মনে করছেন, বাংলাদেশের ক্রমবর্ধমান বাজার এবং সরকারের অনুকূল নীতিমালার কারণে গাড়ি সংযোজন বা উৎপাদন কারখানা স্থাপন অত্যন্ত লাভজনক হতে পারে। কারখানাটি বাস্তবায়িত হলে এটি দেশের অটোমোবাইল খাতে বড় ধরনের কর্মসংস্থান এবং প্রযুক্তির স্থানান্তর ঘটাতে সহায়তা করবে।

বিশ্লেষকদের মতে, টয়োটার মতো বিশ্বখ্যাত ব্র্যান্ডের বিনিয়োগ প্রস্তাব দেশের সামগ্রিক অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে। এর মাধ্যমে আন্তর্জাতিক অন্যান্য বড় বিনিয়োগকারীরাও বাংলাদেশে বিনিয়োগে নতুন করে উৎসাহিত হবেন। সরকারের নীতিগত সহায়তা অব্যাহত থাকলে অচিরেই এই মেগা প্রকল্পের বিষয়ে আরও সুনির্দিষ্ট অগ্রগতি দেখা যাবে বলে আশা করা হচ্ছে।