October 29, 2026, 4:16 am
শিরোনাম :
যুক্তরাষ্ট্র সফর শেষে দেশে ফিরলেন হুইপ জি কে গউছ মাতারবাড়ী হয়ে ‘সেভেন সিস্টার্সে’র সঙ্গে সংযোগ জোরদার করতে চায় জাপান, যা বলল ভারত ইলিশ ধরায় নিষেধাজ্ঞা শেষ হচ্ছে, আবার সাগরে ছুটবে মাছ ধরার নৌকা গঙ্গা পানি চুক্তি নবায়নে ভারতের ওপর চাপ বাড়াচ্ছে বাংলাদেশ: এএফপির প্রতিবেদন প্রাথমিকে শিক্ষকতায় প্রকৌশলী-চিকিৎসক–এমফিল-পিএইচডিসহ ৩০ ধরনের ডিগ্রিধারীরা সরকারি দলের পক্ষে সমর্থনের অভিযোগ, ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচনে ৯ কর্মকর্তা প্রত্যাহার সুলভ সরকারি এলপিজি কোথায় যায়, কারা পায় ব্যাংক খাত ঠিক হবে তো? ফ্রান্সসহ ইউরোপে বিক্ষোভের জন্য মুসলমানরা দায়ী! স্বাধীন বাংলাদেশের সংস্কৃতির সংকট

সরকারি দলের পক্ষে সমর্থনের অভিযোগ, ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচনে ৯ কর্মকর্তা প্রত্যাহার

Reporter Name

জাতীয় ডেস্ক: আসন্ন ঠাকুরগাঁও ১ আসনের উপনির্বাচনের ভোটগ্রহণ শুরু হওয়ার আগের রাতে নির্বাচনী দায়িত্ব থেকে মোট ৯ জন কর্মকর্তাকে প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, ওই কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের প্রার্থীর পক্ষে অবস্থান নেওয়ার গুরুতর অভিযোগ উঠেছিল। নিরপেক্ষ নির্বাচন আয়োজনের স্বার্থেই নির্বাচন কর্তৃপক্ষ এই কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করতে বাধ্য হয়েছে বলে জানা গেছে।

অভিযুক্ত এই কর্মকর্তাদের তালিকায় বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের বেশ কয়েকজন শিক্ষক এবং একজন ব্যাংক কর্মকর্তা অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন। তাঁদের মধ্যে ঠাকুরগাঁও পৌরসভার সবুজ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ঠাকুরগাঁও সরকারি কলেজ, এবং ঠাকুরগাঁও রোড বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়সহ বিভিন্ন ভোটকেন্দ্রের সহকারী প্রিজাইডিং কর্মকর্তারাও দায়িত্বে ছিলেন। ভোটের আগের রাতে এতজন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা একসঙ্গে প্রত্যাহারের ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে।

স্থানীয় রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা কামরুল ইসলাম সংবাদমাধ্যমকে এই তথ্য নিশ্চিত করে জানিয়েছেন যে, সুনির্দিষ্ট কিছু অভিযোগের সত্যতা যাচাই করার পরেই তাঁদের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। ভোটের পরিবেশ সুষ্ঠু এবং প্রভাবমুক্ত রাখতে তাৎক্ষণিকভাবে ওই খালি হওয়া পদগুলোতে নতুন কর্মকর্তাদের নিয়োগ দেওয়া হয়েছে যাতে নির্ধারিত সময়ে ভোটগ্রহণে কোনো বিঘ্ন না ঘটে।

উল্লেখ্য, নির্ধারিত তফশিল অনুযায়ী সম্প্রতি ঠাকুরগাঁও ১ আসনের এই উপনির্বাচনের ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হচ্ছে। ভোটের প্রাক্কালে নির্বাচন কমিশনের এমন দ্রুত ও কঠোর সিদ্ধান্ত গ্রহণকে অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিশ্চিত করার একটি ইতিবাচক পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা। নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, ভোট চলাকালীন যেকোনো ধরনের অনিয়ম বা পক্ষপাতিত্বের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া অব্যাহত থাকবে।