October 28, 2026, 7:57 am
শিরোনাম :
গাজীপুর কর অঞ্চলে চাকরি, পদ ৩৪ মুরাদনগর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর আকস্মিক পরিদর্শন, ৫ চিকিৎসকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ কম্বোডিয়া থেকে ৯ মাসে বহিষ্কার তিন হাজারের বেশি বাংলাদেশি, আলোচনায় সাইবার স্ক্যাম জনগণের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে কারো অবৈধ সাম্রাজ্য টিকানোর দায়িত্ব পুলিশের নয়: হাসনাত আবদুল্লাহ বাংলাদেশের রপ্তানি পণ্যের বহুমুখীকরণে জাপানের সহযোগিতা চান প্রধানমন্ত্রী দেশের প্রথম ই-পারিবারিক আপিল আদালত চালু হচ্ছে কাল সমুদ্রে মাছের অভয়াশ্রম তৈরি করা হচ্ছে: মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী আইজিপির দায়িত্ব থেকে অতি দ্রুত সরে যাওয়া উচিত: নাহিদ ইসলাম ভারি বৃষ্টিতে বিপর্যস্ত অন্ধ্রপ্রদেশের জনজীবন, প্রায় ২ লাখ মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ে বাংলাদেশে বিনিয়োগ সম্প্রসারণে ইউনিক্লোকে প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান

সীমান্তের ১৮০০ পূজামণ্ডপের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার কথা জানালেন বিজিবি মহাপরিচালক

Reporter Name

জাতীয় ডেস্ক: সনাতন ধর্মাবলম্বীদের প্রধান উৎসব শারদীয় দুর্গোৎসব শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে সম্পন্ন করতে দেশজুড়ে বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। এর অংশ হিসেবে সীমান্ত এলাকার আট কিলোমিটারের মধ্যে অবস্থিত প্রায় ১ হাজার ৮০০টি পূজামণ্ডপের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দায়িত্ব কাঁধে নিয়েছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ। সম্প্রতি রাজধানী ঢাকার রমনা কালীমন্দির পরিদর্শনকালে এই গুরুত্বপূর্ণ তথ্য জানান বাহিনীটির মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান সিদ্দিকী। উৎসবের দিনগুলোতে যাতে কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে, সে বিষয়ে বিজিবি শুরু থেকেই সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

পূজামণ্ডপগুলোর নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিজে খতিয়ে দেখতে এবং সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা করতে বিজিবি প্রধান রমনা কালীমন্দির পরিদর্শনে যান। এ সময় তিনি মন্দির কমিটির সভাপতিসহ অন্যান্য দায়িত্বশীল ব্যক্তিদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন এবং হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষদের শারদীয় দুর্গোৎসবের শুভেচ্ছা জানান। এই পরিদর্শনের মূল উদ্দেশ্য ছিল মাঠপর্যায়ের নিরাপত্তা প্রস্তুতি সরেজমিনে দেখা এবং স্থানীয় কমিটির সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সুসমন্বয় নিশ্চিত করা। এরই মধ্যে মাঠপর্যায়ের বিজিবি সদস্যরা সংশ্লিষ্ট মণ্ডপগুলো পরিদর্শন করে পূজা উদ্‌যাপন কমিটির নেতাদের সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপন করেছেন।

সীমান্তবর্তী এলাকার মণ্ডপগুলোর সুরক্ষায় বিজিবি সুনির্দিষ্ট কিছু কৌশলগত পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে বলে সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়। যেসব পূজামণ্ডপ বর্ডার আউটপোস্ট বা বিওপি থেকে তুলনামূলক দূরে অবস্থিত, সেখানে নিরাপত্তা জোরদার করার জন্য বিশেষ করে ১৮টি বেস ক্যাম্প স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এছাড়া বিজিবির সদর দপ্তর, বিভিন্ন রিজিয়ন, সেক্টর ও ব্যাটালিয়ন ক্যাম্পের আশপাশে থাকা মণ্ডপগুলোর সুরক্ষায় পুলিশসহ অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে নিবিড় সমন্বয় করা হয়েছে। গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর কাছ থেকে প্রাপ্ত তথ্য বিশ্লেষণ ও সম্ভাব্য ঝুঁকি মূল্যায়ন করে পুরো নিরাপত্তা ব্যবস্থা সাজানো হয়েছে।

দুর্গাপূজা চলাকালীন যেকোনো জরুরি পরিস্থিতি দ্রুত মোকাবিলা করার জন্য বিজিবি সদর দপ্তরে একটি বিশেষ কন্ট্রোল রুম চালু করা হয়েছে যা সার্বক্ষণিক সচল রয়েছে। পাশাপাশি ‘শারদীয় সুরক্ষা অ্যাপ’ ব্যবহার করে আয়োজক বা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা খুব সহজেই যেকোনো জরুরি পরিস্থিতিতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারবেন। দেশের সীমান্ত সুরক্ষা এবং চোরাচালান রোধের পাশাপাশি দেশের অভ্যন্তরীণ উৎসবেও বিজিবির এমন ভূমিকা জনমনে স্বস্তি ফিরিয়ে এনেছে। বিজিবি সদস্যরা সম্পূর্ণ পেশাদারত্ব ও আন্তরিকতার সঙ্গে তাদের ওপর অর্পিত দায়িত্ব পালন করছেন বলে মহাপরিচালক আশাবাদ ব্যক্ত করেন।