October 28, 2026, 1:02 pm
শিরোনাম :
যে কারণে ২৫টি টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজের দ্বিতীয় শিফট স্থগিত করল সরকার টোকিওর মতো পরিচ্ছন্ন ঢাকা গড়তে চায় সরকার: প্রধানমন্ত্রী দেশ মাফিয়া রাষ্ট্রে পরিণত হয়েছে: নাহিদ ইসলাম ৫ বছরে এক কোটি মানুষ বিদেশে পাঠানোর লক্ষ্য: প্রবাসীকল্যাণমন্ত্রী বিমান চলাচলের নিরাপত্তায় বিনিয়োগ জাতীয় অগ্রগতির ভিত্তি: প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা আইইডিসিআর পরিচালককে মারধর চিকিৎসাসেবার ইতিহাসে কালো অধ্যায়: জামায়াত আমির স্থানীয় নির্বাচনে এককভাবে লড়বে এনসিপি: নাহিদ ইসলাম জয়-পুতুলসহ আটজনের মামলায় সিআরআইয়ের আয়কর নথি জব্দের আদেশ রমজানে নিত্যপণ্যের সরবরাহ স্বাভাবিক থাকবে: বাণিজ্যমন্ত্রী ঠাকুরগাঁও উপনির্বাচন নিয়ে উদ্বিগ্ন হওয়ার কারণ নেই: ইসি সচিব

ইমরানের মুক্তির দাবিতে লংমার্চ কেন ছয় দিনেও পাখতুনখাওয়ার বাইরে যেতে পারেনি

Reporter Name

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের মুক্তির দাবিতে তেহরিক-ই-ইনসাফের (পিটিআই) লংমার্চ দীর্ঘ সময় ধরে খাইবার পাখতুনখাওয়া প্রদেশেই সীমাবদ্ধ রয়েছে। নির্ধারিত সময়সীমা পেরিয়ে গেলেও এই কর্মসূচি কেন অন্য কোনো প্রদেশে প্রবেশ করতে পারেনি, তা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে নানা আলোচনা চলছে। সরকারের পক্ষ থেকে এই লংমার্চ মোকাবিলায় কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে, যা আন্দোলনকারীদের গতি শ্লথ করে দিয়েছে।

এরই মধ্যে উদ্ভূত পরিস্থিতি নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকারের পক্ষ থেকে গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য এসেছে। দেশটির স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী তারিক ফজল চৌধুরী জানিয়েছেন, খাইবার পাখতুনখাওয়া প্রদেশে জরুরি অবস্থা জারির বিষয়ে কেন্দ্রীয় সরকার ইতিমধ্যে তাদের প্রাথমিক আলোচনা প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি রোধে সরকার প্রয়োজনীয় সব আইনি পদক্ষেপ বিবেচনা করছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, কেন্দ্রীয় সরকারের এই কঠোর অবস্থানের কারণে পিটিআইয়ের নেতাকর্মীদের জন্য প্রাদেশিক সীমানা পেরিয়ে রাজধানীতে পৌঁছানো বেশ কঠিন হয়ে পড়েছে। পুলিশ ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কঠোর ব্যারিকেড এবং তল্লাশি চৌকির কারণে লংমার্চের গাড়ি বহর বারবার থমকে যাচ্ছে। ফলে আন্দোলনকারীরা তাদের মূল গন্তব্যের দিকে আশানুরূপ গতিতে এগোতে পারছেন না।

এদিকে দলটির শীর্ষ নেতারা সরকারের এই পদক্ষেপকে রাজনৈতিক দমনপীড়ন বলে অভিহিত করেছেন। তারা দাবি করছেন, শান্তিপূর্ণ আন্দোলন দমনের জন্যই নানা অজুহাতে কড়াকড়ি আরোপ করা হচ্ছে। তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে কৌশলগতভাবে পরবর্তী পদক্ষেপ নির্ধারণের চেষ্টা করছে দলটি।