October 28, 2026, 1:01 pm
শিরোনাম :
যে কারণে ২৫টি টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজের দ্বিতীয় শিফট স্থগিত করল সরকার টোকিওর মতো পরিচ্ছন্ন ঢাকা গড়তে চায় সরকার: প্রধানমন্ত্রী দেশ মাফিয়া রাষ্ট্রে পরিণত হয়েছে: নাহিদ ইসলাম ৫ বছরে এক কোটি মানুষ বিদেশে পাঠানোর লক্ষ্য: প্রবাসীকল্যাণমন্ত্রী বিমান চলাচলের নিরাপত্তায় বিনিয়োগ জাতীয় অগ্রগতির ভিত্তি: প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা আইইডিসিআর পরিচালককে মারধর চিকিৎসাসেবার ইতিহাসে কালো অধ্যায়: জামায়াত আমির স্থানীয় নির্বাচনে এককভাবে লড়বে এনসিপি: নাহিদ ইসলাম জয়-পুতুলসহ আটজনের মামলায় সিআরআইয়ের আয়কর নথি জব্দের আদেশ রমজানে নিত্যপণ্যের সরবরাহ স্বাভাবিক থাকবে: বাণিজ্যমন্ত্রী ঠাকুরগাঁও উপনির্বাচন নিয়ে উদ্বিগ্ন হওয়ার কারণ নেই: ইসি সচিব

গিটার জাদুকর আইয়ুব বাচ্চুর চলে যাওয়ার দিন

Reporter Name

বিনোদন ডেস্ক: বাংলা ব্যান্ড সংগীতের অন্যতম উজ্জ্বল নক্ষত্র এবং জনপ্রিয় গিটার বাদক আইয়ুব বাচ্চুর ষষ্ঠ প্রয়াণদিবস পালিত হচ্ছে। কোটি ভক্তের হৃদয়জুড়ে থাকা এই প্রবাদপ্রতিম রকশিল্পী ২০১৮ সালের ১৮ অক্টোবর না ফেরার দেশে পাড়ি জমান। শারীরিক অনুপস্থিতি সত্ত্বেও তার অসাধারণ সংগীত সৃষ্টি এবং অমলিন সুরের মাধ্যমে তিনি আজও লাখো শ্রোতার অন্তরে অমর হয়ে বেঁচে আছেন।

এই বিশেষ দিনটিতে বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সংগঠন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এবং ভক্ত-অনুরাগীদের পক্ষ থেকে এই মহান শিল্পীকে গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করা হচ্ছে। নানা ধরনের আনুষ্ঠানিকতা ও আয়োজনের মধ্য দিয়ে তার বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করা হচ্ছে। তার প্রয়াণদিবসে দেশের সংগীত অঙ্গনে এক শোকাবহ পরিবেশের সৃষ্টি হয়েছে, যেখানে সবাই তাকে পরম শ্রদ্ধায় স্মরণ করছেন।

১৯৬২ সালের ১৬ আগস্ট চট্টগ্রামে জন্ম নেওয়া এই শিল্পী আশির দশকের শুরুতে সোলস ব্যান্ডের হাত ধরে পেশাদার সংগীত জগতে পা রাখেন। পরবর্তীতে নব্বইয়ের দশকে তিনি বাংলা রক সংগীতে এক অভূতপূর্ব বিপ্লব ঘটিয়ে অনন্য ইতিহাস সৃষ্টি করেন। নিজের সংগীতের স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দিতে তিনি ১৯৯৫ সালে গঠন করেন জনপ্রিয় ব্যান্ড এলআরবি, যা বাংলা ব্যান্ড মিউজিকের ধারাকেই বদলে দিয়েছিল।

তার জাদুকরী গিটার বাদন এবং স্বতন্ত্র কণ্ঠস্বর বাংলা গানকে বিশ্বমঞ্চের কাছাকাছি নিয়ে যাওয়ার পথ তৈরি করেছিল। চলো বদলে যাই, রূপালী গিটার, কষ্ট পেতে ভালোবাসি, ফেরারি মন ও এখন অনেক রাত এর মতো অসংখ্য কালজয়ী গান তিনি উপহার দিয়েছেন। বিশেষ করে রূপালী গিটার গানটি এবং তার প্রিয় যন্ত্রটি নিয়ে পরিবেশনা আজও সংগীতপ্রেমীদের মনে গভীর দাগ কেটে আছে, যা তাকে চিরস্মরণীয় করে রাখবে।

চলচ্চিত্রে প্লেব্যাক করার ক্ষেত্রেও তিনি অসামান্য অবদান রেখে গেছেন যার স্বীকৃতিস্বরূপ জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার অর্জন করেছিলেন। তিনি কেবল একজন সাধারণ গায়ক বা গিটারিস্ট ছিলেন না, বরং বাংলা রক সংগীতের অবিসংবাদিত অভিভাবক হিসেবে পরিচিত ছিলেন। তার সুরের দ্যুতি এবং সৃজনশীলতা যুগের পর যুগ ধরে বাংলাদেশের ব্যান্ড সংগীতপ্রেমীদের অনুপ্রাণিত করে যাবে।