October 29, 2026, 5:00 am
শিরোনাম :
ভোট দিয়ে বিএনপির প্রার্থী মির্জা ফয়সল বললেন, ‘শতভাগ জয়ের ব্যাপারে আশাবাদী’ প্রাণ-আরএফএল প্রেজেন্টস প্রিজম এআই ক্রিয়েটিভ অ্যাওয়ার্ডসের চূড়ান্ত বিচারকার্যে দেশের বিশিষ্টজনেরা পকেটে হারমোনিকা, কোথায় পাব, দাম কত যুক্তরাষ্ট্র সফর শেষে দেশে ফিরলেন হুইপ জি কে গউছ মাতারবাড়ী হয়ে ‘সেভেন সিস্টার্সে’র সঙ্গে সংযোগ জোরদার করতে চায় জাপান, যা বলল ভারত ইলিশ ধরায় নিষেধাজ্ঞা শেষ হচ্ছে, আবার সাগরে ছুটবে মাছ ধরার নৌকা গঙ্গা পানি চুক্তি নবায়নে ভারতের ওপর চাপ বাড়াচ্ছে বাংলাদেশ: এএফপির প্রতিবেদন প্রাথমিকে শিক্ষকতায় প্রকৌশলী-চিকিৎসক–এমফিল-পিএইচডিসহ ৩০ ধরনের ডিগ্রিধারীরা সরকারি দলের পক্ষে সমর্থনের অভিযোগ, ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচনে ৯ কর্মকর্তা প্রত্যাহার সুলভ সরকারি এলপিজি কোথায় যায়, কারা পায়

বিএনপি জুলাইকে ধারণ করে: প্রধানমন্ত্রী

Reporter Name

রাজনীতি ডেস্ক: দেশের বিরোধী দলগুলোর ভূমিকা নিয়ে তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করে সরকারপ্রধান বলেছেন যে, সরকার ও বিরোধী দল উভয়কেই দেশের সাধারণ মানুষ গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব প্রদান করেছে। অথচ বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে মনে হচ্ছে, বিরোধী দলগুলো কেবল গঠনমূলক সমালোচনার বদলে নেহাত বিরোধিতার খাতিরেই বিরোধিতা করে যাচ্ছে। এই ধরনের অন্ধ বিরোধিতার কারণে দেশের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হচ্ছে বলে তিনি মন্তব্য করেন। রাজধানীর ঐতিহাসিক ওসমানী উদ্যানে নবনির্মিত ‘জুলাই স্মৃতিস্তম্ভ’ উদ্বোধনের পর আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এই মন্তব্য করেন।

অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী আরও সতর্ক করে বলেন, সরকারের সমালোচনার নামে কেউ যদি এমন কোনো পথ তৈরি করে যা পুনরায় স্বৈরাচারী শাসনকে ফিরিয়ে আনার সুযোগ করে দেয়, তবে তা জাতির জন্য অত্যন্ত ভয়াবহ পরিণতি ডেকে আনবে। এ ধরনের কর্মকাণ্ড কেবল বিগত গণঅভ্যুত্থানে জীবন উৎসর্গকারী শহীদদের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা নয়, বরং একাত্তরের বীর মুক্তিযোদ্ধাদের আত্মত্যাগের প্রতিও চরম অবমাননা। দেশ ও জাতির বৃহত্তর স্বার্থে এই ধরনের ধ্বংসাত্মক রাজনৈতিক সংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে আসার সময় এসেছে বলে তিনি জোর দিয়ে জানান।

অনুষ্ঠানে বিরোধী দলের অনুপস্থিতি নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে সরকারপ্রধান উল্লেখ করেন যে, রাষ্ট্রীয় এই আয়োজনে অংশ নেওয়ার জন্য বিরোধী দলের শীর্ষ নেতা ও গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের আনুষ্ঠানিকভাবে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। সরকারি দলের মঞ্চে বসতে আপত্তি থাকলে সমস্যা নেই, কিন্তু তারা চাইলে সরাসরি শহীদ পরিবারের সদস্য ও আহত সাধারণ মানুষের পাশে এসে বসতে পারতেন। কিন্তু দুঃখজনকভাবে তাদের সেখানেও দেখা যায়নি, যা থেকে প্রতীয়মান হয় যে তারা কেবল রাজনৈতিক সুবিধা নিতে জানেন কিন্তু জুলাই অভ্যুত্থানের চেতনাকে সত্যিকার অর্থে ধারণ করেন না।

জনগণের অধিকার ও প্রতিনিধিত্বের বিষয়টি তুলে ধরে তিনি বলেন, জনগণের ভোটাধিকারের মাধ্যমেই আজ এক পক্ষ সরকার পরিচালনা করছে এবং অন্য পক্ষ বিরোধী দলের আসনে বসেছে। কেবল সরকার মানেই জনগণের স্বার্থের বিরোধী আর বিরোধী দল মানেই কেবল নিখাদ জনকল্যাণ—এই ধরনের গতানুগতিক দোষারোপের রাজনীতি থেকে রাজনৈতিক দলগুলোর বেরিয়ে আসা অত্যন্ত জরুরি। সরকার দেশবাসীর ভাগ্যোন্নয়নের জন্য আন্তরিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে উল্লেখ করে তিনি সব দলকে দেশের স্বার্থে এক হয়ে কাজ করার আহ্বান জানান।