October 28, 2026, 12:14 pm
শিরোনাম :
৫ বছরে এক কোটি মানুষ বিদেশে পাঠানোর লক্ষ্য: প্রবাসীকল্যাণমন্ত্রী বিমান চলাচলের নিরাপত্তায় বিনিয়োগ জাতীয় অগ্রগতির ভিত্তি: প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা আইইডিসিআর পরিচালককে মারধর চিকিৎসাসেবার ইতিহাসে কালো অধ্যায়: জামায়াত আমির স্থানীয় নির্বাচনে এককভাবে লড়বে এনসিপি: নাহিদ ইসলাম জয়-পুতুলসহ আটজনের মামলায় সিআরআইয়ের আয়কর নথি জব্দের আদেশ রমজানে নিত্যপণ্যের সরবরাহ স্বাভাবিক থাকবে: বাণিজ্যমন্ত্রী ঠাকুরগাঁও উপনির্বাচন নিয়ে উদ্বিগ্ন হওয়ার কারণ নেই: ইসি সচিব ‘সিন্ডিকেট’ ভাঙায় পাঠ্যবই মুদ্রণে বাঁচল ১৪ কোটি টাকা স্ট্রেচারে করে মাঠ ছাড়লেন হৃদয় এশিয়া কাপ আর্চারিতে বাংলাদেশের মেয়েদের সোনা জয়

নেটওয়ার্কের বাইরে থাকলেও যোগাযোগ, স্যাটেলাইট-টু-মোবাইল সেবা চালু বাংলালিংকের

Reporter Name

প্রযুক্তি ডেস্ক: দেশের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় টেলিযোগাযোগ অপারেটর বাংলালিংক সম্প্রতি স্যাটেলাইট-টু-মোবাইল প্রযুক্তিভিত্তিক একটি নতুন যোগাযোগ সেবা চালুর ঘোষণা দিয়েছে। এই অভিনব প্রযুক্তির মাধ্যমে সাধারণ সেলুলার নেটওয়ার্কের আওতার বাইরে থাকা দুর্গম অঞ্চল এবং গভীর সমুদ্রে অবস্থানরত ব্যবহারকারীরাও নিরবচ্ছিন্নভাবে যোগাযোগ রক্ষা করতে পারবেন। মূলত স্টারলিংকের সঙ্গে কৌশলগত অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে এই আধুনিক সেবাটি চালু করা হয়েছে, যা দেশের টেলিকম খাতে এক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করল।

দীর্ঘদিন ধরে দেশের পাহাড়ি এলাকা, উপকূলীয় অঞ্চল এবং গভীর সমুদ্রে মাছ ধরতে যাওয়া জেলেদের একটি বড় সমস্যা ছিল মোবাইল নেটওয়ার্কের অনুপস্থিতি। সাধারণ টাওয়ারের সিগন্যাল এসব এলাকায় পৌঁছাতে না পারায় জরুরি মুহূর্তে যোগাযোগ করা প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়ত। নতুন এই স্যাটেলাইট সেবার ফলে সেই দীর্ঘদিনের সমস্যার স্থায়ী সমাধান মিলবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা। এখন থেকে কোনো রকম টেরিস্ট্রিয়াল টাওয়ার ছাড়াই সরাসরি উপগ্রহের মাধ্যমে স্মার্টফোনে বার্তা পাঠানো কিংবা যোগাযোগ করা সম্ভব হবে।

<প্রাসঙ্গিক প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞদের মতে, ডিজিটাল অন্তর্ভুক্তির ক্ষেত্রে এটি একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ। সাধারণ মানুষের পাশাপাশি উদ্ধারকারী দল এবং দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কার্যক্রম পরিচালনাকারী সংস্থাগুলো এই সেবার মাধ্যমে সবচেয়ে বেশি উপকৃত হবে। বিশেষ করে প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময় যখন প্রচলিত মোবাইল টাওয়ারগুলো অকার্যকর হয়ে পড়ে, তখন এই স্যাটেলাইট সংযোগ জীবনরক্ষাকারী ভূমিকা পালন করতে সক্ষম হবে।

বাংলালিংকের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, দেশের প্রতিটি কোণায় আধুনিক যোগাযোগ সুবিধা পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যের সঙ্গেই এই সেবাটি যুক্ত। খুব শীঘ্রই গ্রাহক পর্যায়ে এই প্রযুক্তির বাণিজ্যিক ব্যবহার এবং এর বিভিন্ন প্যাকেজ সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য জানানো হবে। এই উদ্যোগ দেশের টেলিযোগাযোগ শিল্পকে বিশ্বমানের প্রযুক্তির আরও এক ধাপ কাছাকাছি নিয়ে গেল।