October 28, 2026, 9:41 am
শিরোনাম :
গাজা-লেবানন-সিরিয়ায় দখল বজায় রাখা, ইরানকে দুর্বল করা: নেতানিয়াহুর ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা বিএনপি ও কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের পদ্ধতি একই, তারা যেন একই মুদ্রার এপিঠ-ওপিঠ: ব্যারিস্টার আরমান ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনই ইসির সক্ষমতার পরীক্ষা: ১১ দলীয় ঐক্য ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচন কাল, নিরাপত্তায় ড্রোন ও ডগ স্কোয়াড বল প্রয়োগের শক্তিই হলো ‘বলের মাত্রা’ বিদ্যুৎ বিপর্যয়ের কারণ জানতে এবার উচ্চপর্যায়ের কমিটি গাজীপুর কর অঞ্চলে চাকরি, পদ ৩৪ মুরাদনগর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর আকস্মিক পরিদর্শন, ৫ চিকিৎসকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ কম্বোডিয়া থেকে ৯ মাসে বহিষ্কার তিন হাজারের বেশি বাংলাদেশি, আলোচনায় সাইবার স্ক্যাম জনগণের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে কারো অবৈধ সাম্রাজ্য টিকানোর দায়িত্ব পুলিশের নয়: হাসনাত আবদুল্লাহ

দত্তকের নামে শিশু কেনাবেচা, ফেসবুকে চলে দর–কষাকষি

Reporter Name

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুককে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছে একটি অভিনব ও ভয়ঙ্কর শিশু পাচারকারী চক্র। এই চক্রের সদস্যরা দীর্ঘদিন ধরে ফেসবুকের বিভিন্ন গ্রুপ ও পেজের মাধ্যমে নবজাতক এবং গর্ভস্থ শিশু বেচাকেনার অমানবিক ব্যবসা চালিয়ে আসছে। তথ্যপ্রযুক্তির অপব্যবহার করে অত্যন্ত সুকৌশলে এই অপরাধমূলক কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে, যা সমাজকে গভীরভাবে আতঙ্কিত করে তুলেছে।

অনুসন্ধানে জানা যায়, সন্তানের জন্ম হওয়ার অনেক আগে থেকেই অর্থাৎ মায়ের গর্ভে থাকা অবস্থাতেই শুরু হয় দর-কষাকষির প্রক্রিয়া। সম্ভাব্য ক্রেতা ও বিক্রেতার মধ্যে ফেসবুকের ম্যাসেঞ্জার বা অন্যান্য চ্যাট অপশনে চলে অর্থের লেনদেন ও শর্ত নিয়ে আলোচনা। গর্ভের সন্তানের লিঙ্গ পরিচয় নিশ্চিত হওয়া কিংবা সন্তান প্রসবের পর তা সরাসরি হস্তান্তর করার মতো স্পর্শকাতর বিষয়গুলো এই অনলাইন মাধ্যমেই চূড়ান্ত করা হয়।

আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রাথমিক তথ্যানুযায়ী, সমাজের অসচ্ছল ও বিপন্ন নারীদের অসহায়ত্বের সুযোগ নিয়ে এই চক্রের দালালরা সক্রিয় রয়েছে। গর্ভপাতের ইচ্ছা নেই কিন্তু আর্থিক সংকটে থাকা এমন নারীদের লোভনীয় অর্থের প্রলোভন দেখিয়ে তাদের সন্তান বিক্রিতে বাধ্য করা হয়। অন্যদিকে, সন্তানহীন দম্পতি বা অবৈধ উপায়ে শিশু সংগ্রহে আগ্রহী ব্যক্তিরা চড়া মূল্যে এসব শিশু কিনে নেয়, যার ফলে সমাজে অপরাধ প্রবণতা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে।

এ ধরনের মানব পাচার ও শিশু কেনাবেচার মতো গুরুতর অপরাধ দমনে সাইবার গোয়েন্দা দলগুলো কঠোর নজরদারি শুরু করেছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। সাধারণ মানুষের মাঝে সচেতনতা বৃদ্ধির পাশাপাশি এ ধরনের অবৈধ চক্রের সঙ্গে জড়িত মূল হোতাদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে কঠোর শাস্তির দাবি জানিয়েছেন সচেতন নাগরিক সমাজ।