October 28, 2026, 12:46 pm
শিরোনাম :
টোকিওর মতো পরিচ্ছন্ন ঢাকা গড়তে চায় সরকার: প্রধানমন্ত্রী দেশ মাফিয়া রাষ্ট্রে পরিণত হয়েছে: নাহিদ ইসলাম ৫ বছরে এক কোটি মানুষ বিদেশে পাঠানোর লক্ষ্য: প্রবাসীকল্যাণমন্ত্রী বিমান চলাচলের নিরাপত্তায় বিনিয়োগ জাতীয় অগ্রগতির ভিত্তি: প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা আইইডিসিআর পরিচালককে মারধর চিকিৎসাসেবার ইতিহাসে কালো অধ্যায়: জামায়াত আমির স্থানীয় নির্বাচনে এককভাবে লড়বে এনসিপি: নাহিদ ইসলাম জয়-পুতুলসহ আটজনের মামলায় সিআরআইয়ের আয়কর নথি জব্দের আদেশ রমজানে নিত্যপণ্যের সরবরাহ স্বাভাবিক থাকবে: বাণিজ্যমন্ত্রী ঠাকুরগাঁও উপনির্বাচন নিয়ে উদ্বিগ্ন হওয়ার কারণ নেই: ইসি সচিব ‘সিন্ডিকেট’ ভাঙায় পাঠ্যবই মুদ্রণে বাঁচল ১৪ কোটি টাকা

বিদেশি কর্মী নিয়োগে মাইক্রোসফট, ইনফোসিস, টাটাসহ আটটি কোম্পানির ওপর ওয়াশিংটনের নিষেধাজ্ঞা

Reporter Name

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: যুক্তরাষ্ট্র সরকারের পক্ষ থেকে দেশের বাজারে বিদেশি কর্মী নিয়োগের ক্ষেত্রে বড় ধরনের কড়াকড়ি আরোপ করা হয়েছে। দেশটির শ্রম মন্ত্রণালয়ের তরফ থেকে জানানো হয়েছে যে, নির্দিষ্ট কিছু নিয়মের ব্যত্যয় ঘটার কারণে কয়েকটি শীর্ষস্থানীয় বহুজাতিক প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এর অংশ হিসেবে বিশ্বখ্যাত প্রযুক্তি জায়ান্ট মাইক্রোসফট এবং ইনফোসিস ও টাটার মতো প্রভাবশালী কোম্পানিগুলোর ভিসা সংক্রান্ত কার্যক্রম স্থগিত করা হয়েছে।

মার্কিন শ্রম দপ্তরের শীর্ষ কর্মকর্তা কিথ সোন্ডারলিং সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন যে, পার্মানেন্ট লেবার সার্টিফিকেশন প্রোগ্রামের আওতায় উল্লেখিত আটটি প্রতিষ্ঠানের নতুন করে কোনো আবেদন এখন আর গ্রহণ করা হবে না। একই সঙ্গে এই প্রোগ্রামটির অধীনে পূর্বে দাখিল করা চলমান ভিসা আবেদনগুলোর প্রক্রিয়াও আপাতত সম্পূর্ণ বন্ধ রাখা হয়েছে। ফলে প্রতিষ্ঠানগুলো আপাতত এই বিশেষ ব্যবস্থার সুুবিধা থেকে বঞ্চিত থাকবে।

মূলত স্থানীয় শ্রমিকদের অধিকার রক্ষা এবং অভিবাসী কর্মী নিয়োগ প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার লক্ষ্যেই ওয়াশিংটন এই পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ মনে করছে, এই ধরনের নিষেধাজ্ঞার ফলে মার্কিন শ্রমবাজারের অভ্যন্তরীণ ভারসাম্য বজায় রাখা সহজ হবে। তবে প্রযুক্তি খাতের শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপর এমন নিষেধাজ্ঞার প্রভাব নিয়ে ইতোমধ্যে বিভিন্ন মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে।

বিশ্লেষকদের ধারণা, এই সিদ্ধান্তের ফলে উল্লেখিত কোম্পানিগুলোর ভবিষ্যৎ জনবল পরিকল্পনা এবং বৈশ্বিক প্রতিভা সংগ্রহের কৌশলে বড় ধরনের পরিবর্তন আসতে পারে। মার্কিন সরকারের এই কঠোর অবস্থান ভবিষ্যতে অন্যান্য বহুজাতিক প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্যও একটি সতর্কবার্তা হিসেবে কাজ করবে। পরিস্থিতি কোন দিকে মোড় নেয় এবং কোম্পানিগুলো এর বিপরীতে কী পদক্ষেপ নেয়, সেটাই এখন দেখার বিষয়।