October 29, 2026, 5:01 am
শিরোনাম :
জাপানে টয়োটার মোতোমাচি কারখানা পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রী নে টয়োটার মোতোমাচি কারখানা পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রী ভোট দিয়ে বিএনপির প্রার্থী মির্জা ফয়সল বললেন, ‘শতভাগ জয়ের ব্যাপারে আশাবাদী’ প্রাণ-আরএফএল প্রেজেন্টস প্রিজম এআই ক্রিয়েটিভ অ্যাওয়ার্ডসের চূড়ান্ত বিচারকার্যে দেশের বিশিষ্টজনেরা পকেটে হারমোনিকা, কোথায় পাব, দাম কত যুক্তরাষ্ট্র সফর শেষে দেশে ফিরলেন হুইপ জি কে গউছ মাতারবাড়ী হয়ে ‘সেভেন সিস্টার্সে’র সঙ্গে সংযোগ জোরদার করতে চায় জাপান, যা বলল ভারত ইলিশ ধরায় নিষেধাজ্ঞা শেষ হচ্ছে, আবার সাগরে ছুটবে মাছ ধরার নৌকা গঙ্গা পানি চুক্তি নবায়নে ভারতের ওপর চাপ বাড়াচ্ছে বাংলাদেশ: এএফপির প্রতিবেদন প্রাথমিকে শিক্ষকতায় প্রকৌশলী-চিকিৎসক–এমফিল-পিএইচডিসহ ৩০ ধরনের ডিগ্রিধারীরা সরকারি দলের পক্ষে সমর্থনের অভিযোগ, ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচনে ৯ কর্মকর্তা প্রত্যাহার

কৃষি ও পল্লি খাতে ঋণ: লক্ষ্য বাড়লেও বিতরণে পিছিয়ে

Reporter Name

অর্থনীতি ডেস্ক: দেশের কৃষি ও পল্লি খাতে ঋণ বিতরণের লক্ষ্যমাত্রা উল্লেখযোগ্য পরিমাণে বাড়ানো হলেও সেই তুলনায় মাঠপর্যায়ে অর্থ ছাড়ের গতি বাড়েনি। সম্প্রতি বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রকাশিত এক হালনাগাদ প্রতিবেদনে এই তথ্য উঠে এসেছে। চলতি অর্থবছরের প্রথম দুই মাসে ব্যাংকগুলো তাদের নির্ধারিত মোট লক্ষ্যমাত্রার সামান্য অংশমাত্র বিতরণ করতে পেরেছে। গত অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় চলতি বছর ঋণের পরিমাণ কিছু বাড়লেও বড় অংকের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণের কারণে সামগ্রিক বিতরণের হার কিছুটা পিছিয়ে পড়েছে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরে কৃষি ও পল্লি খাতে মোট ৬০ হাজার কোটি টাকা ঋণ বিতরণের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে, যা আগের অর্থবছরে ছিল ৩৯ হাজার কোটি টাকা। অর্থাৎ এক বছরের ব্যবধানে এই খাতের লক্ষ্যমাত্রা প্রায় ৫৪ শতাংশ বাড়ানো হয়েছে। অর্থবছরের প্রথম দুই মাসে সব মিলিয়ে ৬ হাজার ৮৫৮ কোটি টাকা বিতরণ করা হয়েছে, যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় দুই হাজার কোটি টাকা বেশি হলেও লক্ষ্যমাত্রার মাত্র ১১ শতাংশের কিছুটা বেশি। রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন ও বেসরকারি উভয় খাতের ব্যাংকগুলোর কার্যক্রমে লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে পিছিয়ে থাকার এই চিত্র দেখা গেছে।

খাত সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, কৃষির তুলনায় শিল্প বা অন্যান্য বাণিজ্যিক খাতে কম খরচে বেশি মুনাফা অর্জনের সুযোগ থাকায় ব্যাংকগুলোর পক্ষ থেকে কৃষিঋণ বিতরণে কিছুটা অনীহা দেখা যায়। তবে সরকারের নতুন নীতিমালা অনুযায়ী, ব্যাংকগুলোর মোট ঋণস্থিতির অন্তত চার শতাংশ এখন কৃষি খাতে বিতরণ করা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে, যা আগে আড়াই শতাংশ ছিল। ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা অনুযায়ী পর্যায়ক্রমে জিডিপিতে কৃষির অবদানের সমান অর্থাৎ দশ শতাংশেরও বেশি ঋণ এই খাতে বিতরণের লক্ষ্য রয়েছে।

ঋণ বিতরণের পাশাপাশি এই খাতে খেলাপি ঋণের পরিমাণও উদ্বেগজনক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। নতুন ঋণ শ্রেণীকরণ ও প্রভিশনিং নীতিমালার প্রভাবে সাম্প্রতিক মাসগুলোতে খেলাপি ঋণের চিত্র অনেকখানি বদলে গেছে। এদিকে, কৃষিঋণের যথাযথ ব্যবহার এবং শৃঙ্খলা বজায় রাখতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক কঠোর নজরদারি শুরু করেছে। এর অংশ হিসেবে একটি বিশেষ সফটওয়্যার চালুর মাধ্যমে প্রধান কার্যালয় থেকে খাতভিত্তিক তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে এবং কোনো ধরনের অনিয়ম ধরা পড়লে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।