October 28, 2026, 12:45 pm
শিরোনাম :
টোকিওর মতো পরিচ্ছন্ন ঢাকা গড়তে চায় সরকার: প্রধানমন্ত্রী দেশ মাফিয়া রাষ্ট্রে পরিণত হয়েছে: নাহিদ ইসলাম ৫ বছরে এক কোটি মানুষ বিদেশে পাঠানোর লক্ষ্য: প্রবাসীকল্যাণমন্ত্রী বিমান চলাচলের নিরাপত্তায় বিনিয়োগ জাতীয় অগ্রগতির ভিত্তি: প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা আইইডিসিআর পরিচালককে মারধর চিকিৎসাসেবার ইতিহাসে কালো অধ্যায়: জামায়াত আমির স্থানীয় নির্বাচনে এককভাবে লড়বে এনসিপি: নাহিদ ইসলাম জয়-পুতুলসহ আটজনের মামলায় সিআরআইয়ের আয়কর নথি জব্দের আদেশ রমজানে নিত্যপণ্যের সরবরাহ স্বাভাবিক থাকবে: বাণিজ্যমন্ত্রী ঠাকুরগাঁও উপনির্বাচন নিয়ে উদ্বিগ্ন হওয়ার কারণ নেই: ইসি সচিব ‘সিন্ডিকেট’ ভাঙায় পাঠ্যবই মুদ্রণে বাঁচল ১৪ কোটি টাকা

প্রশান্ত মহাসাগরের তীরে আনন্দমেলার পিকনিক, দেশি খাবার ও আড্ডায় মিললেন প্রবাসীরা

Reporter Name

প্রবাস ডেস্ক: প্রশান্ত মহাসাগরের নীল জলরাশি আর সবুজ প্রকৃতি ঘেরা মনোরম পরিবেশে যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ার সান পেদ্রো এলাকায় সম্প্রতি অনুষ্ঠিত হয়েছে প্রবাসী বাংলাদেশিদের এক আনন্দঘন মিলনমেলা। পয়েন্ট ফারমিন পার্কে আয়োজিত এই পিকনিকে লস অ্যাঞ্জেলেস ও এর আশপাশের এলাকা থেকে বিপুলসংখ্যক প্রবাসী বাংলাদেশি অংশ নেন। কর্মব্যস্ত প্রবাসজীবনের ক্লান্তি ভুলে ছুটির দিনটিতে পার্কের সবুজ চত্বরটি যেন এক টুকরো বাংলাদেশে পরিণত হয়েছিল। রাজনীতি, সমাজসেবা ও সংস্কৃতির সঙ্গে যুক্ত বিশিষ্ট ব্যক্তিসহ নানা পেশার প্রবাসীদের উপস্থিতিতে পুরো চত্বরটি উৎসবমুখর হয়ে ওঠে।

দিনভর এই আয়োজনের অন্যতম প্রধান আকর্ষণ ছিল মুখরোচক ঐতিহ্যবাহী দেশি খাবার এবং খোশগল্প। সকালের নাশতায় চটপটি, আমভর্তা, শিঙাড়া ও গরম চায়ের পাশাপাশি দুপুরের মূল খাবারে পরিবেশন করা হয় গরম ভাত বা রুটির সঙ্গে ভাজা ইলিশ মাছ ও নানা পদের কাবাব। প্রবাসের মাটিতে প্রিয়জনদের সঙ্গে বসে খাঁটি দেশি স্বাদের খাবার উপভোগ করার এই সুযোগটি উপস্থিত সবাই দারুণভাবে উপভোগ করেন। বড়দের জমজমাট আড্ডার পাশাপাশি পার্কের খোলা মাঠে শিশুদের ফুটবল খেলা ও ছোটাছুটি পুরো পরিবেশকে আরও বেশি প্রাণবন্ত করে তোলে।

এ ধরনের আয়োজনের পেছনের মূল উদ্দেশ্য সম্পর্কে বলতে গিয়ে আনন্দমেলা আয়োজক কমিটির পক্ষ থেকে জানানো হয় যে, প্রবাসীদের কর্মব্যস্ততার ভিড়ে পারস্পরিক যোগাযোগ রক্ষা করা এবং একসঙ্গে কিছু সময় কাটানোর সুযোগ করে দেওয়াই ছিল তাদের প্রধান লক্ষ্য। ক্যালিফোর্নিয়া শাখা বিএনপির সভাপতি বদরুল আলম চৌধুরী এবং সাধারণ সম্পাদক এম ওয়াহিদ রহমানসহ কমিউনিটির বিশিষ্ট নেতারা অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে এমন উদ্যোগের প্রশংসা করেন। তাদের মতে, প্রবাসের যান্ত্রিক জীবনের নানা ব্যস্ততা ও দূরত্বের দেয়াল ভেঙে এ ধরনের সামাজিক জমায়েত মানুষকে কাছাকাছি নিয়ে আসে এবং পারস্পরিক বন্ধনকে আরও সুদৃঢ় করে তোলে।

আয়োজক কমিটির অন্যতম সদস্য ও প্রধান উপদেষ্টা শিপার চৌধুরী এবং প্রধান সমন্বয়কারী জিয়া ইসলামসহ অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যক্তিরা জানান যে, প্রবাসে থেকেও নিজ দেশের ভাষা, সংস্কৃতি ও খাদ্যাভ্যাসের প্রতি বাঙালিদের টান সবসময় অটুট থাকে। বিশেষ করে নতুন প্রজন্মের শিশু-কিশোরেরা এসব আয়োজনের মাধ্যমে নিজেদের শেকড় ও সংস্কৃতির সঙ্গে পরিচিত হওয়ার দারুণ সুযোগ পায়। সব মিলিয়ে প্রশান্ত মহাসাগরের তীরে প্রকৃতির সান্নিধ্যে কাটানো এই বিশেষ দিনটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের মনে দীর্ঘস্থায়ী ও সুখকর স্মৃতির হয়ে থাকবে।