October 28, 2026, 12:46 pm
শিরোনাম :
টোকিওর মতো পরিচ্ছন্ন ঢাকা গড়তে চায় সরকার: প্রধানমন্ত্রী দেশ মাফিয়া রাষ্ট্রে পরিণত হয়েছে: নাহিদ ইসলাম ৫ বছরে এক কোটি মানুষ বিদেশে পাঠানোর লক্ষ্য: প্রবাসীকল্যাণমন্ত্রী বিমান চলাচলের নিরাপত্তায় বিনিয়োগ জাতীয় অগ্রগতির ভিত্তি: প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা আইইডিসিআর পরিচালককে মারধর চিকিৎসাসেবার ইতিহাসে কালো অধ্যায়: জামায়াত আমির স্থানীয় নির্বাচনে এককভাবে লড়বে এনসিপি: নাহিদ ইসলাম জয়-পুতুলসহ আটজনের মামলায় সিআরআইয়ের আয়কর নথি জব্দের আদেশ রমজানে নিত্যপণ্যের সরবরাহ স্বাভাবিক থাকবে: বাণিজ্যমন্ত্রী ঠাকুরগাঁও উপনির্বাচন নিয়ে উদ্বিগ্ন হওয়ার কারণ নেই: ইসি সচিব ‘সিন্ডিকেট’ ভাঙায় পাঠ্যবই মুদ্রণে বাঁচল ১৪ কোটি টাকা

চক্ষু স্বাস্থ্য উন্নয়নে ১৩০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার বিনিয়োগ করবে সরকার: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী

Reporter Name

স্বাস্থ্য ডেস্ক: দেশের সামগ্রিক চক্ষু স্বাস্থ্য খাতের আধুনিকায়ন এবং সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় মানসম্মত চিকিৎসাসেবা পৌঁছে দিতে বড় ধরনের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে এই খাতে প্রায় ১৩০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার বিনিয়োগ করা হবে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। সম্প্রতি রাজধানীর সিরডাপ কনফারেন্স রুমে বিশ্ব দৃষ্টি দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক বিশেষ আলোচনা সভায় এই বিনিয়োগের পরিকল্পনা তুলে ধরা হয়। সরকারের এই মেগা পরিকল্পনার মূল লক্ষ্য হলো দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে বসবাসকারী জনগোষ্ঠীর জন্য চোখের চিকিৎসা আরও সহজলভ্য ও ফলপ্রসূ করা।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত এই বিশাল বিনিয়োগের নানা দিক বিস্তারিতভাবে তুলে ধরেন। তিনি জানান, বরাদ্দকৃত এই তহবিলের সঠিক ব্যবহারের মাধ্যমে দেশের চক্ষু চিকিৎসকদের আধুনিক প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। একই সঙ্গে বিভিন্ন হাসপাতাল ও চিকিৎসাকেন্দ্রের অবকাঠামোগত উন্নয়ন ঘটিয়ে সুযোগ-সুবিধা বহুগুণ বাড়িয়ে দেওয়া হবে। এর ফলে তৃণমূল পর্যায়ের রোগীরাও উন্নত শহরের মতো আধুনিক ও বিশেষজ্ঞ চক্ষু চিকিৎসাসেবা গ্রহণ করার সুযোগ পাবেন।

এই দীর্ঘমেয়াদি কর্মসূচির আওতায় দেশব্যাপী সাধারণ মানুষের জন্য বেশ কিছু বড় পরিসরের চিকিৎসাসেবা পরিচালনার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে প্রায় ১০ লাখ রোগীর ছানি অপারেশন সম্পন্ন করা এবং সাধারণ মানুষের মাঝে অন্তত ১ কোটি চশমা বিতরণ করা। এছাড়াও দেশের প্রায় ২ কোটি মানুষকে সরাসরি প্রাথমিক চক্ষু চিকিৎসাসেবার আওতায় নিয়ে আসার কাজ খুব শীঘ্রই শুরু হবে। স্বাস্থ্য খাতের এই যুগান্তকারী পদক্ষেপ দেশের অন্ধত্ব দূরীকরণ ও দৃষ্টিশক্তিজনিত সমস্যা মোকাবেলায় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে আশা করা হচ্ছে।

বিশেষ এই জনকল্যাণমূলক কর্মসূচির বাইরে রাখা হচ্ছে না দেশের কোমলমতি স্কুলশিক্ষার্থীদেরও। শিশুদের দৃষ্টিজনিত সমস্যা প্রাথমিক পর্যায়েই চিহ্নিত করতে শিক্ষার্থীদের চোখ পরীক্ষা এবং প্রয়োজন অনুযায়ী চশমা দেওয়ার উদ্যোগ হাতে নেওয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকদের মতে, শৈশবেই চোখের সমস্যা দূর করা গেলে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা ও স্বাভাবিক বিকাশ অনেক বেশি সহজ হয়। জনগণের দোরগোড়ায় মানসম্মত ও সহজলভ্য চিকিৎসাসেবা পৌঁছে দেওয়া বর্তমান সরকারের অন্যতম প্রধান অগ্রাধিকার বলে অনুষ্ঠানে পুনর্ব্যক্ত করা হয়।