October 28, 2026, 7:57 am
শিরোনাম :
গাজীপুর কর অঞ্চলে চাকরি, পদ ৩৪ মুরাদনগর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর আকস্মিক পরিদর্শন, ৫ চিকিৎসকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ কম্বোডিয়া থেকে ৯ মাসে বহিষ্কার তিন হাজারের বেশি বাংলাদেশি, আলোচনায় সাইবার স্ক্যাম জনগণের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে কারো অবৈধ সাম্রাজ্য টিকানোর দায়িত্ব পুলিশের নয়: হাসনাত আবদুল্লাহ বাংলাদেশের রপ্তানি পণ্যের বহুমুখীকরণে জাপানের সহযোগিতা চান প্রধানমন্ত্রী দেশের প্রথম ই-পারিবারিক আপিল আদালত চালু হচ্ছে কাল সমুদ্রে মাছের অভয়াশ্রম তৈরি করা হচ্ছে: মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী আইজিপির দায়িত্ব থেকে অতি দ্রুত সরে যাওয়া উচিত: নাহিদ ইসলাম ভারি বৃষ্টিতে বিপর্যস্ত অন্ধ্রপ্রদেশের জনজীবন, প্রায় ২ লাখ মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ে বাংলাদেশে বিনিয়োগ সম্প্রসারণে ইউনিক্লোকে প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান

শাহজালালে দুই বিমানকর্মীর জুতায় মিলল ৮০টি সোনার বার

Reporter Name

রাজধানীর হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ অবৈধ সোনার বার জব্দ করেছে কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর। সম্প্রতি দুবাই থেকে আসা একটি ফ্লাইটের দুই বিমানকর্মীর জুতার ভেতর থেকে অত্যন্ত সুকৌশলে লুকিয়ে রাখা এসব সোনা উদ্ধার করা হয়। এই চালানে মোট ৮০টি সোনার বার পাওয়া গেছে, যার আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ১৬ কোটি ২৫ লাখ টাকা বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

কাস্টমস গোয়েন্দা সূত্র জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কায়দা করে সোনা পাচারের এই চেষ্টার বিষয়ে আগে থেকেই তথ্য পেয়েছিলেন গোয়েন্দা কর্মকর্তারা। এর ভিত্তিতে বিমানবন্দর এলাকায় আগে থেকেই অবস্থান নিয়েছিলেন তারা। পরবর্তীতে দুবাই থেকে ঢাকায় অবতরণকারী এমিরেটস এয়ারলাইনসের ওই নির্দিষ্ট ফ্লাইটের দুই বিমানকর্মীর গতিবিধির ওপর কঠোর নজরদারি শুরু করা হয়।

সন্দেহজনক কার্যক্রমের জেরে রানওয়ে এলাকায় ওই দুই বিমানকর্মীকে তল্লাশি করা হয় এবং তাদের জুতার ভেতর বিশেষ কায়দায় লুকিয়ে রাখা সোনার বারগুলো একে একে বের করা হয়। জব্দকৃত প্রতিটি সোনার বারের ওজন প্রায় ১১৭ গ্রাম করে নির্ধারণ করা হয়েছে। সব মিলিয়ে উদ্ধার করা এই সোনাগুলোর মোট ওজন প্রায় ৯ দশমিক ৩৪ কেজি বলে নিশ্চিত করেছে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ ও আটকের পর এই চোরাচালান চক্রের মূল হোতাদের খুঁজে বের করতে কাজ শুরু করেছে তদন্তকারী দল। এই সোনাগুলো ঠিক কোথা থেকে সংগ্রহ করা হয়েছিল এবং দেশের ভেতরে কার কাছে এগুলো পৌঁছে দেওয়ার পরিকল্পনা ছিল, তা উদ্ঘাটনে ব্যাপক অনুসন্ধান চলছে। ঘটনায় জড়িতদের চিহ্নিত করে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।