October 28, 2026, 2:05 pm
শিরোনাম :
সরকারি চাকরিজীবীদের নতুন পে-স্কেল দিতে বাড়তি টাকা কোথা থেকে আনছে সরকার? নার্সিসিস্টিক অ্যাবিউজের কারণে মস্তিষ্কের যে ধরনের ক্ষতি হয় ‘আওয়ামী স্টাইলে দেশ চালাতে চাইলে পরিণতিও তাদের মতোই হবে’ দক্ষ জনশক্তি গড়তে কর্মমুখী শিক্ষায় গুরুত্ব দিতে বললেন রাষ্ট্রপতি ভোজ্যতেলের দাম বৃদ্ধির আপাতত পরিকল্পনা নেই, জানালেন বাণিজ্যমন্ত্রী যে কারণে ২৫টি টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজের দ্বিতীয় শিফট স্থগিত করল সরকার টোকিওর মতো পরিচ্ছন্ন ঢাকা গড়তে চায় সরকার: প্রধানমন্ত্রী দেশ মাফিয়া রাষ্ট্রে পরিণত হয়েছে: নাহিদ ইসলাম ৫ বছরে এক কোটি মানুষ বিদেশে পাঠানোর লক্ষ্য: প্রবাসীকল্যাণমন্ত্রী বিমান চলাচলের নিরাপত্তায় বিনিয়োগ জাতীয় অগ্রগতির ভিত্তি: প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা

দুর্গাপূজার নিরাপত্তায় মাঠে থাকবে ১০ হাজার বিজিবি

Reporter Name

জাতীয় ডেস্ক: সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে ব্যাপক নিরাপত্তা প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। এই আয়োজনে সার্বিক আইনশৃঙ্খলা রক্ষা এবং অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি এড়াতে সারা দেশে প্রায় ১০ হাজার বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) সদস্য মোতায়েন করা হবে। আগামী ১৬ থেকে ২২ অক্টোবর পর্যন্ত এই বিশেষ দায়িত্ব পালন করবেন সীমান্তরক্ষী বাহিনীর এই সদস্যরা। সম্প্রতি বিজিবি সদর দপ্তরের পক্ষ থেকে আয়োজিত এক ব্রিফিংয়ে এই গুরুত্বপূর্ণ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজিবি সদর দপ্তরের অপারেশন পরিচালক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. মাহবুব মুর্শেদ রহমান গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন যে, পূজা উপলক্ষে একটি সমন্বিত নিরাপত্তা পরিকল্পনা হাতে নেওয়া হয়েছে। এর আওতায় নিয়মিত টহল কার্যক্রম জোরদার করার পাশাপাশি গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। এছাড়া স্থানীয় প্রশাসন, পুলিশ বাহিনী এবং পূজা উদ্‌যাপন কমিটির সঙ্গে নিবিড় যোগাযোগের মাধ্যমে সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হবে। সম্ভাব্য সব ধরনের ঝুঁকি আগে থেকেই চিহ্নিত করে তা মোকাবিলার প্রস্তুতি রাখা হয়েছে।

নিরাপত্তা পরিকল্পনার বিস্তারিত তুলে ধরে ওই কর্মকর্তা জানান, সীমান্তের আট কিলোমিটারের মধ্যে এবং ব্যাটালিয়ন সদর দপ্তরের কাছাকাছি এলাকাসমূহের মোট দুই হাজার ৭২৭টি পূজামণ্ডপে নিরাপত্তা সহায়তা দেবে বিজিবি। যেসব মণ্ডপ তুলনামূলকভাবে দূরবর্তী বা দুর্গম স্থানে অবস্থিত, সেখানে দ্রুত সাহায্য ও টহল পৌঁছানোর উদ্দেশ্যে প্রয়োজনীয় সংখ্যক অস্থায়ী ক্যাম্প স্থাপন করা হবে। বিশেষ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গুজব ছড়ানো কিংবা যেকোনো ধরনের সাম্প্রদায়িক উসকানি প্রতিরোধে সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে থাকবে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।

রাজধানী ঢাকার ক্ষেত্রে নিরাপত্তার পরিধি ও সদস্য মোতায়েন সরকারের উচ্চপর্যায়ের নির্দেশনা এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের চাহিদার ওপর নির্ভর করবে বলে জানানো হয়েছে। ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) ও স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে টহল দল প্রস্তুত রাখা হবে। বাংলাদেশ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধের এক দীর্ঘ ঐতিহ্যের দেশ উল্লেখ করে বিজিবি জানিয়েছে, সনাতন ধর্মাবলম্বীরা যাতে সম্পূর্ণ নিরাপদে ও আনন্দের সঙ্গে তাঁদের উৎসব উদ্‌যাপন করতে পারেন, তা নিশ্চিত করতে তারা সর্বাত্মকভাবে প্রস্তুত রয়েছে।