October 28, 2026, 6:11 am
শিরোনাম :
সমুদ্রে মাছের অভয়াশ্রম তৈরি করা হচ্ছে: মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী আইজিপির দায়িত্ব থেকে অতি দ্রুত সরে যাওয়া উচিত: নাহিদ ইসলাম ভারি বৃষ্টিতে বিপর্যস্ত অন্ধ্রপ্রদেশের জনজীবন, প্রায় ২ লাখ মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ে বাংলাদেশে বিনিয়োগ সম্প্রসারণে ইউনিক্লোকে প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান দর্শকের চেয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যই যেন বেশি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে গভর্নরের বৈঠক, ঢাকায় কার্যালয় খোলার আলোচনা বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ উন্নয়নে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ: প্রধানমন্ত্রী ঠাকুরগাঁও উপ-নির্বাচন: জামায়াত-বিএনপির পাল্টাপাল্টি অভিযোগ আচরণবিধি লঙ্ঘন ও পক্ষপাতিত্বের পত্রিকা: ‘নতুন পে-স্কেলে বেতন দিতে ব্যাংক ঋণ নেয়া বাড়িয়েছে সরকার’ অর্থনীতির বিপদ ক্ষমতাসীনরা টের পেতে শুরু করেছেন

সাত পুলিশ সদস্যের নামে মামলা, বিচার বিভাগীয় তদন্তের নির্দেশ

Reporter Name

আইন-আদালত ডেস্ক: লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে আটকের পর এক আসামিকে নির্যাতনের অভিযোগে সাত পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলার বিচার বিভাগীয় তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সম্প্রতি অতিরিক্ত চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক মোহাম্মদ রেজাউল হক এই আদেশ দেন। সিআইডির দেওয়া চূড়ান্ত প্রতিবেদনের বিরুদ্ধে বাদীর নারাজি আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আদালত এই গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন।

মামলার বিবরণী থেকে জানা যায়, ২০২৩ সালের ২৭ ডিসেম্বর রায়পুর থানায় আটকের পর আবদুর রহিম রনি নামের এক ব্যক্তিকে বেধড়ক মারধর করা হয়। এই ঘটনার বিচার চেয়ে ভুক্তভোগীর স্ত্রী রিনা আক্তার বাদী হয়ে আদালতে মামলা দায়ের করেন। অভিযুক্ত পুলিশ সদস্যদের মধ্যে রায়পুর থানার উপপরিদর্শক মো. আবু হানিফ, নুরুল ইসলাম, সহকারী উপপরিদর্শক সফিক মিয়া, সাখাওয়াত হোসেন এবং কনস্টেবল আতিক উল্যা ও ইউসুফ ঢালি অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন।

এর আগে মামলাটি তদন্তের জন্য পিবিআই ও সিআইডিকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। গত জুলাই মাসে সিআইডি আদালতে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করে। তবে ওই প্রতিবেদনের ওপর অনাস্থা জানিয়ে গত আগস্ট মাসে আদালতে নারাজি আবেদন করেন বাদী। বাদীর আইনজীবী আবদুল আহাদ শাকিল পাটোয়ারী জানান, তদন্তকারী কর্মকর্তা আসামিদের প্রভাবের মুখে পড়ে সঠিকভাবে তদন্ত কাজ পরিচালনা করেননি।

বাদী পক্ষের অভিযোগ, রায়পুর থানা ও সংশ্লিষ্ট হাসপাতালের সিসিটিভি ফুটেজ জব্দ করে ফরেনসিক পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়নি। এছাড়া মামলায় সাক্ষীদের প্রকৃত জবানবন্দি এড়িয়ে মনগড়া তথ্য যুক্ত করা হয়েছে। এই ধরনের গাফিলতি ও ত্রুটিপূর্ণ তদন্তের কারণে বাদী সিআইডির রিপোর্টের বিরুদ্ধে আদালতে নারাজি দেন, যা আদালত মঞ্জুর করে বিচার বিভাগীয় তদন্তের নতুন পথ উন্মুক্ত করলেন।